Friday, September 30, 2022
হোম রাজনীতিমামুনুল হকের মুক্তি, নির্বাচনে ইভিএম নয়: খেলাফত মজলিস

মামুনুল হকের মুক্তি, নির্বাচনে ইভিএম নয়: খেলাফত মজলিস

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

চাকরির নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরী করায় ৩ জন গ্রেফতার

শাহিনুর রহমান, পাটকেলঘাটা পাটকেলঘাটায় কোয়েষ্ঠ ফার্মা নামে একটি কোম্পানিতে চাকরি দেয়ার নাম করে ভুয়া কাগজপত্র...

মাত্র দু বছরে মৃত্যুর মুখে নদী : খরস্রোতা শোলমারি এখন ৩-৪ মিটারের সরু নালা

খুলনা সংবাদদাতা খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার বুক চিরে বয়ে গেছে শোলমারি নদী। এর স্রোত ও গভীরতা...

জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য দুর্নীতি দূর করতে হবে : বিভাগীয় কমিশনার

খুলনা সংবাদদাতা ‘তথ্য প্রযুক্তির যুগে জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত হোক’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯...

তালায় দুধে ভেজাল প্রতিরোধ শীর্ষক আলোচনা

শিরিনা সুলতানা, তালা : সাতক্ষীরার তালায় সামাজিক সম্প্রীতি ও দুধে ভেজাল প্রতিরোধ শীর্ষক আলোচনা সভা...

বার্তাকক্ষ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের মুক্তিতে সহায়তা চেয়ে নির্বাচনে ইভিএম নয়, সেনা চাই বলে প্রধান নির্বাচন কমিশন কাজী হাবিবুল আউয়ালের কাছে প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে বসে লিখিত বক্তব্যে এ সহায়তা কামনা করে দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমেদ।
তিনি বলেন, আমাদের সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকসহ অনেক নেতৃবৃন্দ দীর্ঘদিন কারাগারে বন্দি রয়েছে। তাই অতিদ্রুত তাদের মুক্তির জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি।
সিইসি তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেন, রাজনীতি এমনই একটা জিনিস কেউ জেলে থাকে, কেউ বাইরে। তো এটা হয়। এখানে আপনাদেরই সোচ্চার হতে হবে। আপনারা যদি মনে করেন, আপনাদের নেতাদের বেআইনিভাবে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে; তাহলে আপনাদেরই সোচ্চার হতে হবে। সরকারের কাছে আবেদন রাখতে হবে, তাদের যেন মুক্তি দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য সুযোগ দেওয়া হয়।
গত বছরের ১৮ এপ্রিল মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথমে তাকে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতের তাণ্ডবের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তার কথিত স্ত্রী জান্নাতের দায়েরকৃত বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আরও অন্তত ২০টির মত মামলা হয়েছে।
২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। তবে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক।
ইসিতে উপস্থাপিত দলটির প্রস্তাবনা ও সুপারিশগুলো হলো-
১. নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কমিশনকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
২. নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার দিন থেকে স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের বদলির ক্ষমতা ইসির হাতে রাখা এবং নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনের সাত দিন আগে থেকে নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টা পর পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েন করা।
৩. নির্বাচনে যেভাবে অর্থের প্রভাব খাটিয়ে ভোটারদের বিপথগামী ও চরিত্র নষ্ট করা হয়ে থাকে তাতে কোনও সৎ-যোগ্য লোকের নির্বাচন করা খুবই কঠিন। আর এ অপতৎপরতা বন্ধ করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। অতীতে যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়ায় উল্লেখযোগ্য কোনও সফলতা অর্জিত হয়নি। নির্বাচনে কালো টাকার প্রভাব চলছেই। এ ব্যাপারে আমাদের সুস্পষ্ট প্রস্তাব হল, নির্বাচন কমিশনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে সকল প্রার্থীর পক্ষ থেকে সার্বিক প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করা। একই পোস্টারে সকল প্রার্থীর পরিচয় ও প্রতীক এবং একই মঞ্চে সকল প্রার্থীর বক্তৃতার ব্যবস্থা করা। জামানতের সাথে এসব খরচের টাকা প্রার্থী/দল থেকে নেওয়া যেতে পারে।
৪. নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা।
৫. আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য যেকোনও প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৬. ধর্ম ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী কোনও দলকে নিবন্ধন না দেওয়া।
৭. রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্য ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক কিংবা বিরোধপূর্ণ কোনও আইন ও শর্ত আরোপ না করা।
৮. নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পূর্বে সংসদ ভেঙে দেওয়া।
৯. নির্বাচন চলাকালে সকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা নেওয়ার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
১০. নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার সকল কারাবন্দিকে মুক্তি দেওয়া। নতুন কোনও রাজনৈতিক মামলা না দেওয়া। কোনও প্রার্থী ও তার কর্মীদের অযথা হয়রানি না করা।
১১. আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ব্যালট পেপারের মাধ্যমে করা।
১২. অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা।
১৩. নিরপেক্ষভাবে ভোটের সংবাদ প্রচারে/সরাসরি সম্প্রচারে মিডিয়ার উপর কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি না করা।
১৪. প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা (সিল মারার স্থান ব্যতীত)।
১৫. প্রবাসী ভোটারদের ভোট গ্রহণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
সংলাপে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। এ ছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার, চার নির্বাচন কমিশনারসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এতে উপস্থিত ছিলেন।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

শেখ হাসিনা বিশ্বের শোষিত মানুষের নেত্রী: শেখ পরশ

বার্তাকক্ষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোষিত মানুষের নেত্রী উল্লেখ করে আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্...

আমরা যুদ্ধ করেছি বাঙালি হিসেবে: তোফায়েল আহমেদ

বার্তাকক্ষ ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আমরা হিন্দু-মুসলিম...

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূত মাথা থেকে নামান, ফখরুলকে কাদের

বার্তাকক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের চিন্তা মাথা থেকে নামিয়ে ফেলতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ...