Friday, September 30, 2022
হোম শীর্ষ তথ্য প্রযুক্তিগাড়ি উৎপাদন শিল্প অ্যাপলের নতুন সফটওয়্যার কি আশীর্বাদ হয়ে উঠবে

গাড়ি উৎপাদন শিল্প অ্যাপলের নতুন সফটওয়্যার কি আশীর্বাদ হয়ে উঠবে

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

চাকরির নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরী করায় ৩ জন গ্রেফতার

শাহিনুর রহমান, পাটকেলঘাটা পাটকেলঘাটায় কোয়েষ্ঠ ফার্মা নামে একটি কোম্পানিতে চাকরি দেয়ার নাম করে ভুয়া কাগজপত্র...

মাত্র দু বছরে মৃত্যুর মুখে নদী : খরস্রোতা শোলমারি এখন ৩-৪ মিটারের সরু নালা

খুলনা সংবাদদাতা খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার বুক চিরে বয়ে গেছে শোলমারি নদী। এর স্রোত ও গভীরতা...

জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য দুর্নীতি দূর করতে হবে : বিভাগীয় কমিশনার

খুলনা সংবাদদাতা ‘তথ্য প্রযুক্তির যুগে জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত হোক’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯...

তালায় দুধে ভেজাল প্রতিরোধ শীর্ষক আলোচনা

শিরিনা সুলতানা, তালা : সাতক্ষীরার তালায় সামাজিক সম্প্রীতি ও দুধে ভেজাল প্রতিরোধ শীর্ষক আলোচনা সভা...

