Friday, December 9, 2022
হোম আইটিযুক্তরাষ্ট্রে এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল অ্যাপ ফেসবুক

যুক্তরাষ্ট্রে এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল অ্যাপ ফেসবুক

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

ঢাবিতে বিশ্বকাপ খেলা দেখানো ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত

বার্তাকক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়(ঢাবি) ক্যাম্পাসের তিনটি স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখানো স্থগিত করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান...

শুরু থেকেই মাঠে নামতে পারেন ডি মারিয়া, বাদ পড়বেন কে?

বার্তাকক্ষ কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর আর্জেন্টিনা শিবিরে গেলে সংবাদমাধ্যমের এখন একটাই জিজ্ঞাসা, স্কালোনি কি নেদারল্যান্ডসের...

ব্রাজিলে এখন একটাই চাওয়া, ‘হেক্সা বিশ্বকাপ’

বার্তাকক্ষ ব্রাজিল ফুটবল দলে পুরোনো ছন্দ কিছুটা হলেও ফিরে এসেছে। কিন্তু সেটি কি বিশ্বকাপ...

ত্রিমাত্রিক অ্যাভাটার তৈরির সুবিধা এবার হোয়াটসঅ্যাপে

বার্তাকক্ষ কেউ যদি মনে করে মার্ক জাকারবার্গ ফেসবুকের নাম পরিবর্তন করে মেটা রেখেছেন, কিন্তু...

