Friday, October 7, 2022
হোম আজকের পত্রিকাপদ্মার বিস্তীর্ণ চরে বেড়েছে বাদাম চাষ

পদ্মার বিস্তীর্ণ চরে বেড়েছে বাদাম চাষ

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

নতুন ওয়্যারলেস বুকশেলফ স্পিকার আনল এডিফায়ার

বার্তাকক্ষ বাজারে নতুন ওয়্যারলেস বুকশেলফ স্পিকার নিয়ে এসেছে চীনের অডিও ইকুইপমেন্ট প্রতিষ্ঠান এডিফায়ার। এস১০০০ডব্লিউ নামে...

টুইটে একাধিক মিডিয়া ফাইল যুক্ত করার সুবিধা চালু

বার্তাকক্ষ টুইট বার্তায় একত্রে ছবি, ভিডিও ও গ্রাফিকস ইন্টারচেঞ্জ ফরম্যাট (জিআইএফ) যুক্তের সুবিধা চালুর বিষয়ে...

ব্যবহারকারীদের ফিড পোস্ট নিয়ন্ত্রণের সুবিধা দিচ্ছে ফেসবুক

বার্তাকক্ষ বিভিন্ন সংকট, ব্যবহারকারীদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলাসহ তুমুল প্রতিযোগিতার মুখে ক্রমাগত মুনাফা হারাচ্ছে মেটা মালিকানাধীন...

গ্লো ভিডিও ডিভাইস বাজারজাত বন্ধ করছে অ্যামাজন

বার্তাকক্ষ এক বছর আগে শিশুদের সহজে ভিডিও কলিংয়ের সুবিধা প্রদানে গ্লো নামের ডিভাইস বাজারজাত করেছিল...

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মার অনাবাদি চরে চিনা বাদাম চাষ বেড়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় ফলন ভালো হওয়ায় এসব জমিতে বাদাম আবাদ করছেন চাষিরা। বর্তমানে তারা বাদাম ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে কুষ্টিয়ায় প্রায় এক হাজার হেক্টর জমিতে চিনা বাদাম চাষ হয়েছে। এর মধ্যে দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর, চিলমারী, ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়ন সংলগ্ন চরে চাষ হয়েছে প্রায় ৮৯০ হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনায় এবার ১০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ বেড়েছে। চরের মাটিতে পাথর ও বালু বেশি থাকায় এ অঞ্চলে ফলন ভালো হয়।
জানা গেছে, এক সময় পদ্মা নদীতে জেগে ওঠা বালুচর পড়ে থাকতো, যা চাষিদের কোনও কাজেই আসতো না। এখন জেগে ওঠা পদ্মার চরে স্থানীয় চিনা বাদাম চাষ করছেন তারা। সাফল্য পাওয়ায় প্রতিবছরই বাদাম চাষ বাড়ছে। অর্থকরী এ ফসলের চাষ পুরো চরে ছড়িয়ে পড়ছে। বাদাম চাষে বিঘাপ্রতি খরচ হয় প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। আর প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩৮শ’ থেকে ৪ হাজার টাকা মণ দরে। স্থানীয় চিলমারীর চরের বাদাম চাষি শিমুল মিয়া বলেন, ‘এ বছর পাঁচ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছি। খরচ বাদ দিয়ে বর্তমান বাজার দরে বিঘাপ্রতি প্রায় ১৫ হাজার টাকা করে লাভ হচ্ছে।’ মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর গ্রামের চাষি সোহরাব আলী জানান, এ বছর পাঁচ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছেন তিনি। লাভ হওয়ায় আগামী বছর দ্বিগুণ জমিতে বাদাম চাষ করার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানান। আরেক বাদাম চাষি ওহিদুল ইসলাম জানান, নদীতে বন্যার পানি আসার আগেই চরের সব বাদাম চাষিদের ঘরে তুলতে হবে, না হলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে। এদিকে বাড়ির গৃহস্থালির কাজ শেষে বাদাম ক্ষেতে কাজ করে নারী শ্রমিকরাও বেশ খুশি। তারাও কৃষকের ক্ষেতে গাছ থেকে বাদাম ঝরিয়ে প্রতিদিন আয় করেছেন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। দৌলতপুর কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি বিভাগ থেকে বাদামের নতুন জাত সরবরাহসহ কারিগরি পরামর্শ প্রদান ও সব ধরনের সহায়তার দেওয়া হচ্ছে। বাদামের ফলন ভালো হয়েছে, এতে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। চরাঞ্চলের অনাবাদি জমি বাদাম চাষের আওতায় আনা গেলে চরবাসীর সারাবছরের আর্থিক চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে। পাশাপাশি দেশের বাদামের চাহিদা মিটবে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

কেশবপুরে কৃষকলীগের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন

সোহেল পারভেজ, কেশবপুর কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজা ম-প পরিদর্শন করেছেন কৃষকলীগে নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার সংগঠনের উপজেলা,...

দেবহাটায় জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উদ্যাপন

দেবহাটা প্রতিনিধি : ‘সময়ের অঙ্গীকার কন্যা শিশুর অধিকার’ প্রতিপ্রাদ্য নিয়ে দেবহাটায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদ্যাপন...

শার্শায় ভুল মানুষের দ্বারা রাজনীতি পরিচালিত হওয়ায় প্রকৃত নেতাকর্মীরা অত্যাচার জুলুম নির্যাতনের শিকার : আশরাফুল আলম লিটন

বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনাপোল পৌরসভার সাবেক মেয়র আশরাফুল...