Saturday, December 3, 2022
হোম শহর-গ্রামখুলনাসংকটে খুলনার মুদ্রণ শিল্প, চাকরি হারানোর শঙ্কায় শ্রমিক-কর্মচারীরা

সংকটে খুলনার মুদ্রণ শিল্প, চাকরি হারানোর শঙ্কায় শ্রমিক-কর্মচারীরা

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

গাড়ির নিচে নারীকে টেনে নেওয়া: ঢাবির সাবেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

বার্তাকক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চাকরিচ্যুত শিক্ষকের প্রাইভেটকারে টেনে নেওয়া রুবিনা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় শাহবাগ...

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ, নিহত ৩

বার্তাকক্ষ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কাঁথিতে এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতের এ...

বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির নেতার মৃত্যুতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি অভয়নগর থানার একতারপুর গ্রামতলা কমিটির সাবেক সভাপতি...

কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্টের ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা ডব্লিউএইচওর

বার্তাকক্ষ কোভিড মোকাবিলায় মানুষের সতর্কতা কমে যাওয়া এই ভাইরাসের মারাত্মক নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৈরি করতে...

খুলনা প্রতিনিধি
লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কাগজের দাম। গত ৬ মাসের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়েছে মুদ্রণশিল্পের অন্যতম এই উপকরণের দাম। গত ৩ সপ্তাহ ধরে অবস্থা আরও শোচনীয় হয়েছে। অগ্রিম টাকা দিয়েও অনেক ছাপাখানার মালিক কাগজ পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় গভীর সংকটে পড়েছে খুলনার মুদ্রণশিল্প। ছাপাখানা মালিকরা বলছেন, আমদানি নির্ভর কাঁচামাল এবং কাগজের দাম বৃদ্ধিতে কাজ কমে গেছে প্রায় ৬০ ভাগ। এতে ছোট ছোট ছাপাখানাগুলো বন্ধের উপক্রম হয়েছে। দাম বেড়েছে পড়ালেখার কাজে ব্যবহৃত কাগজও। যে লেখার খাতা এক মাস আগে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই খাতার দাম এখনও ৮০ টাকা। ইউক্রেন যুদ্ধের অজুহাতে কয়েকজন বড় পাইকারী ব্যবসায়ী ইচ্ছেমত কাগজের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে তারা অভিযোগ করেছেন। মুদ্রণ শিল্প মালিক সমিতির হিসেবে খুলনায় ছোট-বড় মিলিয়ে ছাপাখানা রয়েছে ১০৪টি। প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ৪ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করেন। কাজ কমে যাওয়ায় ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিক-কর্মচারীরা চাকরি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন।
খুলনা প্রেসক্লাবের পাশে বড় মির্জাপুর, বেনী বাবু, ধর্মসভায় সড়কে প্রায় দুই ডজন ছাপাখানা রয়েছে। শনিবার সকালে সড়কগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ছোট ছাপাখানা বন্ধ। কর্মচারীরা অলস বসে আছেন। খুলনা মুদ্রণ শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি ও মধুমতি মুদ্রণালয়ের চেয়ারম্যান এস এম জাকির হোসেন বলেন, করোনার দুই বছর স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় মুদ্রণ শিল্পের দুর্দিন শুরু হয়। এরপর ব্যবসায়ীরা ঘুরাতে দাড়াতে শুরু করেছিলেন। এরই মধ্যেই কাগজের দাম বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। মুদ্রণ শিল্পে এমন সংকট অতীতে দেখা যায়নি। অনেক ছোট প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির নেতার মৃত্যুতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি অভয়নগর থানার একতারপুর গ্রামতলা কমিটির সাবেক সভাপতি...

কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্টের ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা ডব্লিউএইচওর

বার্তাকক্ষ কোভিড মোকাবিলায় মানুষের সতর্কতা কমে যাওয়া এই ভাইরাসের মারাত্মক নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৈরি করতে...

কমতে পারে তাপমাত্রা, সাগরে লঘুচাপের আভাস

বার্তাকক্ষ আগামী ২৪ ঘণ্টায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া...