Thursday, December 1, 2022
হোম সম্পাদকীয়এ গাফিলতির দায়ভার কে নেবে?

এ গাফিলতির দায়ভার কে নেবে?

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

পুতিনের রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা দেখছে না ইউক্রেন

বার্তাকক্ষ রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতারা একটি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ৯ মাস দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান...

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য পুরস্কার পেলেন তানভীর সিকদার

পাপড়ি-করামত আলী সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন তরুণ কবি তানভীর সিকদার। তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘সেফটিপিনে গেঁথে...

১১২ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিলো ইংল্যান্ড

বার্তাকক্ষ সব শঙ্কাকে পাশ কাঁটিয়ে নির্ধারিত সময়েই পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। বৃহস্পতিবার (১...

আইজিপির নেতৃত্বে আইনের শাসনের ক্ষেত্র প্রস্তুতের আশা বিএনপি মহাসচিবের

বার্তাকক্ষ ‘রাজনৈতিক নিপীড়নমূলক বেআইনি, মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দায়ের বন্ধ করা এবং দায়েরকৃত সব...

আট বছর পর আবার ঘটল জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনা। সেবার প্রিজনভ্যান থেকে ৩ জঙ্গিকে ছিনিয়ে নিয়েছিল তাদের সহযোগীরা। এবার ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে। গত রবিবার ভরদুপুরে পুরান ঢাকার জনাকীর্ণ আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ও মাইনুল হাসান শামীমকে ছিনিয়ে নিয়েছে তাদের সহযোগীরা। দুই জঙ্গি ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগে আজিজ মার্কেটে জঙ্গিদের হাতে নিহত প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপন ও ব্লগার অভিজিত রায় হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। ডান্ডাবেড়ি ছাড়া দুর্র্ধর্ষ এসব জঙ্গিকে কীভাবে আদালতে নেয়া হলো, সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৪ সালে ময়মনসিংহ থেকে আনার পথে ত্রিশালে প্রিজনভ্যানে হামলা চালিয়ে জঙ্গিরা তাদের ৩ নেতাকে ছিনিয়ে নিয়েছিল। পুলিশি হেফাজত থেকে দুর্ধর্ষ জঙ্গি ছিনতাই কিংবা আদালত থেকে আসামি পালানোর ঘটনাগুলো আমাদের বেশ কিছু প্রশ্নের মুখোমুখি করে, সে সঙ্গে উদ্বিগ্ন করে। রবিবার আদালত পাড়ার ঘটনার পর পর আশপাশের থানা ও সীমান্তে রেড এলার্ট জারি করা হয়। জঙ্গিদের ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, বেলা ১২টার দিকে পৃথক হ্যান্ডকাপে বেঁধে দুই জঙ্গিকে আদালতে নেয়া হয়। পরে আদালত ভবন থেকে হাজতখানায় আসামিদের নেয়ার সময় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রধান ফটকের কাছে পৌঁছালে এক জঙ্গি পুলিশ কনস্টেবল এ কে আজাদের নাকে ঘুষি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাইরে থেকে আসা জঙ্গিদের সহযোগীরা দায়িত্বরত বাকি কনস্টেবলদের চোখে স্প্রে করে। পরে সহযোগীদের সহযোগিতায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে যান দুই জঙ্গি। আদালতের বাইরে আগে থেকেই কয়েকটি মোটরসাইকেল অপেক্ষা করছিল। কয়েকজনকে দ্রুত মোটরসাইকেল চালিয়ে এলাকা ত্যাগ করতে দেখা যায়। এরপর লোকজন এগিয়ে গেলে তারা একটি মোটরসাইকেল আদালতের পূর্ব পাশের জেলা পরিষদ ভবনের পাশের রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। অন্য যে কোনো ঘটনার চেয়ে এটি স্পর্শকাতর ও উদ্বেগজনক। এ ঘটনার বিস্তৃত তদন্ত হওয়া উচিত। অন্যদিকে জেএমবিসহ জঙ্গিদের তৎপর হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটেও উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া দরকার সরকারের। গত জুলাই-আগস্ট থেকে অনেক তরুণ নিখোঁজ হয়েছেন। সামনে নির্বাচনের সময়ও আসছে। দেশের দেশপ্রেম বা দেশের মুক্তিযুদ্ধ বিপক্ষ একটি গোষ্ঠী সুযোগটি কাজে লাগিয়ে কিছুটা হলেও দেশের পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নষ্ট করার জন্য এক ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। সরকারকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে গত সোমবার। পরীক্ষায় কৃতকার্য সব শিক্ষার্থীকে আমাদের...

দূর হোক পাঠ্যবই বিতরণের শঙ্কা

নতুন বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন অবস্থা কোনোভাবেই...

এ বর্বরতার শেষ কোথায়?

আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। কিন্তু তাদের ভবিষ্যৎ আমরা নিশ্চিত করতে পারছি না। শিশু...