Wednesday, December 7, 2022
হোম আজকের পত্রিকামহেশপুরে সার নিয়ে ডিলারদের কারসাজি

মহেশপুরে সার নিয়ে ডিলারদের কারসাজি

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন

বায়ুদূষণ পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বায়ুদূষণের অন্যতম উৎস হচ্ছে ধুলাবালি।...

মৈত্রী দিবসের আলোচনায় প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশের সঙ্গে মৈত্রীতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় ভারত

বার্তাকক্ষ বাংলাদেশের সঙ্গে মৈত্রীর ক্ষেত্রে ভারত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত...

স্কুলে ভর্তি: সরকারিতে এক আসনে ছয় আবেদন, বেসরকারির অধিকাংশ ফাঁকা

বার্তাকক্ষ সরকারি-বেসরকারি স্কুল ভর্তির আবেদন শেষ হয়েছে। সরকারি স্কুলে আসন প্রতি প্রায় ছয়জন করে...

আফগানিস্তানে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৭

বার্তাকক্ষ উত্তর আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় শহরে রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে অন্তত সাত...

মহেশপুর সংবাদদাতা :
ঝিনাইদহের মহেশপুরে মজুতের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে চাষিদের কাছে বেশি দামে সার বিক্রি করেছে ডিলারা। সার বিক্রির সময় ক্যাশ মেমো দেয়া বাধ্যতামূলক হলেও সেটি দিচ্ছে না ডিলাররা। বেশি দামে কালোবাজারে বিক্রির জন্য নির্ধারিত গুদামের বদলে সার অনত্র সরিয়ে রাখছে। উপজেলায় সার বিক্রির সরকারি কোন নির্দেশ মানা হচ্ছে না। নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রির জন্য নানান কারসাজি করছে বিসিআইসির ডিলাররা।
মহেশপুর উপজেলায় পৌরসভাসহ ১২টি ইউনিয়নে ১২ জন বিসিআইসির সার ডিলার রয়েছে। এছাড়া প্রতি ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ডে ১ জন করে মোট ৯ জন সাব-ডিলার আছে। তবে অনুমোদিত এসব ডিলারদের বেশির ভাগই সার বিক্রির সরকারি নির্দেশ মানছে না। নিয়মানুযায়ী স্ব স্ব ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সার বিক্রি না করে উপজেলা শহরে সারের রমরমা ব্যবসা চালাচ্ছে।
জানা গেছে, মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নের সার ডিলার আলতাপ হোসেন, আজমপুর ইউনিয়নের নুরু ইসলাম, সরুপপুর ইউনিয়নের আওেশ বিসিআইসি ডিলার শর্তভঙ্গ করে ইউনিয়নের বাইরের অন্য বাজারে সার বিক্রি করে দিচ্ছেন। ফলে কৃষকদের সার কিনতে গিয়ে বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে। এভাবে সারের মজুদ গড়ে কালোবাজারে বিক্রির মাধ্যমে অনেক ডিলার রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। নির্দিষ্ট গুদামের বদলে অনত্র ইউরিয়া সার রেখে গোপনে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে ডিলারদের বিরুদ্ধে। এছাড়া ক্যাশ মেমোর মাধ্যমে চাষিদের কাছে সার বিক্রির নিয়ম থাকলেও বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে সেটি দিচ্ছেন না ডিলাররা।
উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের তালসার গ্রামের তরু মেম্বার জানান, তাদের ইউনিয়নের ডিলার আবু হাশেমের গুড়দাহ বাজারের দোকানে গেলে কোন সার পাওয়া যাচ্ছে না। তার কাছ থেকে সার কিনতে চাইলে তিনি গ্রামের খুচরা সার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কিনতে বলছেন। স্থানীয় কৃষক দাউদ হোসেনের ছেলে শাহাবুল জানান, সাড়ে ৭০০ টাকার পটাশ ১৫০০ টাকা দিয়ে কিনেছেন। ১১০০ টাকার ইউরিয়া ১২০০ টাকায় কিনতে হয়েছে।
এ ব্যাপারে শ্যামকড়– ইউনিয়নের ডিলার আবুল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, তার বাড়ি কোটচাঁদপুর উপজেলায়। ডিপো গুড়দাহ বাজারে। সাব লিজ নিয়ে আবু হোসেন নামে একজন সারের ব্যবসা করছেন। সার নিয়ে কি হচ্ছে তার কিছুই তিনি জানেন না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান আলী জানান, সারের ব্যাপারে কঠোর নজদারি করছেন। কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

নড়াইল পৌরসভায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার ‘দুর্নীতি’

নড়াইল সংবাদদাতা :  নড়াইল পৌরসভার মেয়র, সচিব, প্রধান সহকারীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সাড়ে তিন কোটি টাকা...

মোল্লাহাটে ইদুর মারা ঔষধ খেয়ে শিশু নিহত

বাগেরহাট সংবাদদাতা : বাগেরহাটের মোল্লাহাটে বাগানে ফেলে রাখা ইদুর মারার বিষ মিশ্রিত চালভাজা খেয়ে আসমা...

যশোর এম এম কলেজে অর্থনীতি বিভাগের সেমিনার

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের অর্থনীতি বিভাগে বৃহস্পতিবার সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারের...