Friday, December 9, 2022
হোম আইটিদ্বিতীয়ার্ধে চাঙ্গা থাকবে স্মার্ট ওয়্যারেবলের বাজার

দ্বিতীয়ার্ধে চাঙ্গা থাকবে স্মার্ট ওয়্যারেবলের বাজার

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

মানবাধিকার কমিশনের অবৈতনিক সদস্য হলেন অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ

বার্তাকক্ষ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অবৈতনিক সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য...

টাইগারদের সামনে ইতিহাস গড়ার হাতছানি

বার্তাকক্ষ: ভারত সিরিজে টাইগারদের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লিটন দাসের সামনে হাতছানি দিচ্ছে ইতিহাস গড়ার। চট্টগ্রামে সিরিজের...

ঝিনাইদহে আ.লীগ কার্যালয়ে ককটেল হামলা ৫টি উদ্ধার: প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ

মহিউদ্দীন, ঝিনাইদহ ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় লক্ষ্য করে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে। ৪...

ছাত্র রাজনীতি কি প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলছে?

ড. প্রণব কুমার পান্ডে বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির রয়েছে একটি গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে ছাত্র...

বার্তাকক্ষ
চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে নতুন ওয়্যারেবল ডিভাইস বাজারে আনবে বৃহত্তম ভিআর ডিভাইস সরবরাহকারী মেটা ও প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। এছাড়া নতুন পণ্য বাজারে আনবে শাওমি ও স্যামসাংয়ের মতো কোম্পানি। এতে দ্বিতীয়ার্ধে স্মার্টফোনসহ ওয়্যারেবল ডিভাইস নিয়ে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্রতর হবে।
তাইওয়ান ইকোনমিক ডেইলির বরাতে জানা গেছে, ওয়্যারেবল ডিভাইসের বাজার বিস্তৃত হচ্ছে এবং প্রধান ব্র্যান্ডগুলো সহজেই হাল ছেড়ে দেয়ার পাত্র নয়। ধারণা করা হচ্ছে, অ্যাপল, স্যামসাং, শাওমি, হুয়াওয়ে ও মেটা নতুন নতুন পণ্য উন্মোচন করবে। প্রত্যেক কোম্পানিই তাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং বিভিন্ন নতুন বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছে।
ইন্টারন্যাশনাল ডাটা করপোরেশনের (আইডিসি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালে ৫৩ কোটি ওয়্যারেবল ডিভাইস বিক্রি হয়েছে, আগের বছরের তুলনায় যা বেড়েছে ২০ শতাংশ। বেশির ভাগ আইটেমের মধ্যে রয়েছে রিস্টব্যান্ড ও স্মার্টওয়াচ। স্মার্টওয়াচের ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে বেশ এগিয়ে রয়েছে অ্যাপল। গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে অ্যাপল ওয়াচের বাজার হিস্যা ছিল ৩৫ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাওমির বাজার হিস্যা ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক প্রযুক্তি জায়ান্ট স্যামসাংয়ের বাজার হিস্যা ছিল ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। এছাড়া চীনা প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ের বাজার হিস্যা ছিল ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।
শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রথমার্ধে নতুন ওয়্যারেবল ডিভাইস উন্মোচন তুলনামূলক কম হওয়ায় স্পষ্টত দ্বিতীয়ার্ধে বেশির ভাগ কোম্পানিই তাদের পণ্য উন্মোচন করতে পারে। তবে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বহাল থাকলে সার্বিক অর্থনীতিতেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
আইডিসির পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত বছর বিশ্বব্যাপী ১ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার এআর/ভিআর হেডসেট বিক্রি হয়েছে, আগের বছরের তুলনায় যা বেড়েছে ৯২ দশমিক ১ শতাংশ। মেটার ভিআর হেডসেট বিক্রি প্রথমবারের মতো এক কোটি ইউনিউটের সীমা অতিক্রম করেছে। চলতি বছর ভিআর যন্ত্রাংশ বিক্রি ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ইউনিটে দাঁড়াতে পারে। অকিউলাসের ওপর ভর করে শীর্ষ ভিআর যন্ত্রাংশ নির্মাতা কোম্পানি মেটার বাজার হিস্যা ছিল ৮০ শতাংশ। প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলো মেটা থেকে বেশ পিছিয়ে থাকলেও সামনের বছরগুলোয় ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
ভিআর শিল্পের জন্য ২০২৩ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাল হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে। অগমেন্টেড রিয়ালিটি বা এআর হেডসেট নিয়ে আসতে যাচ্ছে মেটা, পিকো ও সনির মতো কোম্পানি। আগামী বছর নিজেদের প্রথম হেডসেট আনতে যাচ্ছে অ্যাপল। সেদিকে দৃষ্টি রয়েছে প্রযুক্তিসংশ্লিষ্টদের। অন্য সব পণ্যের মতো অ্যাপল চাইবে এ সেগমেন্টেও শক্তিশালী অবস্থান থাক তাদের। মেটা ও সনি বাজার বিস্তৃত করবে এবং অ্যাপল সেখানে নিরাপদেই প্রবেশ করতে পারবে।
অ্যাপলের নতুন এআর ও ভিআর হেডসেট কবে নাগাদ বাজারে উন্মুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে কেউ কেউ বলছেন, চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে ডিভাইসটি বাজারে আনা হতে পারে। অ্যাপলের পাশাপাশি স্যামসাংও তাদের প্রথম এআর হেডসেট তৈরিতে কাজ করছে বলে জানা গেছে। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে, যারা পরবর্তী প্রজন্মের এআর হেডসেট তৈরিতে মাইক্রোসফটের সঙ্গে কাজ করবে।
স্যামসাংয়ের অগমেন্টেড রিয়ালিটি হেডসেটে হলোগ্রাম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে এবং স্যামসাং অ্যাডভান্সড ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে দীর্ঘ সময় ধরে এর উন্নয়ন করা হয়েছে। হেডসেটটিতে এক্সিনোজ প্রসেসর ও গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হবে বলে জানায় সূত্রগুলো। অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের মতো বৈশ্বিক কোম্পানি এবং চীনের বাইটড্যান্স এআর ও ভিআর খাতে ভালোভাবে প্রবেশ করলে এ খাতে মেটার একাধিপত্য টেকসই হবে না, এটা বলা যায় নির্দ্বিধায়। আইডিসির পূর্বাভাস, কয়েক বছরের মধ্যেই মেটাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে এ কোম্পানিগুলো।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

হোয়াটসঅ্যাপে সিক্রেট মেসেজ বfর করা যাবে

বার্তাকক্ষ বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। ঘরে বাইরে সব জায়গায় ব্যবহার করছেন সবাই।...

ভিয়েতনামে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে এলজি ও স্যামসাং

বার্তাকক্ষ ভিয়েতনামে আরো শতকোটি ডলার অতিরিক্ত বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে এলজি ও স্যামসাং। মঙ্গলবার ভিয়েতনাম...

ভারতে আইপ্যাড উৎপাদনের পরিকল্পনা অ্যাপলের

বার্তাকক্ষ গত অক্টোবরে চীনের শীর্ষ মেমোরি চিপ নির্মাতা ইয়াংটজি মেমোরি টেকনোলজিস কোম্পানিসহ (ওয়াইএমটিসি) ৩০টি...