Saturday, December 3, 2022
হোম শিক্ষা৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩২ কোটি টাকার অনিয়ম

৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩২ কোটি টাকার অনিয়ম

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে বাতিল ১৭ গোল

বার্তাকক্ষ: কাতারে ফুটবল বিশ্বমঞ্চে গ্রুপ পর্বের সবগুলো ম্যাচ শেষ হয়েছে। গ্রুপ পর্বে ৪৮ ম্যাচে বাতিল...

ডি মারিয়া কি খেলতে পারবেন? যা জানালেন কোচ

বার্তাকক্ষ: অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া কি ফিট আছেন? অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজ (শনিবার) শেষ ষোলোর লড়াইয়ে তিনি...

আর্জেন্টিনাকে হারানোর ৩২ বছর পর ক্যামেরুনের ব্রাজিলবধ

বার্তাকক্ষ: এ নিয়ে অষ্টমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলেছে ক্যামেরুন। বিশ্বকাপে তাদের সেরা সাফল্য কোয়ার্টার ফাইনাল। ১৯৯০...

বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে খেলা হচ্ছে না সামির

বার্তাকক্ষ: বাংলাদেশের মতো চোট হানা দিয়েছে ভারতীয় দলেও। লাল-সবুজদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন...

বার্তাকক্ষ
দেশের অর্ধশত সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩২ কোটি টাকার নানা অনিয়ম চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩টি সরকারি কলেজ ও ৭টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। অনিয়ম চিহ্নিত খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সেমিনার ফির নামে অর্থ আদায় করা হয়। সেই অর্থের ন্যূনতম ২০ শতাংশ দিয়ে সেমিনারের জন্য বই, জার্নাল ও পত্রিকা কেনার কথা থাকলেও তা কেনা হয়নি। সাময়িকী প্রকাশের জন্য শিক্ষার্থীরা ফি দিলেও তা করা হয়নি। বিভিন্ন পরীক্ষায় শিক্ষকদের যে পরিমাণ সম্মানি পাওয়ার কথা, তারা উত্তোলন করেছেন তার চেয়ে বেশি। অনিয়ম করে আদায় করা এসব অর্থ ৪৫টি খাতে ব্যয় করা হয়েছে।২০২০-২১ অর্থবছরে এসব অনিয়ম হয়েছে বলে সরকারের শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষা পরিদর্শন প্রতিবেদনে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ এপ্রিল এ নিরীক্ষার কাজ করা হয়। স্কুল-কলেজের কাছে বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত ৫০ স্কুল ও কলেজ
অনিয়মের অভিযোগ ওঠা ৪৩টি সরকারি কলেজের তালিকায় চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, বান্দরবান সরকারি কলেজ, মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজ, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ, সিলেটের সরকারি এম সি কলেজ, সন্দ্বীপের সরকারি হাজী এ বি কলেজ, টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজ, ময়মনসিংহের সরকারি আনন্দ মোহন কলেজ, মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকার আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, লালবাগ সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, তিতুমীর কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি সংগীত কলেজ, হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সরকারি কলেজের নাম রয়েছে। এ তালিকায় আরও নাম রয়েছে পঞ্চগড়ের মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ, নাটোরের নবাব সিরাজ-উদ-দোলা সরকারি কলেজ, জয়পুরহাট সরকারি কলেজ, ঝালকাঠি সরকারি কলেজ, মাগুরার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঝিনাইদহের সরকারি কে সি কলেজ, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, নওগাঁর সাপাহার সরকারি কলেজ, ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, নওগাঁ সরকারি কলেজ, মানিকগঞ্জের সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ, কক্সবাজার সরকারি কলেজ, শেরপুর সরকারি কলেজ, মুন্সিগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজ, দিনাজপুর সরকারি কলেজ, বগুড়া সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি আজিজুল হক কলেজ, যশোরের সরকারি এম এম কলেজ, যশোর সরকারি কলেজ, কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজ এবং রাজশাহীর শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান সরকারি ডিগ্রি কলেজের। অভিযোগ ওঠা সাতটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হলো— সরকারি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা বিদ্যালয়, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পঞ্চগড়ের সরকারি বি পি উচ্চবিদ্যালয়, ঝালকাঠি বালক উচ্চবিদ্যালয়, ধানমন্ডি গভ. বয়েজ হাইস্কুল, পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল।
কোন খাতে কত টাকা অনিয়ম
নিরীক্ষা পরিদর্শন প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে টেন্ডার রেসপনসিভ না হওয়া সত্ত্বেও ‘কোটেশনের’ মাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা, যা মূলত অনিয়ম। শিক্ষক-কর্মচারীদের দেওয়া সম্মানী ও বিভিন্ন বিল থেকে আয়কর কেটে না রাখায় সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা। বিল থেকে মূল্য সংযোজন কর কেটে না রাখায় অনিয়ম হয়েছে ৩৭ লাখ টাকার বেশি। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা টিউশন ফি, ভর্তি ফিসহ কয়েক ধরনের ফি আদায় করলেও সরকারি কোষাগারে ৩৮ লাখ টাকা জমা করা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রাপ্য না হয়েও ঢাকার বাইরে সংযুক্ত শিক্ষকদের অনেকে বিধিবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত হারে বাড়িভাড়া নিয়েছেন। এতে সরকারের ক্ষতি হয়েছে ৯২ লাখ টাকার বেশি টাকা। বিভিন্ন কাজে শিক্ষক-কর্মচারীদের অগ্রিম বাবদ টাকা দেওয়া হলেও তা সমন্বয় না করে অনিয়ম করা হয়েছে প্রায় ৬৯ লাখ টাকা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছাত্রীদের উপবৃত্তির অবিলিকৃত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না করায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় পৌনে ৪৭ লাখ টাকা। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা প্রায় ৯১ লাখ টাকা এক খাত থেকে আরেক খাতে স্থানান্তর করা হয়েছে। এভাবে ৫৪টি খাতে ৩১ কোটি ৯১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫৪ টাকার অনিয়ম চিহ্নিত হয়েছে। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, অডিট আপত্তি উঠলে নিয়মানুযায়ী তা নিষ্পত্তির জন্য জবাব চাওয়া হয়। এ নিয়ম মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পদ সংখ্যা বাড়ছে

বার্তাকক্ষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে পদ সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও...

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নভেম্বর মাসের বেতন ছাড়

বার্তাকক্ষ এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের নভেম্বর মাসের বেতন ছাড়া দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) মাধ্যমিক...

মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা দিয়ে চলবে না: শিক্ষামন্ত্রী

বার্তাকক্ষ স্টেট ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিস্টেট ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে প্রধান...