বার্তাকক্ষ
যুক্তরাষ্ট্রে একদল ব্যবহারকারীর ওপর পরিচালিত স্ট্যাটিস্টার সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৫০ শতাংশ ফেসবুক ব্যবহার করছে। ফটো ও ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে ২০ শতাংশ ব্যবহারকারী। বাইটড্যান্স মালিকানাধীন টিকটক ব্যবহার করে ১৩ শতাংশ। এছাড়া টুইটার ও স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করে যথাক্রমে ১১ দশমিক ৫ ও ৫ দশমিক ৭ শতাংশ মার্কিন। প্রায় ৩০০ কোটি ব্যবহারকারী নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লাটফর্ম হিসেবে নিজের অবস্থান অক্ষুণ্ন রেখেছে ফেসবুক। খবর স্ল্যাশগিয়ার।
স্ট্যাটিস্টার জরিপে দেখা গেছে, ফেসবুক ব্যবহার করছে ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ। শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ন থাকলেও দীর্ঘদিন তা নিরাপদ নয় বলে মনে করছে টেকক্রাঞ্চ। চলতি বছরের শুরুতে এক প্রতিবেদনে তারা জানায়, নতুন সাবস্ক্রাইবার আকৃষ্ট করতে হিমশিম খাচ্ছে সোশ্যাল জায়ান্টটি। এছাড়া টিকটকের মতো নতুন বেশ কয়েকটি প্লাটফর্মের কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে ফেসবুক।
স্ট্যাটিস্টার জরিপে আরো দেখা গেছে, ফেসবুক ব্যবহারকারীর মধ্যে ৫৪ শতাংশ নারী ও ৪৬ শতাংশ পুরুষ। মিলেনিয়াল হিসেবে পরিচিত ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের কাছে জনপ্রিয় ফেসবুক। মিলেনিয়ালদের কাছে ফেসবুকের জনপ্রিয়তার কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ফোর্বস জানায়, এ প্রজন্ম জেনারেশন জির (বিশের কোটায় থাকা) মতো কনটেন্ট ক্রিয়েটর নয়, বরং কনটেন্টের ভোক্তা। এ কারণে তারা ফেসবুককে পছন্দ করে। অন্যদিকে ৮ থেকে ২৩ বছর বয়সী অংশটা ততটা ফেসবুক ব্যবহার করে বড় হয়নি। এ কারণে তাদের কাছে টিকটকের মতো প্লাটফর্ম বেশ জনপ্রিয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, টুইটার ও স্ন্যাপচ্যাট মিলে বিজ্ঞাপনে যে আয় করছে, চলতি বছর সে অংক ছাড়িয়ে যাচ্ছে টিকটক। দুই বছরের মধ্যে বিজ্ঞাপন থেকে আয়ে গুগলের শক্তিশালী প্লাটফর্ম ইউটিউবকে ছাড়িয়ে যাবে। বিজ্ঞাপন থেকে আয়ে ২০২৪ সালে ইউটিউবকে ছুঁয়ে ফেলবে টিকটক। ইউটিউবের চেয়ে ১২ বছর পর উন্মোচন হলেও ওই বছরে বাইটড্যান্স মালিকানাধীন কোম্পানিটির বিজ্ঞাপন আয় দাঁড়াবে ২ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার।
গত বছর বৈশ্বিক বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের দিক থেকে স্ন্যাপচ্যাটকে ছাড়িয়ে গেছে টিকটক। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিশের নিচে থাকা তরুণ-তরুণীদের প্রিয় প্লাটফর্ম হিসেবে দাঁড়িয়েছিল স্ন্যাপচ্যাট। কিন্তু টিকটকের আগ্রাসী সম্প্রসারণের তুলনায় অনেক পিছিয়ে গেছে মার্কিন অ্যাপটি। চলতি বছর আয়ের দিক থেকে জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে টিকটক। সাম্প্রতিক এক পূর্বাভাসে বলা হয়, ২০২২ সালে টিকটকের বৈশ্বিক বিজ্ঞাপন আয় তিন গুণ বেড়ে ১ হাজার ১৬০ কোটি ডলারে দাঁড়াচ্ছে। বিপরীতে টুইটার ও স্ন্যাপচ্যাটের সম্মিলিত আয় হতে পারে ১ হাজার ৪৪ কোটি ডলার।
বিজ্ঞাপন ব্যয়ের পূর্বাভাস দানকারী সংস্থা ইনসাইডার ইন্টেলিজেন্সের মুখ্য বিশ্লেষক ডেবরা আহো উইলিয়ামসন বলেন, গত কয়েক বছরে টিকটকের গ্রাহক ভিত্তি বেড়েছে। অ্যাপটিতে ব্যবহারকারীদের সময় ব্যয় লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। স্রেফ অন্যের গানে ঠোঁট মেলানো ও নাচের অ্যাপ থেকে বেরিয়ে এসেছে টিকটক। এর ট্রেন্ড সৃষ্টির ক্ষমতা রয়েছে এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করছে। ফলে ব্যবহারকারীরা বারবার অ্যাপটিতে ফিরে আসে।
বৈশ্বিকভাবে উন্মোচন হওয়ার চার বছরের মধ্যে ২০২১ সালে ১০০ কোটি ব্যবহারকারী সীমা অতিক্রম করে টিকটক। ফেসবুক, ইউটিউব কিংবা ইনস্টাগ্রামের চেয়ে অর্ধেক কম সময় নিয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের নেয়া সময়ের চেয়ে তিন বছর আগে এ লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছেছে টিকটক।
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে ‘সুইট স্পট’ হিসেবে পরিচিত অংশের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় টিকটক। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী এ অংশের কাছে সাম্প্রতিক দিনগুলোয় জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে ফেসবুকের মতো সোশ্যাল জায়ান্ট। ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে ওই শ্রেণীকে আকৃষ্টের যাবতীয় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মেটা। ব্যবহারকারী বৃদ্ধির পাশাপাশি টিকটকে সময় ব্যয় বেড়েছে। গত বছর সাধারণ একজন ব্যবহারকারী টিকটকে গড়ে ১৯ দশমিক ৬ ঘণ্টা সময় ব্যয় করেছে, ২০১৮ সালের ৪ দশমিক ২ ঘণ্টা সময় ব্যয় থেকে যা পাঁচ গুণ বেশি।
ইনসাইডার ইন্টেলিজেন্সের পূর্বাভাস বলছে, ২০২৪ সালে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের বিজ্ঞাপন আয় দাঁড়াবে যথাক্রমে ৮ হাজার ৫০০ কোটি ও ৮ হাজার ২০০ কোটি ডলার। আয়ের দিক থেকে নিরাপদ থাকলেও অল্প বয়সীদের কাছে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে মেটা। অন্যান্য অ্যাপের জনপ্রিয় পরিষেবা নকলে ওস্তাদ মেটা টিকটকের বেশকিছু ফিচার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে চালু করেছে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

ত্রিমাত্রিক অ্যাভাটার তৈরির সুবিধা এবার হোয়াটসঅ্যাপে

বার্তাকক্ষ কেউ যদি মনে করে মার্ক জাকারবার্গ ফেসবুকের নাম পরিবর্তন করে মেটা রেখেছেন, কিন্তু...

নিউজ কনটেন্ট সরিয়ে দেয়ার হুমকি মেটার

বার্তাকক্ষ যুক্তরাষ্ট্রে প্লাটফর্ম থেকে সংবাদভিত্তিক সব ধরনের কনটেন্ট সরিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে মেটা। দেশটির...

ওয়াই সিরিজে ভিভোর নতুন স্মার্টফোন

বার্তাকক্ষ ওয়াই সিরিজে তরুণদের জন্য নতুন স্মার্টফোন নিয়ে এসেছে ভিভো। সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন ফিচারসহ...