Thursday, December 1, 2022
হোম শহর-গ্রামখুলনাখুলনা উপকূলের ৪২ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

খুলনা উপকূলের ৪২ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

পুতিনের রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা দেখছে না ইউক্রেন

বার্তাকক্ষ রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতারা একটি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ৯ মাস দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান...

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য পুরস্কার পেলেন তানভীর সিকদার

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন তরুণ কবি তানভীর সিকদার। তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘সেফটিপিনে গেঁথে...

১১২ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিলো ইংল্যান্ড

বার্তাকক্ষ সব শঙ্কাকে পাশ কাঁটিয়ে নির্ধারিত সময়েই পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। বৃহস্পতিবার (১...

আইজিপির নেতৃত্বে আইনের শাসনের ক্ষেত্র প্রস্তুতের আশা বিএনপি মহাসচিবের

বার্তাকক্ষ ‘রাজনৈতিক নিপীড়নমূলক বেআইনি, মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দায়ের বন্ধ করা এবং দায়েরকৃত সব...

খুলনা প্রতিনিধি
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে খুলনা উপকূলে ঝড়বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দাকোপ ও কয়রার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন ৪২ হাজার লোকজন। তাদের মাঝে শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জানান বলেন, কয়রার বেদকাশি ও সদরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজন সবচেয়ে বেশি আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন। অন্যান্য এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ লোকজনও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়রার ছয় হাজার লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন। আরও লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার চেষ্টা চলছে। এখানে আশ্রয়কেন্দ্রে এক লাখ ৪৩ হাজার ২৫০ জনের ধারণক্ষমতা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাকি লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিন্টু বিশ্বাস বলেন, উপকূলের ৩৬ হাজার মানুষ বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে গেছেন। ৯০ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে আমাদের। এজন্য ১১৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বাকি লোকজনকে রাতের মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার প্রচেষ্টা চলছে। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজনের মধ্যে শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।
খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, জেলার উপকূলীয় এলাকার ৫৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে দাকোপে ১১৮টি, বাটিয়াঘাটায় ২৩টি, ডুমুরিয়ায় ২৫টি, কয়রায় ১১৮টি, পাইকগাছায় ১০৮টি, তেরখাদায় ২২টি, রূপসায় ৩৮টি, ফুলতালায় ২৫টি ও দিঘলিয়া উপজেলায় ৭১টি রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোতে মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। প্রতিটি উপজেলায় ৫টি এবং প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ১১৬টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালগুলোর জরুরি বিভাগে সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার জন্য চিকিৎসক-নার্স ও ওষুধপত্র ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পদ সংখ্যা বাড়ছে

বার্তাকক্ষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে পদ সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও...

সাতক্ষীরায় স্বর্ণের ১৬ বারসহ পাচারকারী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারকালে ১৬টি স্বর্ণের বারসহ এক যুবককে আটক করেছে...

ডিসেম্বরে শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা, সাগরে হতে পারে দুটি লঘুচাপ

বার্তাকক্ষ তাপমাত্রা ক্রমেই কমে ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধে দেশে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে...