Thursday, October 6, 2022
হোম বিশেষ সংখ্যাআজ বাঙালি জাতির উৎসব ও প্রেরণা দিন

আজ বাঙালি জাতির উৎসব ও প্রেরণা দিন

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে

কিছু উন্নয়ন প্রকল্প ধীর গতির কারণে জনভোগান্তি চরমে উঠেছে। এছাড়া অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়ি তো চলছে।...

কেশবপুরে কৃষকলীগের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন

সোহেল পারভেজ, কেশবপুর কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজা ম-প পরিদর্শন করেছেন কৃষকলীগে নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার সংগঠনের উপজেলা,...

দেবহাটায় জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উদ্যাপন

দেবহাটা প্রতিনিধি : ‘সময়ের অঙ্গীকার কন্যা শিশুর অধিকার’ প্রতিপ্রাদ্য নিয়ে দেবহাটায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদ্যাপন...

শার্শায় ভুল মানুষের দ্বারা রাজনীতি পরিচালিত হওয়ায় প্রকৃত নেতাকর্মীরা অত্যাচার জুলুম নির্যাতনের শিকার : আশরাফুল আলম লিটন

বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনাপোল পৌরসভার সাবেক মেয়র আশরাফুল...

আশরাফুল আলম লিটন

২৫ জুন স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন আজ। এ দিনটি বাঙালি জাতির জন্য উৎসব ও প্রেরণার। একই সাথে তা প্রেরণার এক উৎস। পদ্মা সেতু এখন আমাদের সক্ষমতার প্রতীক। পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশের, বাংলার মানুষের ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্মান ও মর্যাদা বিশ্বের দরবারে বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। আবারও প্রমাণিত হয়েছে ‘আমরা হেরে যাওয়ার জাতি নই’।

দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও কার্যক্রমের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিচ্ছবি আমরা খুঁজে পাই। এ কথা অনস্বীকার্য যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃঢ় মনোভাবের বাস্তব রূপায়ণই আজকের স্বপ্নের পদ্মা সেতু। আমাদের মতো আমজনতার এটা জানা নেই যে, তিনি কিসের ভিত্তিতে, কোন ভরসায় এরকম একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অসীম সাহসিকতা ও সুদৃঢ় প্রত্যয়ের সোনালি ফসল, ১৭ কোটি বাঙালির গর্ব ও অহংকার পদ্মা সেতু আজ ২৫ জুন উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। দেশের আপামর জনগণ তাদের টাকায় প্রমত্তা পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াতের অপেক্ষায় এখন অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছে। স্বাধীনতোত্তর বাংলাদেশে পদ্মা সেতু নির্মাণ ছিলো সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের। তাও আবার নিজস্ব অর্থায়নে। সবমিলিয়ে বলতে গেলে পদ্মা সেতু একদিকে বৃহৎ প্রকল্প, অন্যদিকে তা ছিলো অত্যন্ত জটিল। সে অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ ছিলো স্বপ্নের মতো। রূপকথার গল্পের মতো। এক কথায় অসম্ভব ব্যাপার। তারপর সীমাহীন ষড়যন্ত্র, বিদেশিদের পিছন থেকে সরে যাওয়া। সর্বপরি অর্থ প্রত্যাহারের পর এই সেতু নির্মাণ ছিল অসাধ্য। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। কারণ, তাঁর দৃঢ় মনোবল, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা ছাড়া এই সেতু নির্মাণ সম্ভব হতো না। দৃঢ়ভাবে আজ এ কথা বলা যায় যে, বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরসূরী শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারও পক্ষে দেশীয় অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঝুঁকি নেওয়া সম্ভব ছিলো না। এজন্য আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী না হলে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন হতো না। পদ্মা সেতু নিয়ে কিছু বলতে গেলে প্রথমেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করতে হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে এ দেশ স্বাধীন হতো না। তিনি একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন বলেই আজ এই পদ্মা সেতুর মতো একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় সেতুটি নির্মিত হয়েছে। পদ্মা একটি অত্যান্ত খরস্রোতা নদী। নদীর তীব্র স্রোতের কারণে নির্মাণকাজ অত্যন্ত কঠিন ছিল। কখনো কখনো ব্যাহত হয়েছে। নদী ও মানুষের তীব্র খরস্রোত মোকাবিলা করে পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে তিনিই পারেন। এই অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা, ২০২৩ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আরেকটা পদ্মা সেতু নির্মাণ করে এই জাতিকে আবারও তিনি গর্বিত করবেন।

-প্রকাশক ও সম্পাদক
‘দৈনিক প্রতিদিনের কথা’

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

মাতৃপূজা

সুন্দর সাহা মা দুর্গা জ্যোতির্ময়ী জগন্মাতা। তিনি এক কিন্তু বিভিন্নরূপে প্রকাশমানা। ব্রহ্মাদি দেবগণ তাঁর স্বরূপ...

এক জনমেই জন্মান্তর

ড. পরেশ চন্দ্র মণ্ডল : জন্মান্তরবাদ’ হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান ধারণ স্তম্ভ (জন্মান্তরবাদ ও কর্মফল ওতোপ্রোতভাবে...

মা গো আনন্দময়ী

শ্রী তিলককান্তি সেন দুর্গাপূজা তথা দুর্গোৎসবের আবেদন। বাঙালি হিন্দুর সমাজজীবনে চিরকালীন। তা সে যেখানেই থাকুক...