Wednesday, October 5, 2022
হোম আজকের পত্রিকাযবিপ্রবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে নির্বাহী প্রকৌশলীকে পেটানোর অভিযোগ

যবিপ্রবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে নির্বাহী প্রকৌশলীকে পেটানোর অভিযোগ

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে

কিছু উন্নয়ন প্রকল্প ধীর গতির কারণে জনভোগান্তি চরমে উঠেছে। এছাড়া অপরিকল্পিত খোঁড়াখুঁড়ি তো চলছে।...

সিলেটের উইকেট নিয়ে বাংলাদেশ কোচের ক্ষোভ

বার্তাকক্ষ শিরোপার স্বপ্ন নিয়েই নারী এশিয়া কাপে খেলছে বাংলাদেশ। তাও আবার ঘরের মাঠে। প্রথম ম্যাচ...

‘আপনারা হয়তো মনে করছেন আমি এক চোখ নিয়েই খেলতে পারব’

বার্তাকক্ষ ২০২৩ আইপিএল মৌসুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুতে ফিরছেন, নিশ্চিত করলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। কিন্তু খেলোয়াড়...

অদ্ভুত কারণে দল থেকে বাদ পড়া আরও ৫ খেলোয়াড়

বার্তাকক্ষ টুর্নামেন্ট বা সিরিজের আগে চোটের কারণে খেলোয়াড়দের দল থেকে ছিটকে পড়ার ঘটনা নতুন কিছু...

নিজস্ব প্রতিবেদক

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদের বিরুদ্ধে নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মিজানুর রহমানকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। আহত মিজানুর রহমান যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় বিশ^বিদ্যালয় রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদ। তার দাবি, প্রকৌশলী মিজানুর রহমান ও আজিজের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলছিল। এ সময় তিনি তাদের থামাতে এগিয়ে যান।
শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, আজ (শনিবার) আইকিউএসি আয়োজিত কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করি। প্রশিক্ষণ চলাকালে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে আজিজ নামে বিশ^বিদ্যালয়ের বহিস্কৃত এক ছাত্র আমাকে বলেন ড. ইকবাল কবীর জাহিদ স্যার আপনাকে ডাকছে। ড. ইকবাল কবীর জাহিদ স্যারের কথা শুনে আমি রুমের বাইরে বের হই। দরজার বাইরে আসলে ড. ইকবাল কবীর জাহিদ স্যার একাডেমিক ভবনের পশ্চিম পাশে সিঁড়ির নিচে ডেকে নিয়ে যায়। এ সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার কানে থাপ্পড় মারে। এরপর আজিজ আমাকে চড় থাপ্পড় মেরে লাঞ্ছিত করে। এ সময় আমার প্রাণনাশের হুমকিও দেন।
মিজানুর রহমান আরও বলেন, রাজশাহীর একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিশ^বিদ্যালয়ে জেনারেটর সরবরাহ করে। ওই প্রতিষ্ঠানের ১৮ লাখ টাকার (বিল) প্রকল্পের বিপরীতে সিকিউরিট বাবদ এক লাখ ৮০ হাজার টাকা জামানত রাখা হয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ওই সিকিউরিটির টাকা বিশ^বিদ্যালয়ের বহিস্কৃত ছাত্র আজিজকে দিতে চাপ দিচ্ছিলেন প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদ। একাধিক দিন তিনি আমাকে সুপারিশ করেছেন। আমি বলেছি যথাযথ প্রক্রিয়া (কাগজপত্র) ছাড়া টাকা দিতে পারবো না। এজন্য তারা আমার উপর ক্ষুব্ধ হন।
এ বিষয়ে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের অভিযোগ সঠিক নয়। মিজানুর ও আজিজের মধ্যকার কথা কাটাকাটি চলছিল। তাদের থামাতে এগিয়ে গিয়েছিলাম। আমি তাকে মারপিট করিনি।
তিনি আরও বলেন, বিশ^বিদ্যালয়ের গ্যালারির সাউন্ড সিস্টেমের দুর্নীতির বিষয়ে একটি তদন্ত রিপোর্ট দিয়েছিলাম। ওই রিপোর্টে প্রকৌশলী মিজানুর রহমান অভিযুক্ত। কিন্তু বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখনো তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। তার বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট দেয়ায় আমার উপর ক্ষুব্ধ ছিল। এজন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা নাটক সাজাচ্ছে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

মাতৃপূজা

সুন্দর সাহা মা দুর্গা জ্যোতির্ময়ী জগন্মাতা। তিনি এক কিন্তু বিভিন্নরূপে প্রকাশমানা। ব্রহ্মাদি দেবগণ তাঁর স্বরূপ...

এক জনমেই জন্মান্তর

ড. পরেশ চন্দ্র মণ্ডল : জন্মান্তরবাদ’ হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান ধারণ স্তম্ভ (জন্মান্তরবাদ ও কর্মফল ওতোপ্রোতভাবে...

মা গো আনন্দময়ী

শ্রী তিলককান্তি সেন দুর্গাপূজা তথা দুর্গোৎসবের আবেদন। বাঙালি হিন্দুর সমাজজীবনে চিরকালীন। তা সে যেখানেই থাকুক...