Thursday, February 2, 2023
হোম মুক্ত ভাবনাছাত্র রাজনীতি কি প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলছে?

ছাত্র রাজনীতি কি প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলছে?

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

হজ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার অনুমতি পেলো ৭৪৭ এজেন্সি

বার্তাকক্ষ ,,চলতি বছর হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে প্রাথমিকভাবে ৭৪৭টি এজেন্সিকে অনুমতি দিয়েছে সরকার। বুধবার...

জীবননগরে পাওয়ার টিলারের চাকায় পিষ্ট হয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

জীবননগর সংবাদদাতা চুয়াডঙ্গার জীবননগরে পাওয়ার টিলারের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ গেছে গরু ব্যবসায়ীর । বৃহস্পতিবার...

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্যামনগরে ঘের ব্যবসায়ির মৃত্যু

আলমগীর হায়দার, শ্যামনগর সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ঘের ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি)...

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তামার তারসহ আটক ৩

রামপাল সংবাদদাতা বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের (বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার প্লান্ট) তামার তারসহ চোর চক্রের ৩...

ড. প্রণব কুমার পান্ডে
বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির রয়েছে একটি গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীরা যেভাবে নিজের জীবন উৎসর্গ করে দেশের জন্য কাজ করেছে তা ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়। পাকিস্তানের শাসনামলে পশ্চিম পাকিস্তানের নির্যাতন-নিপীড়নে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মুক্তির জন্য সেই সময়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতেও কুণ্ঠাবোধ করেনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে ছাত্র রাজনীতি দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরুর করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন বিধায় বাঙালি জাতির জনকের স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। খুব অল্প বয়স থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং সেই রাজনীতির হাত ধরেই তিনি একসময় জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই আজকের বাংলাদেশের ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছাত্র রাজনীতির ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। একসময় ছাত্র রাজনীতিতে নেতৃত্ব নির্বাচিত হতো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেগুলো এখন ইতিহাস হয়ে গেছে। ফলে, প্রাসঙ্গিকভাবে যে প্রশ্নটি রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং জনগণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয় তা হলো কালের বিবর্তনে ছাত্র-রাজনীতি কি তাহলে বিস্তৃতির অতল গহ্বরে হারিয়ে যাচ্ছে অথবা ছাত্র-রাজনীতি কি এর প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলছে?
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সামরিক শাসনে নিষ্পেষিত হয়েছিল দেশের জনগণ। সেই সময় সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। রাজপথ দখল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। বিভিন্ন সময়ে ছাত্র-রাজনীতির সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীরা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলছে দেশে।
এমনকি ১/১১ সরকারের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। কিন্তু সময় যতই এগিয়ে চলেছে এবং আধুনিকতা যতই রাজনীতিকে গ্রাস করছে ছাত্র-রাজনীতির ভাবমূর্তি ততই নষ্ট হচ্ছে।
তবে বিরোধী দলের তুলনায় সরকারি দলের ছাত্র রাজনীতির বিষয়টি বেশি আলোচিত হয়। কারণ, যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দলের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নেতাকর্মীরা বেশি শক্তিশালী হয়–এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে খুব স্বাভাবিক বিষয় হয়ে গেছে। সময়ের আবর্তে ছাত্র-রাজনীতি এখন একটি গোষ্ঠীর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিধায় গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে নেতা হওয়ার সুযোগ কমে যাচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পকেট কমিটির আধিক্য যোগ্য নেতৃত্বদের ছাত্র রাজনীতি সম্পর্কে অনাগ্রহী করছে। জাতীয় রাজনীতির নেতৃবৃন্দের ছাত্র রাজনীতিতে অযাচিত হস্তক্ষেপ ছাত্র রাজনীতিকে আরও কলুষিত করছে। এই নেতারা ক্ষমতাকে ব্যবহার করে নিজেদের সমর্থকদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন সেই ছাত্র নেতাদের কলুষিত করছে, ঠিক তেমনি তাদের অপকর্মের জন্য ছাত্র রাজনীতি কলুষিত হচ্ছে। আবার এমনও শোনা যায় যে বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে জাতীয় এবং স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ে ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে আসছে অনেকে। ফলে, অর্থের বিনিময়ে কেউ নেতা হলে তার প্রধান কাজ হয় যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে পদ পেয়েছে যেকোনও প্রক্রিয়ায় সে অর্থ উত্তোলন করা। আর এই কারণেই অনেক ছাত্র নেতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ পত্রিকায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে ইদানীং। ফলে, এই ধরনের নেতাদের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতির প্রকৃত উদ্দেশ্য অর্জন করা সম্ভব নয় বলেই আমার মনে হয়।
ছাত্র রাজনীতির নেতৃত্বে অছাত্র এবং বয়স্কদের আধিপত্য ছাত্র রাজনীতি প্রকৃত উদ্দেশ্যকেও কলুষিত করছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনগুলোর কমিটির দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলে অছাত্রদের আধিক্য চোখে পড়ে, যা নতুনদের ছাত্র রাজনীতির প্রতি অনাগ্রহ তৈরি করছে। তাছাড়া সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অর্থ আয়ের একটি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ছাত্র সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে প্রায় সব দলেই। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কেন্দ্র থেকে পকেট কমিটি প্রদানের সংস্কৃতি ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করছে। এমনকি অন্য দল থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন দলের এবং ছাত্র সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে, ঠিক তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র রাজনীতির প্রতি অনীহা তৈরি করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।
এ অবস্থা যে শুধু সরকারি দলের ক্ষেত্রে ঘটছে তা নয়, বিরোধী দলের ছাত্র সংগঠনের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা বিরাজমান। অতি সম্প্রতি একটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন নিয়ে পত্র-পত্রিকায় বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। পদ কিনতে বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে পদ প্রাপ্তদের যার খবরও পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
তবে অতি সম্প্রতি বিরোধী ছাত্র সংগঠনের চেয়ে সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের কার্যক্রম বেশি আলোচিত হচ্ছে। অনেকেই এই সংগঠনের পদ পদবিকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ফায়দা লুটতে বিভিন্ন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অসামাজিক কাজে জড়িত হয়ে পড়ছে। এই ধরনের কাজের মাধ্যমে তারা নিজেদের যেমন সম্মানহানি করছে, ঠিক তেমনিভাবে সেই ছাত্র সংগঠন এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে।
এই সংগঠনের নেতাকর্মীদের কার্যক্রম দেখে মাঝে মাঝে সত্যিই অবাক লাগে। বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই এই ধরনের কার্যক্রম দেখবার জন্য এই ছাত্র সংগঠন তৈরি করেছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানে নিরলসভাবে পরিশ্রম করে চলেছেন দেশকে উন্নতির চরমশিখরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, সেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন এর কিছু নেতাকর্মীর কার্যক্রম বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্র সংগঠনের আধিপত্য অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনেক ক্ষেত্রেই আবাসিক হলে সিট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। এতে প্রকৃত দরিদ্র মেধাবীরা যেমন আবাসিক হলে সিট বঞ্চিত হচ্ছে, ঠিক তেমনি সংগঠনের প্রতি অনুগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন সম্পর্কে বিরূপ মনোভাব তৈরি হচ্ছে। এমনকি অর্থের বিনিময়ে অন্য সংগঠনের শিক্ষার্থীদের কাছে হলের সিট বিক্রির খবর পত্রিকার শিরোনাম হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা ঘটবার কারণে হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষার পরিবর্তে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে বেশি মনোনিবেশ করছে বিধায় ছাত্র রাজনীতির মূল লক্ষ্য সম্পর্কে সবাই বিভ্রান্ত হতে শুরু করেছে। ফলে, সময় এসেছে ছাত্র রাজনীতি সম্পর্কে রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির রয়েছে একটি গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। ফলে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতি হতে হবে শিক্ষার্থীবান্ধব। ছাত্র রাজনীতি যেন রাজনৈতিক দলগুলোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত না হয়– এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে খেয়াল রাখতে হবে। ছাত্র সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্য প্রার্থীদের পদায়নের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
একটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুসংহত করতে হলে ছাত্র রাজনীতির গুরুত্ব অপরিসীম। ছাত্র রাজনীতির মধ্যে দিয়ে তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে। অতএব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতির চর্চা নতুন আঙ্গিকে শুরু করা অত্যন্ত প্রয়োজন। কারণ, একজন শিক্ষিত নেতা জাতির ভাগ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু সময়ের আবর্তে ছাত্র রাজনীতির মূল ভাবাদর্শ পরিবর্তিত হয়েছে। আদর্শের চেয়ে ব্যক্তিগত চাওয়া পাওয়া বেশি অগ্রাধিকার পাচ্ছে নেতাদের কাছে। এই পরিবর্তন গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে যদি এখনই লাগাম টেনে ধরা হয় না।
প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের উচিত প্রকৃত ছাত্ররা যেন ছাত্র রাজনীতি পরিচালনা করতে পারে তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। অছাত্র এবং বিবাহিতদের ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করলে প্রকৃতপক্ষে তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা ছাত্র রাজনীতির প্রতি উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে। এমনকি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকেই। রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে যদি ছাত্র সংগঠনের সব স্তরের নেতৃত্ব নির্ধারিত হয়, তাহলে যেসব প্রতিভাবান ছাত্র নেতাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ নেই তারা সবসময়ই পেছনের সারিতে থেকে যাবে। ফলে, তারা দলে এবং দেশ ও জাতি গঠনে অবদান রাখতে পারবে না। ছাত্র রাজনীতির নামে অরাজক অবস্থা চলতে থাকলে এর প্রাসঙ্গিকতা হুমকির সম্মুখীন হবে। ফলে, যত দ্রুত সম্ভব রাজনৈতিক দলগুলোকে এ বিষয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
লেখক: অধ্যাপক, লোক প্রশাসন বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

সাংস্কৃতিক বিকাশে ফেব্রুয়ারি মাসটি গুরুত্বপূর্ণ

এএইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন অনানুষ্ঠানিক আয়োজনে যেকোনো জাতির সাংস্কৃতিক বিকাশ নিষ্পত্তি হয়। অর্থাৎ অলিখিত নিয়ম...

ভাষা চেতনার মাসে আশা

ড. হারুন রশীদ বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, রাষ্ট্রভাষা এবং একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও। রক্তস্নাত...

উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া ও বিএনপির রাজনীতি

ড. মিল্টন বিশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের উপ-নির্বাচনের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া...