Tuesday, September 27, 2022
হোম আজকের পত্রিকাঅভয়নগরে মাদ্রাসা সুপারের রোষানলে শিক্ষক

অভয়নগরে মাদ্রাসা সুপারের রোষানলে শিক্ষক

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিদ্যুৎ বিলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ইনভয়েস কর চালান হিসেবে গণ্য হবে

বার্তাকক্ষ ভ্যাটের চালান ব্যবহারে উৎসাহ দিলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন থেকে গ্রাহকের পরিশোধিত বিদ্যুৎ...

রিসাইক্লিং প্রকল্পে সহায়তা করছে কোকা-কোলা ফাউন্ডেশন

বার্তাকক্ষ ঢাকা শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে নানা উদ্যোগ হাতে নিয়েছে ‘দ্য কোকা-কোলা ফাউন্ডেশন’। এই...

সি পার্লের শেয়ারের দাম বাড়ছেই, কাজ হচ্ছে না সতর্কবার্তায়ও

বার্তাকক্ষ সার্বিক শেয়ারবাজারে মন্দাভাব বিরাজ করছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক হারে...

অনলাইনে ‘ইলিশ’ বিক্রি করে হান্নানের বাজিমাত!

বার্তাকক্ষ ফেনী: মো. আবদুল হান্নান ওরফে এমএ হান্নান। একজন আপাদমস্তক স্বেচ্ছাসেবক।বিপদকালে মানুষকে রক্ত দিয়ে সহায়তা...

নিজস্ব প্রতিবেদক, অভয়নগর

অভয়নগর উপজেলার নাউলি গোপীনাথপুর মিলনী দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুর রশিদের রোষানলে পড়েছেন মাদ্রাসাটির শিক্ষক তহমিনা খাতুন। মাদ্রাসার ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের অভিযোগ এনে ঈদের একদিন আগে অবকাশকালীন সময়ে ওই শিক্ষককে শোকজ নোটিশ দিয়েছেন সুপার। কিন্তু ঈদের পর মাদ্রাসা খুললে তহমিনা খাতুন শোকজ নোটিশের লিখিত জবাব দিলেও সুপার সেটি গ্রহণ করতে অপারগতা জানিয়েছেন বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন। ফলে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন ভুক্তভোগী তহমিনা খাতুন।
তহমিনার অভিযোগ, মাদ্রাসার বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তাকে কৌশলে টিআর থেকে বাদ দিতে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তিনি এ ঘটনায় সুপারের পরামর্শে অভয়নগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। কিন্তু তার আবেদন মঞ্জুর করা হয়নি। পরবর্তীতে তিনি আবারো সুপার আব্দুর রশিদের পরামর্শে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আদালতে মামলা করেন ও কমিটির ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বাদির অনুপস্থিতিতে গোপনে কমিটি গঠন করে তা অনুমোদন করা হয়। মামলা করায় মাদ্রাসার সুনাম নষ্ট হচ্ছে এমন কথা বলে সুপার ঈদ-উল-আযহার ছুটির মধ্যে কর্মদিবস উল্লেখ করে কারণ দর্শনার নোটিশ দেন।
অভিযোগ রয়েছে, ইতিপূর্বে মাদ্রাসাটিতে কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস সহায়ক পদে একজন কর্মরত থাকাকালীন সুপার আব্দুর রশীদ শূন্য পদ দেখিয়ে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। সেই মেতাবেক নিয়োগ বোর্ড গঠন করে নিয়োগ প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়। ওই ঘটনায় আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। এমনও অভিযোগ রয়েছে, তিনি এ সময় চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে পৌনে সাত লাখ টাকা নেন। যার খবর পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতর হয়ে থানা পর্যন্ত গড়ায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সুপারের পক্ষে ওই এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যে কারণে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি মামলা তুলে নিতে তহমিনার ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে।
নাউলি গোপীনাথপুর মিলনী দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুর রশীদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি নিজেই নানামুখি হুমকি ধামকির মধ্যে রয়েছি। শোকজের জবাব গ্রহণ করা নিয়ে তিনি বলেন, চার কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু প্রথম কর্মদিবসেই জবাব দেয়ায় তা গ্রহণ করা হয়নি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে কথা বলে তিনি শোকজের জবাব গ্রহন করবেন।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু

হুমায়ুন কবির, কালীগঞ্জ : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা ইউনিয়নে সাপের কামড়ে সুব্রত কুমার (২১) নামে...

অভয়নগরে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি আরো ৪৩টি চুল্লি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক, অভয়নগর : অভয়নগরে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি ও পরিবেশ দূষণ করায় আরো ৪৩টি...

খানা-খন্দে ভরা যশোর-খুলনা মহাসড়কে রক্তের দাগ শুকাচ্ছেনা হারুন-অর-রশীদ, অভয়নগর : যশোর-খুলনা মহাসড়কের অভয়নগরের ৮ কিলোমিটার অংশের...