Thursday, December 8, 2022
হোম সাহিত্যপুরস্কারপ্রাপ্তি আনন্দের

পুরস্কারপ্রাপ্তি আনন্দের

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

ব্যাংকিং খাত নিয়ে গুজব

ব্যাংকিং খাত নিয়ে গুজব গ্রাহকের মনে সন্দেহের দানা বেঁধেছে। রটানো হচ্ছে। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম...

বিএনপির কার্যালয় থেকে বোমা উদ্ধার: পুলিশ

বার্তাকক্ষ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বোমা ও ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে...

পুরুষের ফুসফুস, নারীর স্তন ক্যানসার বেশি

বার্তাকক্ষ দেশে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। রাজধানীর ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও...

খুলনার সাবেক ডিসি ও ডুমুরিয়ার ইউএনওকে হাইকোর্টে তলব

বার্তাকক্ষ খুলনার ভদ্রা ও হরি নদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের আদেশ প্রতিপালন না করায় সাবেক...

নিজস্ব প্রতিবেদক
কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক আফসানা বেগম তার উপন্যাস ‘কোলাহল থামার পরে’র জন্য জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ পেলেন। আজ সন্ধ্যায় বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। আফসানা বেগমের জন্ম ২৯ অক্টোবর, ১৯৭২। প্রকাশিত বই : ঝাঁপ ও অন্যান্য গল্প (অনুবাদ), রোমান সাম্রাজ্য (অনুবাদ), জীবন যখন থমকে দাঁড়ায় (নভেলা), দশটি প্রতিবিম্বের পাশে (ছোটোগল্প), লেখালেখি : তাদের ভাবনা (অনুবাদ)। এর আগে তিনি ‘জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য’ পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কারপ্রাপ্তি সাধারণত আনন্দের। আমিও এই প্রাপ্তিতে আনন্দিত। সাহিত্যজগতে আমার পদচারণা অল্পদিনের, সেই হিসেবে একে বড়ো প্রাপ্তি মনে করছি। রচনার পাঠযোগ্যতা সম্পর্কে স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে আমাকে গর্বিত করেছে।
প্রথমত, সমসাময়িক এবং অগ্রজ কবি-সাহিত্যিকের রচনার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পাওয়া ছিল প্রভূত উৎসাহ ও অনুপ্রেরণার। মূলত সেটাই ছিল পুরস্কারের মতো। এর পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়া নিজের কাছে কিছুটা অপ্রত্যাশিত ছিল বটে। ২০২১ সালের জেমকন সাহিত্য পুরস্কারের উদ্দেশে আমার উপন্যাস, ‘কোলাহল থামার পরে’ নির্বাচনের জন্য জেমকন সাহিত্য পুরস্কার কমিটি ও শ্রদ্ধেয় বিচারকদের জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।
পুরস্কার প্রাপ্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে যদি রচনাটির বহুল পাঠ সংঘঠিত হয়, তবে সেজন্য তাঁদের অগ্রিম কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের সমাজ নারীবান্ধব নয়। নারীকে এখানে প্রতিমুহূর্তে নানান প্রতিকূল পরিস্থিতি উতরে মানসিক ও শারীরিকভাবে টিকে থাকতে হয়। বাসস্থানের বাইরে তো বটেই, পরিবারের স্বজনদের হাতেও তাকে বারংবার নির্যাতনের সম্মুখীন হতে হয়। বাড়ির ভিতরে আপনজনের মাধ্যমে কন্যাশিশু ও নারীর ওপরে যে নির্যাতন হয় তা নিয়ে আমি প্রায়ই ভাবি। আপনজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং তা থেকে চট করে মুক্তি পাওয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দুঃসাধ্য হয়ে থাকে।
উপন্যাসটিতে এরকমই ভয়াবহ ও ক্রমাগত নির্যাতন ও তা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিংবা মুক্তি ছিনিয়ে নেওয়ার আখ্যানের মাধ্যমে এক লড়াকু নারীর জীবন তুলে আনার চেষ্টা করেছি। সমাজ সমূলে পরিবর্তন হবে কি না কিংবা কতদিনে হবে, তা আমাদের জানা নেই। তবে যার যার অবস্থান থেকে সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যাশায় ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা থাকা ইতিবাচক বলে মনে করি। এ কারণেই পরিবর্তনের স্বপ্ন থেকে মনের ভিতরে যে গুঞ্জনের উদ্ভব ঘটে তা লিপিবদ্ধ করতে গিয়েই এই উপন্যাস রচনার প্রয়াস পেয়েছি। এর জন্য যে কোনো স্বীকৃতি শীরোধার্য।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

রাহেল রাজিবের প্রেমের কবিতা: বাস্তবতার অভিজ্ঞান

মাঈন উদ্দিন আহমেদ ‘লেন ভেদে গাড়ি চলে, জীবন চলে না কেন চালাও!’ চরণ দুটি কবি রাহেল রাজিবের...

সানাউল্লাহ সাগরের পাঁচটি কবিতা

আশ্রয়কেন্দ্র তুমি এসে গেছো! যাই যাই করেও যাওয়া হলো না আমার, অথবা নিরক্ষর এই জীবন ছেড়ে কোথাও যেতে...

সালেক খোকনের নতুন গবেষণাগ্রন্থ ‘বীরত্বে একাত্তর’

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের প্রথম তারিখেই কথাপ্রকাশ থেকে লেখক ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক সালেক খোকন-এর নতুন...