Thursday, December 1, 2022
হোম শহর-গ্রামমেহেরপুরমাথাভাঙ্গার নদীর সেতু নির্মাণের ৬ মাসেও হয়নি সংযোগ সড়ক

মাথাভাঙ্গার নদীর সেতু নির্মাণের ৬ মাসেও হয়নি সংযোগ সড়ক

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

পুতিনের রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা দেখছে না ইউক্রেন

বার্তাকক্ষ রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতারা একটি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ৯ মাস দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান...

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য পুরস্কার পেলেন তানভীর সিকদার

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন তরুণ কবি তানভীর সিকদার। তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘সেফটিপিনে গেঁথে...

১১২ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিলো ইংল্যান্ড

বার্তাকক্ষ সব শঙ্কাকে পাশ কাঁটিয়ে নির্ধারিত সময়েই পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। বৃহস্পতিবার (১...

আইজিপির নেতৃত্বে আইনের শাসনের ক্ষেত্র প্রস্তুতের আশা বিএনপি মহাসচিবের

বার্তাকক্ষ ‘রাজনৈতিক নিপীড়নমূলক বেআইনি, মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দায়ের বন্ধ করা এবং দায়েরকৃত সব...

মেহেরপুর সংবাদদাতা
ছয় মাস আগে শেষ হয়েছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর গার্ডার সেতু নির্মাণ। কিন্তু আজো শেষ হয়নি পাশের সংযোগ সড়ক।  কেবল জমি অধিগ্রহণ হয়নি বলে আটকে আছে সড়ক নির্মাণের কাজ। ফলে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দাদের। তবে বিষয়টি সমাধানে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য সাহিদুজ্জামান খোকন। এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে গাংনী উপজেলার বামন্দী এইচডি থেকে দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর জিসি ভায়া মধুগাড়ি ঘাট সড়কের মাথাভাঙা নদীর ওপর গার্ডার সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৭ কোটি ২৯ লাখ ৩২ হাজার ৯৭৯ টাকা।  সেতুটি চালু হলে মেহেরপুর ও কুষ্টিয়ার বাসিন্দারা ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ও শিক্ষাসহ নানা সুবিধা পাবে। সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য স্থানীয়রা জমি দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেতু নির্মাণের পর তারা বেঁকে বসেন। স্থানীয়দের দাবি, জমি সেতুর জন্য লাগলে দেবেন, তবে এর জন্য ন্যায্যমূল্য দিতে হবে। তবে এলজিইডি বলছে, বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর দুই জেলার মানুষের জন্য তৈরি (মধুগাড়ি-বেতবাড়িয়া) সংযোগ সেতুর নির্মাণকাজ ছয় মাস আগে শেষ হয়েছে। সেতুর দৌলতপুর উপজেলার পাশে সংযোগ সড়ক তৈরি হলেও গাংনী উপজেলার অংশে এখনো হয়নি। সেতু নির্মাণ হলেও এখনো ভোগান্তি দূর হয়নি দুপাড়ের লক্ষাধিক মানুষের। ফলে চিকিৎসাসেবা কিংবা ফসলাদি নিয়ে এপারের মানুষকে ওপারে যেতে হলে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ ঘুরতে হচ্ছে। দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘গাংনী উপজেলায় ৩০ বছর ধরে গরু বেচাকেনার ব্যবসা করছি। আগে নৌকা করে যাতায়াত করতাম। সেতু নির্মাণ হওয়ার পর আর নৌকা চলে না। আবার সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় এখন গাংনীতে আসতে হলে ১০-১২ কিলোমিটার পথ ঘুরে আসতে হয়।’

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

সাতক্ষীরায় স্বর্ণের ১৬ বারসহ পাচারকারী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারকালে ১৬টি স্বর্ণের বারসহ এক যুবককে আটক করেছে...

ফ্রেন্ডশিপের ২০ বৎসর পূতি উপলক্ষে কোভিট যোদ্ধা মিলন কে সম্বর্ধনা

উৎপল মণ্ডল, ভূরুলিয়া জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো। নশ্বর এই পৃথিবীতে, ক্ষণজন্মা কিছু...

রাজগঞ্জে মোটরসাইকেলে ভাড়ায় যাত্রীবহন পথ খুঁজে নিয়েছে শতাধিক বেকার যুবক 

প্রতিনিধি রাজগঞ্জ: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জে প্রায় শতাধিক বেকার যুবক মোটরসাইকেলে ভাড়ায় যাত্রী বহন করে...