Tuesday, September 27, 2022
হোম আইটিআইফোন ১৪-তে সয়লাব দেশের ‘গ্রে মার্কেট’

আইফোন ১৪-তে সয়লাব দেশের ‘গ্রে মার্কেট’

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

শিক্ষার্থীদের পার্টটাইম চাকরির সুযোগ দেবে জবি

বার্তাকক্ষ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি): শিক্ষার্থীদের পার্টটাইম চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি)...

শ্রমিকদের নিরাপত্তা ছাড়াই শাবিপ্রবিতে চলছে নির্মাণ কাজ!

বার্তাকক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) চলছে কয়েকটি বহুতল ভবনের নির্মাণের কাজ। এসব ভবনে কাজ করছেন শতাধিক নির্মাণ...

নতুন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে নীতিমালা করছে ইউজিসি

বার্তাকক্ষ দেশে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পর শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে নীতিমালা করছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়...

সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে প্রাথমিক শিক্ষকদের যা অনুসরণ করতে হবে

বার্তাকক্ষ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’ অনুসরণের জন্য...

বার্তাকক্ষ
আইফোন-১৪ সিরিজের ফোন বিশ্ববাজারে বিক্রি শুরু হয় গত ১৬ সেপ্টেম্বর। তবে এই মডেলের ফোন সেট বাংলাদেশে বিক্রির অনুমতি এখনও দেয়নি টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। অনুমোদন সাপেক্ষে চলতি মাসের শেষ অথবা অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে আইফোন-১৪ দেশের বাজারে অবমুক্ত হতে পারে বলে জানা গেছে। অনুমতি না থাকায় এখন পর্যন্ত বৈধভাবে দেশে এই ফোন সেট বিক্রি করা যাচ্ছে না। তাতে কী! এরইমধ্যে দেশের গ্রে মার্কেট বা অবৈধ বাজারে দেদার বিক্রি হচ্ছে আইফোনের সর্বশেষ এই মডেলটি।
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি ও যমুনা ফিউচার পার্কের বিভিন্ন মোবাইল শপে পাওয়া যাচ্ছে আইফোন-১৪। সংশ্লিষ্টরা জানান, বিভিন্নভাবে দেশে ঢুকছে এই ফোন। হাতে হাতে, লাগেজ হয়ে অথবা বিমানবন্দরে শুল্ক বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে আসছে এসব আইফোন। অবৈধভাবে দেশের বাজারে ঢুকে পড়ায় সরকার প্রতিটি মোবাইল ফোনসেট থেকে রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। দেশে স্মার্টফোন আমদানিতে ৫৭ শতাংশ এবং ফিচার্ড ফোনে ৩২ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। অবৈধ পথে দেশে মোবাইল ফোন এলে সরকার কোনও ট্যাক্স পায় না। আর অন্যদিকে গ্রাহকরাও পান ‘নন চ্যানেল প্রোডাক্ট’। এর ফলে তাদের ওয়ারেন্টি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়াসহ বিভিন্ন আইনগত ঝামেলা হতে পারে।
প্রসঙ্গত, বিদ্যমান ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে শুল্কবিহীন সর্বোচ্চ দুটি এবং শুল্ক পরিশোধ সাপেক্ষে আরও ছয়টি মোবাইল ফোন সেট আনতে পারবেন।
দেশে গ্রে মার্কেটে আইফোন প্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিআরসির উপ-পরিচালক (মিডিয়া উইং) জাকির হোসেন খাঁন বলেন, ‘অবৈধ মোবাইল সেটের বিরুদ্ধে বিটিআরসির অভিযান চলমান রয়েছে। দেশের গ্রে মার্কেটে আইফোন-১৪ পাওয়া যাচ্ছে, এমনটা আমাদের জানা নেই। দেশের বাজারে আসার জন্য আইফোন-১৪ সিরিজের সেট এখনও অনুমোদন পায়নি। অবৈধ সেট গ্রে মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছে— গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে এবং আমাদের কাছে এ ধরনের কোনও তথ্য এলে, তা যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে কমিশন অভিযান কার্যক্রম পরিচালনা করবে।’
দেশে অ্যাপল পণ্যের অনুমোদিত রিসেলার রয়েছে একাধিক। প্রতিষ্ঠানগুলোর সূত্রে জানা গেছে, বিটিআরসির অনুমোদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে চলতি মাসের শেষ দিকে, অথবা আগামী মাসের শুরুর দিকে দেশের বাজারে আসতে পারে (বৈধ চ্যানেলে) আইফোন-১৪। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, দেশে বিক্রি হওয়া আইফোনের মোট ৯৫ শতাংশের বেশি গ্রে মার্কেটে বিক্রি হয়। মাত্র প্রায় ৫ শতাংশ ফোন বিক্রি হয় বৈধ চ্যানেলে।
কয়েক দিন ধরে ফেসবুকে মোবাইল বিক্রির বিভিন্ন পেজ থেকে আইফোন-১৪-এর বিষয়ে ব্যাপক প্রচার চালাতে দেখা গেছে। অনেকে আইফোনের অরিজিনাল প্যাকেট দেখিয়ে, ফোনের ছবি দিয়ে পোস্ট দিচ্ছে। অগ্রিম বুকিং নেওয়া, সঙ্গে সঙ্গে ডেলিভারি দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এসব ফেসবুক পোস্টের সূত্র ধরে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটিতে সরেজমিন গিয়ে সন্ধান মেলে বেশ কয়েকটি মোবাইল শপের, যেখানে পাওয়া যাচ্ছে আইফোন-১৪-এর বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট সেট।
ক্রেতা সেজে খোঁজ করা হলে অ্যাপল গেজেটস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা জানান, বসুন্ধরা ও যমুনা ফিউচার পার্কে তাদের শোরুম রয়েছে। শোরুমগুলোতে গেলেই মিলবে আইফোন-১৪। তারা জানায়, যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই ও হংকং ভ্যারিয়েন্টের ফোন আছে তাদের শপে। ফোনগুলোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা জানান, এগুলো আনঅফিসিয়াল সেট।
ফেসবুকে আইফোন-১৪ বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে পোস্টফেসবুকে আইফোন-১৪ বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে পোস্ট
প্রায় একই উত্তর দিয়েছে সুমাসটেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের কাছেও দুবাইসহ বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টের আইফোন-১৪ রয়েছে। তারা ফোনগুলোকে আনঅফিসিয়াল বলে স্বীকার করে নিয়ে জানায়, ক্রেতারা এতে কোনও সমস্যায় পড়বেন না। ইন্টারন্যাশনাল ওয়ারেন্টির সুবিধাও পাবেন তারা।
অ্যাপল গেজেট নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে জানতে চাইলে অভিন্ন উত্তর মেলে। তারাও আশ্বস্ত করে বলে, এতে ক্রেতার কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। অফিসিয়াল সেট পাওয়া যাবে কিনা— এমন প্রশ্নে বিক্রেতারা বলেন, কোনও ক্রেতা চাইলে সেটটি কেনার পর ট্যাক্স দিয়ে অফিসিয়াল করে নিতে পারবেন। আর সরাসরি তাদের কাছে থেকে অফিসিয়াল সেট কিনতে চাইলে চলতি মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অফিসিয়াল সেটের ক্ষেত্রে দাম ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেশি পড়বে বলেও জানানো হয় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে।
স্মার্টফোন এক্সচেঞ্জ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ফোন করা হলে প্রথমে তারা আইফোন নেই বলে জানায়। পরে আবার জানায় সরাসরি তাদের শোরুমে যোগাযোগ করতে। সরাসরি যোগাযোগ করলে কোনও সেট দেখায়নি তারা। ফোন সেট তাদের ডিলারের কাছে রয়েছে বলে জানানো হয়। দরদাম চূড়ান্ত হলে তারা সেটটি ক্রেতাকে এনে দেবেন বলে জানায়।
তবে বাজার ঘুরে কোনও মোবাইল শপেই আইফোন-১৪-এর দেখা মেলেনি। কোনও কোনও বিক্রেতা বলেছেন, মোবাইল সেটটি তাদের ওয়্যারহাউজে রয়েছে। দাম চূড়ান্ত করা হলে তারা ফোন সেট এনে দেবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের কারণে সেটটি তারা মোবাইল শপে রাখছেন না বলে জানান।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

শাওমি এবার বর্ষসেরা উদ্ভাবনী কোম্পানির তালিকায়

বার্তাকক্ষ শাওমি এবার বছরের সেরা ৫০ উদ্ভাবনী কোম্পানির তালিকায় স্থান পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন কনসালটিং গ্রুপ...

গ্রামীণফোনের কিছু সেবা পেতে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন

বার্তাকক্ষ কারিগরি উন্নয়নের জন্য গ্রামীণফোনের কিছু সেবা পেতে গ্রাহকদের সমস্যা হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।...

এখন হোয়াটসঅ্যাপেও পাবেন মিসড কল অ্যালার্ট

বার্তাকক্ষ বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সাইট হোয়াটসঅ্যাপ। মেটার মালিকানাধীন সাইটটি একের পর এক ফিচার...