Wednesday, October 5, 2022
হোম আজকের পত্রিকাযবিপ্রবির ৮৫ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

যবিপ্রবির ৮৫ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে

কিছু উন্নয়ন প্রকল্প ধীর গতির কারণে জনভোগান্তি চরমে উঠেছে। এছাড়া অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়ি তো চলছে।...

সিলেটের উইকেট নিয়ে বাংলাদেশ কোচের ক্ষোভ

বার্তাকক্ষ শিরোপার স্বপ্ন নিয়েই নারী এশিয়া কাপে খেলছে বাংলাদেশ। তাও আবার ঘরের মাঠে। প্রথম ম্যাচ...

‘আপনারা হয়তো মনে করছেন আমি এক চোখ নিয়েই খেলতে পারব’

বার্তাকক্ষ ২০২৩ আইপিএল মৌসুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুতে ফিরছেন, নিশ্চিত করলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। কিন্তু খেলোয়াড়...

অদ্ভুত কারণে দল থেকে বাদ পড়া আরও ৫ খেলোয়াড়

বার্তাকক্ষ টুর্নামেন্ট বা সিরিজের আগে চোটের কারণে খেলোয়াড়দের দল থেকে ছিটকে পড়ার ঘটনা নতুন কিছু...

যবিপ্রবি প্রতিনিধি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৮৫ কোটি ২০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) থেকে ৭৩ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খাত থেকে ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা আয় ধরা হয়েছে। এ ছাড়া গবেষণা সরঞ্জামাদি, শিক্ষা ও শিক্ষণ উপকরণ, গবেষণা অনুদানে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ায় ঘোষিত বাজেটে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঘাটতি রয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে যবিপ্রবির সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডের ৮০তম বিশেষ সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল মজিদ এ বাজেট প্রস্তাব করেন। বাজেট উত্থাপন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দের বিষয়ে রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যরা তাদের মতামত ও সুপারিশ দেন। পরবর্তীতে তা রিজেন্ট বোর্ডের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যদের অনেকে ভার্চুয়ালি এবং অনেকে সশরীরে অংশ নেন।

যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল মজিদ বাজেট বক্তব্যে বলেন, ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাজেটের আকার ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা ছিল। সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে বিশ^বিদ্যালয়ের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে বাজেট বৃদ্ধি পেয়ে এখন ২০২২-২৩ অর্থ বছরে দাঁড়িয়েছে ৮৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। গত ২০২১-২২ অর্থ বছরে সংশোধিত বাজেট ছিল ৭৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
সভায় বাজেটের সঙ্গে বিশ^বিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল মজিদ, হিসাব দপ্তরের পরিচালক মো. জাকির হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন রিজেন্ট বোর্ডের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণায় এখন ঈর্ষণীয় অবস্থানে রয়েছে। বিশ^বিদ্যালয়ের গবেষণারগারগুলো ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এ জন্য গবেষণা সরঞ্জামাদি, শিক্ষা ও শিক্ষণ উপকরণ এবং গবেষণা খাতে বিশেষ বরাদ্দ দিতে গিয়ে ঘাটতি বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থ বছরে সংশোধিত বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না পাওয়া গেলে বিশ^বিদ্যালয়ের কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জনের গতি মন্থর হবে। আশা করি, এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলে সদয় দৃষ্টি দেবেন। আমার বিশ^াস, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের সকলেই এই অর্থ যথাযথ ব্যবহার করে আমাদের এই লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে সচেষ্ট হবেন।

যবিপ্রবির উপাচার্য ও রিজেন্ট বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) মো. আবু ইউসুফ মিয়া, যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন-৩) সৈয়দা নওয়ারা জাহান, সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মো: সলিমুল্লাহ, সাভারের পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এস এম আসাদুজ্জামান, ইউজিসি অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. এম. এ. রশীদ, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহসান হাবীব, যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিব, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মেহেদী হাসান, সরকারি এম এম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মর্জিনা আক্তার, রিজেন্ট বোর্ডের সচিব ও যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, হিসাব দপ্তরের পরিচালক মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

মাতৃপূজা

সুন্দর সাহা মা দুর্গা জ্যোতির্ময়ী জগন্মাতা। তিনি এক কিন্তু বিভিন্নরূপে প্রকাশমানা। ব্রহ্মাদি দেবগণ তাঁর স্বরূপ...

এক জনমেই জন্মান্তর

ড. পরেশ চন্দ্র মণ্ডল : জন্মান্তরবাদ’ হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান ধারণ স্তম্ভ (জন্মান্তরবাদ ও কর্মফল ওতোপ্রোতভাবে...

মা গো আনন্দময়ী

শ্রী তিলককান্তি সেন দুর্গাপূজা তথা দুর্গোৎসবের আবেদন। বাঙালি হিন্দুর সমাজজীবনে চিরকালীন। তা সে যেখানেই থাকুক...