Friday, December 9, 2022
হোম শিক্ষাফেসবুকে যেসব পোস্ট ও লাইক-কমেন্ট করতে পারবেন না শিক্ষকরা

ফেসবুকে যেসব পোস্ট ও লাইক-কমেন্ট করতে পারবেন না শিক্ষকরা

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

ম্যাচ জিতলেই সেমিতে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের লড়াই

বার্তাকক্ষ: চার বছর পরপর আসে ফুটবল বিশ্বকাপ। পুরো বিশ্ব জুড়েই চলে এই ফুটবল উন্মাদনা। তবে...

মেসি-নেইমারের ভাগ্য পরীক্ষা

বার্তাকক্ষ: দু’দিন বিরতির পর শুক্রবার রাতে আবার বল গড়াচ্ছে মাঠে। বিশ্বকাপের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। ২৪টি...

মির্জা ফখরুল-আব্বাসকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত

বার্তাকক্ষ: রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় দায়ের করা মামলায়...

নীল জলের বুকে খোলামেলা জাহ্নবী

বার্তাকক্ষ: যতদূর দৃষ্টি যায় কেবলই নীল জল। বহু দূরে সেই জলে যেন গোধূলীর আকাশ নেমেছে।...

বার্তাকক্ষ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে শিক্ষকরা সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো পোস্ট দিতে পারবেন না। এছাড়া ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি পরিপন্থি কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে এ কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।রোববার (২৩ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নয় দফা নির্দেশনাসহ এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার আলোকে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষককে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনার পরও যদি কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এমন কাজ করেন তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদের সই করা অফিস আদেশে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষক-কর্মচারী ফেসবুকে তাদের ব্যক্তিগত ওয়ালে ও বিভিন্ন গ্রুপে সহকর্মী, প্রতিষ্ঠান প্রধান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং কর্তৃপক্ষের গৃহীত সিদ্ধান্তের বিষয়ে অশোভন, অনৈতিক, শিষ্টাচার বহির্ভূত ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এতে মাউশি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা- ২০১৮, সরকারি চাকরি আইন- ২০১৮, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন- ২০১৮, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা- ২০২১, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষকদের চাকরি শর্ত বিধিমালা ১৯৭৯ এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ এর পরিপন্থি।আদেশে আরও জানানো হয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো ও এর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ প্রণয়ন করা হয়। উল্লিখিত নির্দেশিকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাপ্তরিক এবং ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট তৈরি করা এবং এতে পরিহারযোগ্য বিষয়াদির উল্লেখ রয়েছে। এ নির্দেশনার আলোকে সরকারের সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ এবং এর আওতাধীন অধিদপ্তর,পরিদপ্তর, দপ্তর, সংস্থার গণকর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিষয়গুলো অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
৯ দফা নির্দেশনা:
১. সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
২. জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থি কোনো রকম তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৩. কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এমন বা ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি পরিপন্থি কোনো তথ্য উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে এমন কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৪. জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সার্ভিস/পেশাকে হেয় প্রতিপন্ন করে এমন কোনো পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
৫. লিঙ্গ বৈষম্য বা এ সংক্রান্ত বিতর্কমূলক কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না।
৬. জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো বিষয় লেখা, অডিও বা ভিডিও ইত্যাদি প্রকাশ বা শেয়ার করা যাবে না।
৭. ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার হতে বিরত থাকতে হবে।
৮. অন্য কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য সম্বলিত কোনো পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৯. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ‘কন্টেন্ট’ ও ‘ফ্রেন্ড’ সিলেকশনে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন এবং অপ্রয়োজনীয় ট্যাগ, রেফারেন্স বা শেয়ার করা পরিহার করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টের ক্ষতিকারক কন্টেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং সে জন্য প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।প্রসঙ্গত, মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত যেসব শিক্ষক-কর্মচারী ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপ খুলেছেন, সে সব গ্রুপের সব অ্যাডমিনকে গ্রুপে কন্টেন্ট, পোস্ট অনুমোদনের ক্ষেত্রে সরকারি আইন, বিধি প্রতিপালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনাটি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা নিয়মিত মনিটরিং করবেন। কোনো শিক্ষক-কর্মচারী বা কোনো ব্যক্তি কারও কন্টেন্ট, পোস্টে সংক্ষুব্ধ হলে ওই কন্টেন্ট, পোস্ট আপলোডকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রমাণসহ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে আবেদন করবেন।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

একাদশে ভর্তি: ঘণ্টায় ২০ হাজার আবেদন

বার্তাকক্ষ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন কার্যক্রম বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) শুরু হয়েছে। প্রথমদিন সাড়ে ৯...

শূন্যপদ ৬০ হাজারের বেশি যাচাই-বাছাইয়ে আটকা শিক্ষক নিয়োগ, অনিশ্চয়তায় গণবিজ্ঞপ্তি

বার্তাকক্ষ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকের শূন্যপদ ৬০ হাজারের বেশি। স্কুল পর্যায়ে ৮০ ও কলেজ পর্যায়ে...

এইচএসসির উত্তরপত্র হারিয়ে ফেলা পরীক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

বার্তাকক্ষ ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ইংরেজি প্রথম পত্রের ৫০টি উত্তরপত্র রাস্তায় হারিয়ে ফেলা পরীক্ষক...