Friday, September 30, 2022
হোম জাতীয়সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, বেড়েছে পানিবাহিত রোগ

সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, বেড়েছে পানিবাহিত রোগ

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

ইউক্রেনের ৪ অঞ্চলকে নিজের সঙ্গে যুক্ত করছে রাশিয়া

বার্তাকক্ষ রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে নিজের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। শুক্রবার এই অঞ্চলগুলোকে...

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার এক বছরে ক্যাম্পে আরও ২৭ খুন

বার্তাকক্ষ কক্সবাজারের আশ্রয় ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার এক বছর পূর্ণ হলো বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর)।...

মহেশপুরে ৪০ পিচ সোনার বারসহ ১জন আটক

আব্দুস সেলিম, মহেশপুর ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর সীমান্ত থেকে ৪০ পিচ সোনার বারসহ শওকত আলী...

ডিমের উৎপাদন খরচ ৬ টাকা, দাম কেন ১৩: কৃষিমন্ত্রী

বার্তাকক্ষ ফার্মের মুরগির ডিমের উৎপাদন খরচ ৫ থেকে ৬ টাকা বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক।...

বার্তাকক্ষ।। সুনামগঞ্জে বন্যার পানি কমলেও বেড়েছে পানিবাহিত রোগ-বালাই। জ্বর-সর্দি, আমাশয়, ডায়রিয়া, পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বানভাসিরা।
এদিকে জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কমছে প্লাবিত বিভিন্ন উপজেলার পানি। পাশাপাশি জেলার সবগুলো নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এখনও পানিবন্দি জেলার লক্ষাধিক মানুষ। ৪৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন বানভাসিরা।
বানভাসিরা জানান, বন্যার পানিতে হাওর এলাকার সব টিউবওয়েল তলিয়ে গেছে। সেজন্য আমরা বিশুদ্ধ পানি খেতে পারছি না। হাওর ও নদীর পানি খেয়ে বেঁচে থাকতে হচ্ছে। যার ফলে আমাদের শিশু ও বয়ষ্করা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।সুনামগঞ্জের ভাদেরটেক এলাকার বাসিন্দা হুসেন আহমেদ বলেন, বন্যার পানি কমলেও আমরা ভালো পানি খেতে পারছি না। যার ফলে বিভিন্ন রোগে দেখা দিচ্ছে।
সুনামগঞ্জের আলীপুর এলাকার বাসিন্দা জাবেদ আহমেদ বলেন, বন্যার পানি আসার পর থেকে আমরা দুর্গতির মধ্যে আছি। কারো ঘর ভাসিয়ে নিয়ে গেছে কারো বা গরু ছাগল। শুধু তাই না, বন্যার পানিতে সবগুলো টিউবওয়েল ডুবে যাওয়ায় পচা পানি খেয়ে আমাদের জীবন চালাতে হচ্ছে। যার ফলে শিশু ও বৃদ্ধরা জ্বর-সর্দি, আমাশয়, ডায়রিয়া, পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
সুনামগঞ্জের আলীপুর এলাকার বাসিন্দা নূর নাহার বলেন, হাওরের পানিতে মরা মানুষ, হাঁস, মুরগিসহ বিভিন্ন মরা পশু-পাখির পচার গন্ধ। আমরা সেই পানি খেয়ে বিভিন্ন রোগের সম্মুখীন হচ্ছি।
তিনি বলেন, চারদিকে পানি আর পানি। খাদ্য সামগ্রী যেভাবে এসে আমাদের দিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেভাবে যদি ডাক্তাররা বাড়ি বাড়ি এসে আমাদের দেখে যেত তাহলে হয়ত আমাদের জীবনটা বাঁচত।
তবে সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত বন্যা পরবর্তী পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব তেমন একটা দেখা যায়নি। ১২৩টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খাবার স্যালাইন, ওষুধ ও পানি বিশুদ্ধকরণ টেবলেট মজুত আছে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার এক বছরে ক্যাম্পে আরও ২৭ খুন

বার্তাকক্ষ কক্সবাজারের আশ্রয় ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার এক বছর পূর্ণ হলো বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর)।...

ডিমের উৎপাদন খরচ ৬ টাকা, দাম কেন ১৩: কৃষিমন্ত্রী

বার্তাকক্ষ ফার্মের মুরগির ডিমের উৎপাদন খরচ ৫ থেকে ৬ টাকা বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক।...

অফিস সময় আপাতত পরিবর্তন হচ্ছে না

বার্তাকক্ষ অফিস সময়ে কোনও পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। বর্তমানে সকাল ৮টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত...