Tuesday, September 27, 2022
হোম মুক্ত ভাবনাসাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ অতটুকু চায়নি বালিকা!

সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ অতটুকু চায়নি বালিকা!

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

করোনায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত, সংক্রমণ হার ১৫.৪২

বার্তাকক্ষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। এসময়ে প্রাণঘাতী...

একদিনে হাসপাতালে ৪৬০ ডেঙ্গুরোগী, একজনের মৃত্যু

বার্তাকক্ষ দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। বাড়ছে মৃত্যুও। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত...

হৃদরোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় কমিউনিটি ক্লিনিকেও চিকিৎসার দাবি

বার্তাকক্ষ উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ব হার্ট...

বিদ্যুৎ বিলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ইনভয়েস কর চালান হিসেবে গণ্য হবে

বার্তাকক্ষ ভ্যাটের চালান ব্যবহারে উৎসাহ দিলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন থেকে গ্রাহকের পরিশোধিত বিদ্যুৎ...

প্রভাষ আমিন
সময়টা আসলেই আবেগে ভেসে যাওয়ার। সোমবার এক ঘোরলাগা সন্ধ্যা এসেছিল বাংলাদেশে। নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মত সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ মোটেই ফেবারিট ছিল না। আগের চার আসরেই চ্যাম্পিয়ন ভারত। বাংলাদেশ একবার কেবল ফাইনাল খেলতে পেরেছিল, বাকি চারবার ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল নেপাল।
বাংলাদেশ আগের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে উড়িয়ে দিয়েছে গ্রুপ পর্বেই, ফাইনালে উড়িয়ে দিল স্বাগতিক নেপালকে। কোনো ভাগ্যের সহায়তা নয়, বাংলাদেশ সত্যি সত্যি সব প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে বাংলাদেশের স্কোর লাইনগুলো একটু দেখুন- ৩-০ (মালদ্বীপ), ৬-০ (পাকিস্তান), ৩-০ (ভারত), ৮-০ (ভুটান, সেমিফাইনাল), ৩-১ (নেপাল, ফাইনাল)। টুর্নামেন্টে পাঁচ ম্যাচে বাংলাদেশ ২৩ গোল দিয়েছে। হজম করেছে মাত্র একটি গোল, তাও ফাইনালে।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাদের পাশে দাঁড়ানো। যাতে তারা সম্মানজনক ভাবে পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করতে পারে। খেলতে নামলে তাদের যেন ভাতের চিন্তা, ঘরের চিন্তা করতে না হয়। আর আমরাও যেন আবেগে ভেসে এই লড়াকু মেয়েগুলোকে ভুলে না যাই। যেন তাদের ভালোবাসায় আগলে রাখি, এমন একটা উদার সমাজ গঠন করি, যেখানে মেয়েগুলো নিশ্চিন্তে অন্তত খেলতে পারে। তাহলেই এই মেয়েরা আরো বড় লক্ষ্য অর্জনে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারবে
ফাইনালের আগে সানজিদার একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস আবেগের জোয়ারে ভাসায় গোটা বাংলাদেশকে। ফাইনালের আগেই বাংলাদেশের মেয়েরা জিতে নেয় কোটি মানুষের হৃদয়। সানজিদা লিখেছিলেন, ‘যারা আমাদের এই স্বপ্নকে আলিঙ্গন করতে উৎসুক হয়ে আছেন, সেই সকল স্বপ্নসারথিদের জন্য এটি আমরা জিততে চাই। নিরঙ্কুশ সমর্থনের প্রতিদান আমরা দিতে চাই। ছাদখোলা চ্যাম্পিয়ন বাসে ট্রফি নিয়ে না দাঁড়ালেও চলবে, সমাজের টিপ্পনীকে একপাশে রেখে যে মানুষগুলো আমাদের সবুজ ঘাস ছোঁয়াতে সাহায্য করেছে, তাদের জন্য এটি জিততে চাই।’
তার স্ট্যাটাসে ‘ছাদ খোলা বাস নিয়ে না দাঁড়ালেও চলবে’ লিখলেও; তার এই না চাওয়াটাই গোটা জাতির চাওয়ায় পরিণত হয়। সানজিদার তোলপাড় তোলা স্ট্যাটাসে ছাদ খোলা বাসের গোপন একটা আকাঙ্খা হয়তো ছিল। সেই আকাঙ্খা ছুঁয়ে গেছে গোটা বাংলাদেশের হৃদয়। ঢাকায় কোনো ছাদ খোলা বাস ছিল না। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে রাতারাতি বিআরটিসির একটি দোতলা বাসের ছাদ কেটে ছাদ খোলা বাস বানানো হয়েছে। বাসটিকে সাজানো হয়েছে বিজয়ী নারীদের ছবিতে।
দুপুর দেড়টায় বিজয়ীদের বিমান বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করে। বিমানবন্দর থেকে বেরুতে বেরুতে তিনটা। ভেবেছিলাম ছাদ খোলা বাসটি কারওয়ানবাজার আমাদের অফিসের সামনে দিয়েই যাবে। পরে জানলাম, রুট বদলে গেছে, বাস যাবে সাত রাস্তা হয়ে। কোনো ঝুঁকি নিতে চাইনি। তাই বিকাল তিনটাতেই আমি, বন্ধু মুন্নী (মুন্নী সাহা), তাপসদা (কবির হোসেন তাপস) সাত রাস্তায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে দাঁড়িয়ে গেলাম। যাওয়ার আগে কারওয়ানবাজার থেকে তিনটি জাতীয় পতাকাও কিনে নিয়েছিলাম।
পথে পথে ভালোবাসা আর আনন্দ বিলিয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ‘চ্যাম্পিয়ন্স’ লেখা বাসটি যখন এলো, ততক্ষণে সাত রাস্তা মোড় লোকে লোকারণ্য। তিনজন থেকে ৩০ হাজার বা আরো বেশি। সবার কণ্ঠে দুরন্ত স্লোগান- বাঘিনীদের গর্জন, বাংলাদেশের অর্জন। কেউ কাউকে আমন্ত্রণ জানায়নি। সবাই এসেছেন প্রাণের টানে, ভালোবাসার টানে।
সোমবারের ঘোরলাগা সন্ধ্যার রেশ যেন বুধবারের ঢাকার আকাশে। বিমানবন্দর থেকে বাফুফে- পাঁচ ঘণ্টার আনন্দ পরিভ্রমণে লাখো স্বতঃস্ফুর্ত মানুষ বরণ করে নিল বিজয়ী নারীদের। বিভিন্ন বয়সের মানুষ, কারো হাতে ফুল, কারো পতাকা। সবাই ভালোবাসে বাংলাদেশের বিজয়ী নারীদের। দেখে আমার মনে পড়ে গেল আবুল হাসানের কবিতা, ‘অতটুকু চায়নি বালিকা!/অত হৈ রৈ লোক, অত ভীড়, অত সমাগম!/চেয়েছিলো আরো কিছু কম!’
আসলেই সানজিদা বা বাংলাদেশ দলের নারীরা কিছুই চায়নি। কিন্তু মানুষ তাদের উজার করে দিয়েছে। এটা সত্যিই বাংলাদেশের বাঘিনীদের অর্জন। অনেকেই সান্ত্বনা দিয়েছেন আমাকে, অনেক কষ্ট হয়েছে বুঝি। বিশ্বাস করুন, বিজয়ী নারীদের অপেক্ষায় টানা তিন ঘণ্টা কড়া রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে আমাদের একটুও কষ্ট হয়নি। দিনটি ছিল অন্যরকম আনন্দে ছেলেমানুষের মত ভেসে যাওয়ার। আমার অনেক আগে থেকে আরো অনেক মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়েছেন।
৭০ বছর বয়সী একজনের গল্প শুনলাম, যিনি বিমানবন্দরেই যেতে চেয়েছিলেন। আজ সবাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে বসে থেকেছেন আনন্দের সাথে। যেদিন মেয়েরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সেদিনই ফেসবুকে লিখেছিলাম, ‘বীর নারীরা যেদিন ফিরবেন, বিমানবন্দরে যেন একটা ফুলে ফুলে সাজানো ছাদ খোলা বাস থাকে। সম্ভব হলে সেদিন সরকারি ছুটি থাক।
বিজয়ীদের নিয়ে বাসটি সারা শহর ঘুরবে। আমরা রাস্তার পাশে দাড়িয়ে তাদের অভিনন্দন জানাবো। বাসের পাশে-পেছনে নাচবো, গাইবো, আনন্দ করবো। সারা শহরে জ্যাম লাগিয়ে চিৎকার করে বলবো- আজ আমাদের মন অনেক ভালো’। আমরা তাই করেছি। অনেকের কাছে পুরো বিষয়টি বাড়াবাড়ি মনে হয়েছে। আমি তাদের বলেছি, বাড়াবাড়ি করতেই আমাদের ভালো লেগেছে।
অনেকের মনে হতে পারে, নারীদের সাফ জয়ে এত উচ্ছ্বাসের কী আছে। যাদের কাছে বড় মনে হচ্ছে না, তারা বসে থাকুক। আমরা উৎসব করবো, রাজপথে নাচবো, গাইবো। আমার কাছে অর্জনটা অনেক বড়। এই বিরুদ্ধ সময়ে, সাম্প্রদায়িকতার শিকড় যখন অনেক গভীরে, মৌলবাদীরা যখন নারীদের ঘরে আটকে রাখতে চায়; তখন নারীদের এই অর্জনের প্রভাব অনেক ব্যাপক এবং গভীর। যেই দলটি আমাদের গোটা জাতিকে গর্বিত করেছে, সেই দলটির দিকে একটু তাকান। এই দলের ৮ জন ময়মনসিংহের, ৩ জন রাঙামাটির, ২ জন সাতক্ষীরার, রংপুর, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের একজন করে।
এদের মধ্যে বাঙালি আছে, আদিবাসীরাও আছে; হিন্দু আছে, মুসলমান আছে, বৌদ্ধরাও আছে। এরাই সত্যিকারের বাংলাদেশ। এই দলের বিজয়ীরা দেশের প্রান্তিক এলাকার মানুষ। জয়ের পথে তাদের প্রতিপক্ষ নিছক নেপাল ছিল না। মৌলবাদ, পুরুষতন্ত্র, দারিদ্র্য, অপমান, বঞ্চনা, বৈষম্য- হাজারটা প্রতিপক্ষকে ডিঙিয়ে তবেই তাদের উঠতে হয়েছে হিমালয়ে। জয় তো অনেক পরের কথা, শুধু মাঠে নামতেই তাদের পাড়ি দিতে হয়েছে অনেক বন্ধুর পথ।
নারী ফুটবল বন্ধের দাবিতে এই দেশে স্লোগান হয়েছে, মিছিল হয়েছে, মানববন্ধন হয়েছে। এই দলের অনেক খেলোয়াড়কে ঢাকা থেকে লোকাল বাসে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে ফুটবল খেলার ‘অপরাধে’ অশ্লীল গালি শুনতে হয়েছে। ফেসবুকে দেখলাম আরেক নারী ফুটবলারের মা বলছেন, ‘আমার ছইলদের (মেয়েদের) খেলাত দিছি দেখি আমার গুষ্টিটা শুদ্ধাই বলে দোজখত যাইবে। এগুলাও মানুষ কয়, এগুলাও মানুষ কইছে। আমরা বেহেশতে যাবার নাই, দোজখেই যাব।’ এমন একটা সমাজ থেকে উঠে আসা মেয়েরা ফুটবল খেলছে, এটা অনেক বেশি। আর তারা চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলে আমরা একটু বাড়াবাড়ি করতেই পারি। এক জয়ে যে মিশে আছে অনেক জয়ের আনন্দ।
বিজয়ী দলটির প্রত্যেকটি সদস্য লড়াকু। কারণ তারা দরিদ্র। ফুটবলকে বেছে নিয়েছে তারা দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অস্ত্র হিসেবে। এই দলের প্রত্যেকের গল্প নিয়ে একেকটি সিনেমা বানানো যাবে। সানজিদা তার তোলপাড় তোলা স্ট্যাটাসে অল্প কথায় তুলে এনেছেন অনেকের গল্প, ‘পাহাড়ের কাছাকাছি স্থানে বাড়ি আমার। পাহাড়ি ভাইবোনদের লড়াকু মানসিকতা, গ্রাম বাংলার দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষদের হার না মানা জীবনের প্রতি পরত খুব কাছাকাছি থেকে দেখা আমার। ফাইনালে আমরা একজন ফুটবলারের চরিত্রে মাঠে লড়বো এমন নয়, এগারোজনের যোদ্ধাদল মাঠে থাকবে, যে দলের অনেকে এই পর্যন্ত এসেছে বাবাকে হারিয়ে, মায়ের শেষ সম্বল নিয়ে, বোনের অলংকার বিক্রি করে, অনেকে পরিবারের একমাত্র আয়ের অবলম্বন হয়ে।’ আসলেই এই দলের কারোরই হারানোর কিছু ছিল না। জয় করার জন্য আপাতত ছিল সাফ ট্রফি। যুদ্ধ করে সেটাই তারা ছিনিয়ে এনেছে।
মেয়েরা যা করেছে, আমরা তা কল্পনাও করিনি, আমাদের প্রত্যাশার সীমা অতটা ছিল না। মেয়েরা নিজেদের উজাড় করে ট্রফি এনেছে। আবার দেশবাসী যা করেছে, সেটাও তারা কল্পনা করেনি। বিমানবন্দর থেকে বাফুফে- ছাদ খোলা বাসের যে রাজসিক অভ্যর্থনা তারা পেয়েছে, তা তারা কল্পনাও করেনি। অতটুকু চায়নি বালিকারা। তারা সংবর্ধনা চায়নি, প্লট চায়নি, বাড়ি চায়নি, গাড়ি চায়নি। তাদের চাওয়ার সীমাটা শুনবেন?
বাংলাদেশের নারী ফুটবল রূপকথার যাত্রাটা শুরু হয়েছিল ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ের কোল ঘেঁষা কলসিন্দুর গ্রাম থেকে। সাফ জয়ী নারী দলেও সেই গ্রামের ৮ জন খেলছে। ২০১৫ সালে সাংবাদিকদের, তোমরা কী চাও? এই প্রশ্নের জবাবে এই মেয়েরাই বলেছিল, ‘এক বেলা ভালো করে খাওয়াবেন।’ আরও বেশি কিছু চাও—বলা হলে উত্তর এসেছিল, ‘বেশি করে খাবার দিয়ে দেন, বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খাব।’
এই যাদের চাওয়ার সীমা তাদের আপনি কী দিবেন? শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোলরক্ষক রূপনা চাকমার রাঙামাটির বাড়ির একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। আপনারা নিশ্চয়ই। যে মেয়েটি দেশের সম্মান আগলে রেখেছে অতন্দ্র প্রহরীর মত, পুরো টুর্নামেন্ট মাত্র একবার প্রতিপক্ষ তাকে ফাঁকি দিতে পেরেছিল। কিন্তু ছোট্ট রূপনা তার ঘর সামলাতে পারেননি। জীর্ণ কুটির। দেখে মনে হয় যে কোনো সময় ভেঙ্গে পড়বে। সেই রূপনা ঘর চায়নি, সেই সানজিদা বাড়ি চায়নি। ভালোবাসা ছাড়া তারা কিছুই চায়নি।
তবে আবেগের আতিশয্যে অনেকে অনেক কিছু ঘোষণা করছেন। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ, তিনি রূপনাকে বাড়ি তৈরি করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বিসিবি ৫০ লাখ টাকা দিয়েছে নারী ফুটবল দলকে। তবে আমি চাই না প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়ি, গাড়ি দিয়ে এই কিচ্ছু না চাওয়া বালিকাগুলোকে সাকিব আল হাসানের মত লোভী বানানো হোক।
তবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাদের পাশে দাঁড়ানো। যাতে তারা সম্মানজনক ভাবে পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করতে পারে। খেলতে নামলে তাদের যেন ভাতের চিন্তা, ঘরের চিন্তা করতে না হয়। আর আমরাও যেন আবেগে ভেসে এই লড়াকু মেয়েগুলোকে ভুলে না যাই। যেন তাদের ভালোবাসায় আগলে রাখি, এমন একটা উদার সমাজ গঠন করি, যেখানে মেয়েগুলো নিশ্চিন্তে অন্তত খেলতে পারে। তাহলেই এই মেয়েরা আরো বড় লক্ষ্য অর্জনে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারবে।
লেখক: বার্তাপ্রধান, এটিএন নিউজ।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

ইনডেমনিটি অধ্যাদেশের দায় এড়াতে পারেন না জিয়া

মানিক লাল ঘোষ পৃথিবীর কোনো সংবিধানে লেখা নাই যে, খুনিদের বিচার করা যাবে না। বাংলাদেশেই...

জাতিসংঘে জাতির জনক

তোফায়েল আহমেদ জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদপ্রাপ্তির ৪৮ বছর পূর্ণ হয়েছে এ বছর। এই উপলক্ষে মনে পড়ছে...

আরাকান আর্মির প্রস্তাবে কী ভাবছে বাংলাদেশ?

মো. আবুসালেহ সেকেন্দার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে ইউনাইটেড লিগ অব আরাকান (ইউএলএ) এবং এর সামরিক...