বার্তাকক্ষ
প্রযুক্তিজগতে বিশেষ করে সেলফোন খাতে আইফোনের জনপ্রিয়তা শীর্ষে। এর মাধ্যমে বাজারে অবস্থানে রয়েছে অ্যাপল। আইফোনের এ জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে এবার গাড়ি উৎপাদন শিল্পে প্রবেশ করতে চাইছে প্রতিষ্ঠানটি। এর অংশ হিসেবে জুনে কারপ্লে নামে পরবর্তী প্রজন্মের সফটওয়্যার উন্মোচন করা হয়েছে। তবে এটি গাড়ি উৎপাদন শিল্পের জন্য আশীর্বাদ নাকি বিষফোঁড়া হিসেবে জায়গা করবে তা নিয়ে সন্দিহান অন্যান্য প্রতিষ্ঠান।
সিএনবিসি প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, নতুন কারপ্লে সফটওয়্যারটি গাড়ির ভেতরের সব স্ক্রিনের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম। এছাড়া এটি গ্যাস মিটার থেকে শুরু করে স্পিড ডায়ালকে ডিজিটাল ভার্সনে রূপান্তর করেছে। সেই সঙ্গে আইফোন ব্যবহারের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি কারপ্লে সফটওয়্যারটি উৎপাদনকারীদের গাড়ি বিক্রিতে সহায়তা করবে।
অ্যাপলের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পরিচালক এমিলি শুবার্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ৯৮ শতাংশ গাড়িতে প্রিবিল্ট হিসেবে কারপ্লে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করা থাকে। সেই সঙ্গে কারপ্লে সফটওয়্যার থাকলে ৭৯ শতাংশ গ্রাহক গাড়ি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নতুন ফিচারটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর সময় শুবার্ট বলেন, নতুন গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে কারপ্লে সফটওয়্যার থাকার বিষয়টি এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সফটওয়্যারটির কারণে গাড়ি উৎপাদন শিল্পসংশ্লিষ্টরা বিড়ম্বনায় রয়েছে। একদিকে কারপ্লে ইনস্টল করার মাধ্যমে কম আয়ের প্রভাব ও শিল্পে বড় ধরনের পরিবর্তনের সুযোগ। অন্যদিকে বড় বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজস্ব ইনফোটেইনমেন্ট সফটওয়্যার তৈরি করা। যেখানে অধিকাংশ গ্রাহক কারপ্লে সফটওয়্যার ছাড়া গাড়ি কিনতে নারাজ।
গাড়ি উৎপাদনকারীরা গ্রাহকদের কাছে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পরিষেবা ও ফিচার বিক্রি করে। যেগুলোর মধ্যে ইন্টারনেটে সংযোগ, স্বয়ংক্রিয় চালনা সুবিধা ছাড়াও গ্যাসের ব্যবহার থেকে বিদ্যুৎ ও ব্যাটারিতে স্থানান্তর হওয়ার বিষয় রয়েছে। ম্যাকেঞ্জির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সাল নাগাদ গাড়ির সফটওয়্যার বাজার ৯ শতাংশ বাড়বে, যা গাড়ি উৎপাদন শিল্পের তুলনায় দ্রুত। ২০৩০ সাল নাগাদ গাড়ির সফটওয়্যার বিক্রির মাধ্যমে বাজার ৫ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলেও প্রতিষ্ঠানটির গবেষকরা পূর্বাভাস দিয়েছে। আর অ্যাপল সে বাজারে প্রবেশ করতে চায়।
অ্যাপলের সফটওয়্যার ব্যবহার না করেও জেনারেল মোটরস ইন কার সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে প্রতি বছর ২০০ কোটি ডলার মুনাফা অর্জন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০৩০ সাল নাগাদ এটি ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে।
শুবার্ট জানান, বিশ্বের বিভিন্ন গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কারপ্লের নতুন ভার্সন ব্যবহারের বিষয়ে উৎসাহী। বাজার বিশ্লেষক ও গবেষকরা জানান, উৎপাদকদের নতুন সফটওয়্যার পরিষেবা সাদরে গ্রহণ করা উচিত। তা না হলে পেছনে পড়ে থাকতে হবে। অটোফোরকাস্ট সলিউশনসের সিনিয়র গবেষক কনরাড লেসন বলেন, গাড়ি উৎপাদন শিল্পের জন্য বর্তমান সময় খুবই জটিল। প্রতিষ্ঠানগুলো এখন গাড়ি উৎপাদন করছে মনে করলেও এখন চাকার ওপর সফটওয়্যারই বসানো হচ্ছে।
কারপ্লের নতুন ভার্সনের মাধ্যমে অ্যাপল বড় মুনাফা অর্জন করতে পারবে। প্রথমত, যদি কোনো ব্যবহারকারী আইফোনের কারপ্লে ইন্টারফেস পছন্দ করে, তাহলে তারা সহজে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে স্থানান্তরিত হবে না। এটি অ্যাপলের অন্যতম কৌশল। দ্বিতীয়ত, অ্যাপল এখনো গাড়ি উৎপাদনকারী ও সরবরাহকারীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ নিচ্ছে না।
অ্যাপল জানায়, হোন্ডা, নিশান ও রেনাল্টের মতো উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নতুন ভার্সনের সফটওয়্যার ব্যবহারের জন্য উদগ্রীব। তবে সব প্রতিষ্ঠানই আগ্রহী নয়। ল্যান্ড রোভার তাদের গাড়িতে নতুন সফটওয়্যারের ব্যবহার নিয়ে অ্যাপলের সঙ্গে কাজ করছে। ল্যান্ড রোভার ও জাগুয়ারের মুখপাত্র জানান, ভবিষ্যতের পণ্যের বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না। মার্সিডিজ বেঞ্জ কারপ্লে ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা চলমান বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

ফোন থেকে এই অ্যাপগুলো ডিলিট করুন এখনই, না হলে বিপদ

বার্তাকক্ষ সম্প্রতি একটি সুরক্ষা সংস্থা ভয়ংকর তথ্য সামনে এনেছে। এতে বলা হয়েছে, অ্যাপ স্টোর ও...

এক চার্জে ৩০ দিন চলবে স্মার্টওয়াচ

বার্তাকক্ষ ভারতের বাজারে আসছে ওয়ানপ্লাসের নর্ড ওয়াচ। এই প্রথম নর্ড সিরিজের স্মার্টওয়াচ আসছে ভারতের বাজারে।...

ফেসবুকে যেসব কাজ করলে বিপদে পড়বেন

বার্তাকক্ষ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক। মেটার মালিকানাধীন সাইটটি ব্যবহারকারীদের নানান সুবিধা...