Friday, December 2, 2022
হোম সম্পাদকীয়দুর্যোগ মোকাবিলায় সার্বিক প্রস্তুতি

দুর্যোগ মোকাবিলায় সার্বিক প্রস্তুতি

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

ফিরছেন বিন্দু

বার্তাকক্ষ লাক্স তারকা বিন্দু অভিনয়ে নেই দীর্ঘ দিন ধরে। এবার আট বছর পর চলচিত্র...

অস্ত্রোপচার শেষে ভালো আছেন রুক্ষ্মিণী

বার্তাকক্ষ হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী রুক্ষ্মিণী মৈত্র। বুধবার রাতে আচমকাই নায়িকার পোস্ট। হুইলচেয়ারে বসে অভিনেত্রী।...

মেসির নামে গোল…

বার্তাকক্ষ মেসিকে নিয়ে চিত্রনায়িকা পরীমনির পাগলামি নতুন কিছু নয়। এবারো মেসিকে নিয়ে নানা কাণ্ড...

লুকোচুরি খেলার সময় ১০তলা ভবন থেকে পড়ে গেলো শিশু

বার্তাকক্ষ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে লুকোচুরি খেলার সময় ১০তলা ভবন থেকে পড়ে অণ্বেষা ঘোষ (৮) নামে...

ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে পৃথিবীর অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ এলাকা বাংলাদেশ। এবার উপকূলের দিকে ধেয়ে আসে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের অভিজ্ঞতা থাকলেও সিত্রাং এমন এক সময়ে আসছে, যখন দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ। সিত্রাং নামের এই ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। এটি যে বাংলাদেশের ওপর দিয়েই অতিক্রম করবে এটা নিশ্চিত ছিল। আর সে কারণে প্রধানমন্ত্রী জান-মাল রক্ষায় সব রকম প্রস্তুতির নির্দেশ দেন। বঙ্গোপসাগরের একটি নিম্নচাপ রবিবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়। সিত্রাং নামটি থাইল্যান্ডের দেয়া। ‘সিত্রাং’ শব্দের ভিয়েতনামি অর্থ পাতা। আবার থাইল্যান্ডের বাসিন্দাদের পদবিও ‘সিত্রাং’। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে প্রথমে বাতাসের গতিবেগ ছিল ১০০-১১০ কিলোমিটার। যা বাাংলাদেশের উপকূলে দুর্বল নিম্নচাপে পরিণত হয়। সোমবার সকাল থেকেই সাগর ছিল উত্তাল। দেশের উপকূলের প্রায় প্রতিটি জেলায় সিত্রাংয়ের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করে। ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ, অমাবস্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে। মোংলা ও পায়রা বন্দরে সতর্ক সংকেত বাড়িয়ে ৭ নম্বর করা হয়েছিল। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ছিল ৬ নম্বর সতর্ক সংকেত। সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনা হয় এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয় সরকার। এরই মধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোয় সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। দ্রুত সেখানে লোকজনদের সরিয়ে নেয়া হয়। এটা ঠিক যে, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ এখন আগের চেয়ে সক্ষমতা অর্জন করেছে। গত দশ বছরে দেশে কয়েকটি বড় ঘূর্ণিঝড় হয়েছে। অধিকাংশ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। আইলা, সিডরের সময় বাংলাদেশের কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। সে সময় ক্ষয়ক্ষতি বেশি ছিল, কারণ আমাদের প্রস্তুতি ছিল না। কিন্তু এখন বাংলাদেশ অনেক বেশি সক্ষমতা অর্জন করেছে। এ কথা অনস্বীকার্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কমবেশি আসবেই। প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি মানুষের চেষ্টায় যে কমিয়ে আনা সম্ভব তাতে সন্দেহ নেই। তাই তো উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের ছোবল থেকে রক্ষায় সরকার ছিল আন্তরিক। মঙ্গলবার রাতের পর থেকে সবকিছু স্বাভাবিক হয়েছে। স্বস্তির নিঃশ^াষ ফেলছে মানুষ।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

অবসান হোক সহিংসতার রাজনীতির

১০ ডিসেম্বর সামনে রেখে মুখোমুখি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। এদিন বিএনপি পল্টনে সমাবেশের ডাক...

শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে গত সোমবার। পরীক্ষায় কৃতকার্য সব শিক্ষার্থীকে আমাদের...

দূর হোক পাঠ্যবই বিতরণের শঙ্কা

নতুন বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন অবস্থা কোনোভাবেই...