Friday, December 9, 2022
হোম রাজনীতিদুর্ভিক্ষ হলেও আওয়ামী লীগের নেতারা না খেয়ে মরবে না: মান্না

দুর্ভিক্ষ হলেও আওয়ামী লীগের নেতারা না খেয়ে মরবে না: মান্না

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

কাঠের তৈজস পরিষ্কার করার ৪ উপায়

বার্তাকক্ষ কাঠের তৈজস ব্যবহার বেশ আরামদায়ক হলেও এগুলো খুব সহজেই তেল ও ময়লা শোষণ...

সোহরাওয়ার্দীর নিরাপত্তা বলয় এখন কাজ করবে গোলাপবাগে: ডিবি প্রধান

বার্তাকক্ষ ১০ ডিসেম্বর গণসমাবেশ করার জন্য বিএনপি আজ শুক্রবার যে মাঠের অনুমতি চেয়েছে, সেখানেই...

স্বল্প বসনা’ ছবি দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ‘স্নায়ুযুদ্ধ’!

বার্তাকক্ষ এ গল্পে দুটি চরিত্র। সম্পর্কে তারা স্বামী-স্ত্রী। তবে তারও আগে চিত্রতারকা; নায়ক-নায়িকা। দুজনেই...

মোরেলগঞ্জে মিথ্যা মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোরেলগঞ্জ সংবাদদাতা বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মিথ্যা মামলায় হয়রানী থেকে বাঁচার জন্য মানবন্ধন করেছেন ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।...

বার্তাকক্ষ দেশে দুর্ভিক্ষ হলেও আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী না খেয়ে মরবে না বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।
শনিবার (১২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। ১৭ নভেম্বর জাতীয় মজলুম নেতা মাওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করার দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করে ভাসানী অনুসারী পরিষদ।মান্না বলেন, দেশে দুর্ভিক্ষ হলেও আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী না খেয়ে মারা যাবেন না। এখনো তারা বাজার করার জন্য ঢাকায় যেতে পছন্দ করেন না। সিঙ্গাপুর যেতে পছন্দ করেন। তারা তো টাকা খরচ করার জায়গা পাচ্ছে না। দুর্ভিক্ষ যদি হয় তাদের কী আসে যায়?
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যখন বলেছেন দুর্ভিক্ষ হবে, তখন দেশের মানুষের জন্য দরদ দিয়ে কোনো কথা বলেননি। দেশের আড়াই কোটি মানুষ করোনার মধ্যে দরিদ্র হয়ে গেছে। এই দরিদ্র মানুষদের কোনো সাহায্য সরকার দেয়নি। এক কোটি মানুষের চাকরি নেই। তাদের চাকরির কথা প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন না।সরকারের সমালোচনা করে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, চালের দাম ৮০ টাকা কেজি, তারা কমাতে পারে না। লবণ, ডাল, আটা সবকিছু দাম বেশি। কয়েকদিন পরে তাও পাবেন কি না সন্দেহ। কারণ আমদানি করার টাকাই নেই। ব্যাংকগুলোতে এলসি করার কোনো অবস্থা নেই।
সরকারের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সাবেক এ সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, মানসম্মান সব চলে যাওয়ার আগে চলে যান (ক্ষমতা ছাড়েন)।
‘এই সরকারের পতন ঘটানোর জন্য আমরা গণতন্ত্র মঞ্চ গঠন করেছি। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতেও জনগণের কাছে বুক ফুলিয়ে সত্য কথা বলতে পারি, কেউ আমাদের নিয়ে অভিযোগ করতে না পারে।’
তিনি বলেন, ধান্দাবাজ লোক দিয়ে আমরা কোনো জোট করছি না। আমরা দেশ বদলাতে চাই, সমাজ বদলাতে চাই, রাষ্ট্র বদলাতে চাই। যে আইন প্রধানমন্ত্রীকে এত ক্ষমতা দেয়, সেই আইন আমরা বদলে দিতে চাই।
ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি প্রমুখ।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

সংসদ উপনেতা হচ্ছেন মতিয়া চৌধুরী!

বার্তাকক্ষ আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম...

মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে কাদের অযাচিত মন্তব্য করে বন্ধুত্ব নষ্ট করবেন না

বার্তাকক্ষ বাংলাদেশের নির্বাচন ও আদালতপাড়া নিয়ে অযাচিত মন্তব্য করে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট না...

বিকালে সংবাদ সম্মেলন বিএনপির, গোপীবাগ মাঠ নিয়ে চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতি

বার্তাকক্ষ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে মধ্যরাতে...