Friday, December 9, 2022
হোম অর্থনীতি৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামলো রিজার্ভ

৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামলো রিজার্ভ

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

স্বল্প বসনা’ ছবি দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ‘স্নায়ুযুদ্ধ’!

বার্তাকক্ষ এ গল্পে দুটি চরিত্র। সম্পর্কে তারা স্বামী-স্ত্রী। তবে তারও আগে চিত্রতারকা; নায়ক-নায়িকা। দুজনেই...

মোরেলগঞ্জে মিথ্যা মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোরেলগঞ্জ সংবাদদাতা বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মিথ্যা মামলায় হয়রানী থেকে বাঁচার জন্য মানবন্ধন করেছেন ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।...

দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ‘টাইটানিক’ গায়িকা

বার্তাকক্ষ পাঁচবার গ্র্যামিজয়ী গায়িকা সেলিন ডিয়ন দুরারোগ্য রোগ ‘স্টিফ পারসন সিনড্রোম’-এ আক্রান্ত হয়েছেন। এটি...

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা চীনা হুয়াওয়ের সঙ্গে সৌদি আরবের চুক্তি

বার্তাকক্ষ চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সৌদি আরব সফরে বেইজিং ও রিয়াদ একাধিক কৌশলগত চুক্তি...

বার্তাকক্ষ
বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় দুই বছরের মধ্যে ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে।‌ বর্তমানে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৯ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলারে। গত বছরের ডিসেম্বরে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার।
গত সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সঙ্গে এক দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমদানি পেমেন্ট নিষ্পত্তি করেছে বাংলাদেশ। আমদানির অর্থ পরিশোধের অনুমোদন দেওয়ার পর কমে গেছে রিজার্ভ।
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন হলো এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো আঞ্চলিক লেনদেনের জন্য আমদানি পেমেন্ট নিষ্পত্তি করে। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা এর সদস্য। এই ব্যবস্থায় দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করতে হয়।
রপ্তানি আয় বাড়লেও অস্বাভাবিকভাবে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়া, প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) কমে যাওয়ার ফলে ডলারের ওপর চাপ তৈরি হওয়ায় রিজার্ভে প্রভাব পড়েছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। গত কয়েক মাস ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলারের মজুত চাপে আছে বলেও জানান তারা।
গত অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসের মধ্যে আমদানি ব্যয় ৩৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৫ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। সেই তুলনায় রপ্তানি আয় ৩৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪৪ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে গত ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবার রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে। গত অর্থবছরে প্রবাসীরা অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলে অর্থ পাঠানোয় রেমিট্যান্স আসে ২১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার।
জানা গেছে, গত বছরের শুরুতে মহামরি করোনার কারণে প্রবাসীরা এক ধরনের অনিশ্চয়তা থেকে তাদের জমানো টাকা দেশে পাঠিয়েছিলেন। অনেকে চাকরি হারিয়ে কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে সব অর্থ দেশে এনেছেন। এছাড়া গত বছরের শুরুতে করোনার স্থবিরতার কারণে হুন্ডি প্রবণতা কমে যায়। ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠানো অর্থের অংক বেড়ে যায়।
এসব কারণে মহামারির মধ্যেও রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছিল। এখন অনেকে দেশে এসে আটকা পড়েছেন। আবার অনেক প্রবাসী নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে গিয়ে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানো কমিয়ে দিয়েছেন। হুন্ডিও আবার বাড়ছে। তার ফলে প্রবাসী আয় নিম্নমুখী রয়েছে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

ধার না নিয়ে তৃতীয় দিন ৫৯০ কোটি টাকা পরিশোধ করল ইসলামি ব্যাংকগুলো

বার্তাকক্ষ সোমবার থেকে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের জন্য ‘ইসলামিক ব্যাংকস লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (আইবিএলএফ) সুবিধা চালু করেছে...

কমেছে সবজির দাম, চাল-চিনি-তেলে এখনো অস্বস্তি

বার্তাকক্ষ * চাল, আটা, তেল, চিনি ও ডালের দাম চড়া * অপরিবর্তিত মাছ-মাংসের দাম * স্বস্তি...

চাল আমদানিতে শুল্ক সুবিধার মেয়াদ তিন মাস বাড়ল

বার্তাকক্ষ চাল আমদানিতে শুল্ক সুবিধার মেয়াদ আরো তিন মাস বাড়িয়েছে সরকার। ফলে ২০২৩ সালের...