Friday, September 30, 2022
হোম আজকের পত্রিকাপাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

ইউক্রেনের ৪ অঞ্চলকে নিজের সঙ্গে যুক্ত করছে রাশিয়া

বার্তাকক্ষ রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে নিজের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। শুক্রবার এই অঞ্চলগুলোকে...

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার এক বছরে ক্যাম্পে আরও ২৭ খুন

বার্তাকক্ষ কক্সবাজারের আশ্রয় ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার এক বছর পূর্ণ হলো বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর)।...

মহেশপুরে ৪০ পিচ সোনার বারসহ ১জন আটক

আব্দুস সেলিম, মহেশপুর ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর সীমান্ত থেকে ৪০ পিচ সোনার বারসহ শওকত আলী...

ডিমের উৎপাদন খরচ ৬ টাকা, দাম কেন ১৩: কৃষিমন্ত্রী

বার্তাকক্ষ ফার্মের মুরগির ডিমের উৎপাদন খরচ ৫ থেকে ৬ টাকা বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক।...

বার্তাকক্ষ

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এবার ৩ কোটি ৬০ লাখ ২৭ হাজার ৪১৫ টাকা পাওয়া গেছে। নগদ টাকা ছাড়াও দানবাক্সে মেলে সোনা-রুপার গহনা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রাও। তিন মাস ২০ দিন পর শনিবার (২ জুলাই) সকালে মসজিদের আটটি সিন্দুক খুলে সাড়ে ১৬ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে গণনা। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সকাল ৮টায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ঈদগাহ কমিটির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়। এরপর প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় মেঝেতে সব টাকা ঢেলে গণনা শুরু হয়। কিশোরগঞ্জ রুপালী ব্যাংকের ৫০ জন কর্মকর্তা, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মসজিদ কমপ্লেক্স মাদরাসার ১৫০ জন শিক্ষার্থী সারা দিন টাকা ভাঁজ ও গণনার কাজে অংশ নেন। এর আগে গত ১২ মার্চ এসব দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার টাকা পাওয়া গিয়েছিল। গত বছরের ৬ নভেম্বর এসব দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় ৩ কোটি ৭ লাখ ১৭ হাজার ৫৮৫ টাকা।
কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর পাড়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ। মসজিদটিতে মোট আটটি লোহার দানবাক্স রয়েছে। প্রতি তিন মাস পরপর এসব বাক্স খোলার রেওয়াজ রয়েছে। দানবাক্স ছাড়াও এ মসজিদে প্রতিদিন হাঁস-মুরগি, ফল, খাসিও দান করা হয়। জনশ্রুতি আছে, কোনো এক সময় এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝামাঝি প্রবাহিত নরসুন্দা নদের মধ্যবর্তী জায়গায় জেগে ওঠা উঁচু টিলাকৃতির স্থানটিতে। মুসলিম ও হিন্দু-নির্বিশেষে সব ধর্ম-বর্ণের লোকজনের যাতায়াত ছিল ওই সাধকের আস্তানায়। ওই পাগল সাধকের দেহাবসানের পর তার উপাসনালয়টিকে কামেল পাগল পিরের মসজিদ হিসেবে ব্যবহার শুরু করে এলাকাবাসী। কিন্তু ওই সাধকের দেহাবসানের পর থেকে আশ্চর্যজনকভাবে এলাকা এমনকি দেশ-বিদেশের লোকজনের ভিড় বাড়তে থাকে। এ মসজিদে মানত কিংবা দান-খয়রাত করলে মনোবাসনা পূরণ হয় এমন বিশ্বাস থেকে হিন্দু-মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের নারী-পুরুষ মানত নিয়ে আসেন এই মসজিদে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ফেনসিডিল ও ইয়াবাসহ আটক ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :  যশোরে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ২৮ বোতল ফেনসিডিল ও ১শ ৫ পিস...

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ৭৬ তম জন্মদিন উপলক্ষে যশোর আ.লীগের দোয়া অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : বুধবার সকালে যশোর শহরের গাড়িখানা রোডস্থ জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী...

বাংলাদেশ এখন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি: এমপি নাসির

নিজস্ব প্রতিবেদক, চৌগাছা : যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অবঃ) অধ্যাপক...