Friday, December 9, 2022
হোম শিক্ষা‘২০৩০ সালের মধ্যে দেশে নিরক্ষর মানুষ থাকবে না’

‘২০৩০ সালের মধ্যে দেশে নিরক্ষর মানুষ থাকবে না’

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

সমাবেশ ঘিরে ঢাকায় ৭ লাখ মানুষ এসেছে কি না খোঁজ চলছে: ডিবি

বার্তাকক্ষ বিএনপিকে রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর...

মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে কৃষিমন্ত্রী এ ধরনের বিবৃতি ভবিষ্যতে আর দেবেন না

বার্তাকক্ষ গত ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবৃতি দেওয়ায় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে...

ঢাবিতে বিশ্বকাপ খেলা দেখানো ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত

বার্তাকক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়(ঢাবি) ক্যাম্পাসের তিনটি স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখানো স্থগিত করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান...

শুরু থেকেই মাঠে নামতে পারেন ডি মারিয়া, বাদ পড়বেন কে?

বার্তাকক্ষ কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর আর্জেন্টিনা শিবিরে গেলে সংবাদমাধ্যমের এখন একটাই জিজ্ঞাসা, স্কালোনি কি নেদারল্যান্ডসের...

বার্তাকক্ষ
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে নিরক্ষর মানুষ থাকবে না। এজন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশে নিরক্ষর মানুষ রাখা হবে না। সাক্ষরতার কোনো বিকল্প নেই। আগামীকাল আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বুধবার (০৭ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এমন ঘোষণা দেন। জাকির হোসেন বলেন, বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশ। এখানো ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ সাক্ষরতার বাইরে। তাদের সাক্ষরতার আওতায় আনতে নানা ধরনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হচ্ছে। দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সারাদেশে একযোগে তা পালন করা হবে। ‘গত কয়েক বছরে দেশের ৬৪ জেলার নির্বাচিত ২৪৮টি উপজেলার ১৫ থেকে ৪৫ বয়সী ৪৪ লাখ ৬০ হাজার নিরক্ষরকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে মৌলিক সাক্ষরতা জ্ঞান দেওয়া হয়েছে। গত ৩০ জুলাই এ কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এর বাইরে পিইডিবি-৪ প্রকল্পের আওতায় স্কুল থেকে ঝরে পড়া ও স্কুলে যায়নি এমন ৬ লাখ শিক্ষার্থীদের মৌখিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এরপর তাদের হাতে কলমে কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দেশে এখানো সাক্ষরতার কোনো রূপরেখা তৈরি করা হয়নি। কতটুক শিখলে সাক্ষরতা জ্ঞান অর্জন হবে তার একটি রূপরেখা করা হবে। দেশে চার কোটি মানুষের বেশি যারা এখানো সাক্ষরতার বাইরে রয়েছে। তাদের এর আওতায় আনা হবে। ‘চলতি বছর প্রথম শ্রেণির পাইলটিং করার সিদ্ধান্ত থাকলেও সেটি সম্ভব হয়নি। আমাদের নতুন কারিকুলামের পাঠ্যবই তৈরি হলেও শিক্ষক গাইড এখানো তৈরি করা হয়নি বলে সেটি পাইলটিং করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষকরা কী পড়াবেন সেটি যদি সুনির্দিষ্ট না থকে তবে পাইলটিং কাজে সফলতা আসবে না।’ তিনি বলেন, আগামী বছর (২০২৩ সাল) থেকে পাইলটিং হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম পড়ানো হবে। ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

ঢাবিতে বিশ্বকাপ খেলা দেখানো ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত

বার্তাকক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়(ঢাবি) ক্যাম্পাসের তিনটি স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখানো স্থগিত করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান...

মানবাধিকার কমিশনের অবৈতনিক সদস্য হলেন অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ

বার্তাকক্ষ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অবৈতনিক সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য...

একাদশে ভর্তি: ঘণ্টায় ২০ হাজার আবেদন

বার্তাকক্ষ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন কার্যক্রম বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) শুরু হয়েছে। প্রথমদিন সাড়ে ৯...