Friday, December 9, 2022
হোম শিক্ষাএমপিও দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

এমপিও দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে কৃষিমন্ত্রী এ ধরনের বিবৃতি ভবিষ্যতে আর দেবেন না

বার্তাকক্ষ গত ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবৃতি দেওয়ায় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে...

ঢাবিতে বিশ্বকাপ খেলা দেখানো ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত

বার্তাকক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়(ঢাবি) ক্যাম্পাসের তিনটি স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখানো স্থগিত করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান...

শুরু থেকেই মাঠে নামতে পারেন ডি মারিয়া, বাদ পড়বেন কে?

বার্তাকক্ষ কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর আর্জেন্টিনা শিবিরে গেলে সংবাদমাধ্যমের এখন একটাই জিজ্ঞাসা, স্কালোনি কি নেদারল্যান্ডসের...

ব্রাজিলে এখন একটাই চাওয়া, ‘হেক্সা বিশ্বকাপ’

বার্তাকক্ষ ব্রাজিল ফুটবল দলে পুরোনো ছন্দ কিছুটা হলেও ফিরে এসেছে। কিন্তু সেটি কি বিশ্বকাপ...

বার্তাকক্ষ জনবল কাঠামো ও এমপিও-নীতিমালাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিধিবিধান না মেনে প্যাটার্ন বহির্ভূত এবং অবৈধভাবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও দিতে সুপারিশ করা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে যেসব কর্মকর্তা কর্মরত নেই তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ নভেম্বর) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচলককে সম্প্রতি চিঠি দিয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের সঙ্গে যোগসাজস করে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার শর্ত না মেনে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করান। প্যাটার্ন বহির্ভূতভাবে নিয়োগ করা শিক্ষকদের এমপিও দেওয়ার ঘটনা প্রায়শই ঘটে। এর সঙ্গে খোদ অধিদফতরের উপরিচালক (কলেজ-২) জড়িত বলেও বার বার অভিযোগ উঠেছে।
তবে এবার এই অনিয়ম ধরা পড়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ গত ২১ নভেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে চিঠি দেয়। ওই চিঠিতে অভিযুক্তদের কিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও আইনি ব্যবস্থা নিতে মহাপরিচালককে অনুরোধ জানানো হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়, জনবল কাঠামো এমপিও নীতিমালা ২০২১ এর ১১.৪ এবং ১১.৫ মোতাবেক বেসরকারি কলেজে এমপিওভুক্ত প্রভাষকদের মধ্যে যাদের এমপিওভুক্তির বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাদের মধ্যে নিয়োগকালীন জনবল কাঠামোর প্যাটার্ন বহির্ভূত পদে, নিয়োগের শর্ত ব্যত্যয় ঘটিয়ে নিয়োগ করা এবং জনবল কাঠামোর ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিধি-বিধান প্রতিপালন না করা ব্যক্তিদের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক/সহকারী অধ্যাপকের স্কেল প্রদান করা যাবে কিনা— এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা কামনা করে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এমতাবস্থায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠনগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ‘জনবল কাঠামোর প্যাটার্ন বহির্ভূত পদে নিয়োগের শর্ত ব্যত্যয় করে নিয়োগ করা এবং জনবল কাঠামো ও প্রাসঙ্গিক বিধি-বিধান প্রতিপালন না করা ব্যক্তিদের এমপিও দেওয়ার সঙ্গে জড়িত কর্মরত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং চাকরি থেকে অবসর গ্রহণকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।
অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, কাগজপত্রে ত্রুটি রেখে অঞ্চলিক অফিসের সঙ্গে যোগসাজশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর অবৈধ নিয়েগ পাওয়া শিক্ষক, জাল সনদ দিয়ে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক, প্যাটার্ন বহির্ভূত পদে নিয়োগ দেওয়া শিক্ষকদের এমপিও ছাড় করা হয়। এমপিও পাওয়া এসব শিক্ষকদের যখন টাইমস্কেলসহ উচ্চতর স্কেল পাওয়ার সময় হয়, তখন সমস্যা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের উচ্চতর স্কেল দেওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমতি দিলে এসব শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করা হয়। সেই সঙ্গে আর্থিক সুবিধাও নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অপরদিকে, যেসব শিক্ষক বৈধভাবে টাইমস্কেলসহ উচ্চতর স্কেল পাওয়ার যোগ্য, তাদের ফাইল পড়ে থাকে বছরের পর বছর। আর্থিক সুবিধা না দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে যোগাযোগ করা হলে— নেগিটিভভাবে ফাইল প্রস্তুত করে উচ্চতর স্কেলের জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চাওয়া হয়। অনেক সময় ভুল তথ্যের কারণে মন্ত্রণলয় থেকে উচ্চতর স্কেল দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয় না। ফলে বৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হন।
বুধবার (২৩ নভেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের উপরিচালক (কলেজ-২) এনামুল হক হাওলাদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আঞ্চলিক পরিচালক আমার চেয়ে পদে বড় তারা সুপারিশ করেন। তাছাড়া অধিদফতেরর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

ঢাবিতে বিশ্বকাপ খেলা দেখানো ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত

বার্তাকক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়(ঢাবি) ক্যাম্পাসের তিনটি স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখানো স্থগিত করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান...

মানবাধিকার কমিশনের অবৈতনিক সদস্য হলেন অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ

বার্তাকক্ষ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অবৈতনিক সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য...

একাদশে ভর্তি: ঘণ্টায় ২০ হাজার আবেদন

বার্তাকক্ষ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন কার্যক্রম বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) শুরু হয়েছে। প্রথমদিন সাড়ে ৯...