Wednesday, February 1, 2023
হোম অর্থনীতিবিমানের বকেয়া মওকুফের আবেদনে জ্বালানি বিভাগের ‘না’

বিমানের বকেয়া মওকুফের আবেদনে জ্বালানি বিভাগের ‘না’

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

মিয়ানমারে সেনা শাসনের দুই বছর, জনগণের নীরব প্রতিবাদ

বার্তাকক্ষ ,,দুই বছর হয়ে গেছে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের। সামরিক শাসন, গনতন্ত্রের অধিকার হরণ ও...

৭ দিনের আয়ে ইতিহাস গড়ল ‘পাঠান’

বার্তাকক্ষ ,,সমালোচকদের দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে দুর্দান্তভাবে ফিরলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। দীর্ঘ চার বছরেরও...

ফিফা কাউন্সিলের নির্বাচনে হেরে গেলেন মাহফুজা আক্তার

বার্তাকক্ষ ,,টানা তৃতীয় মেয়াদে ফিফার কাউন্সিল মেম্বার হওয়া হলো না মাহফুজা আক্তার কিরণের। টানা...

আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী না : ঢাবি অধ্যাপক

বার্তাকক্ষ ,,পাঠ্যবই সংশোধনী কমিটিতে সদস্য হিসেবে কাজ করার কোনো আগ্রহ নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা...

বার্তাকক্ষ পাওনা পরিশোধ করতেই হবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে। এ কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। বাকিতে জ্বালানি তেল নিয়ে দুই হাজার ১০০ কোটির বেশি টাকা পরিশোধ করেনি বিমান। এখন এসে বাকির টাকা মাফ করে দিতে বলছে। কিন্তু বিপিসির তরফ থেকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এভাবে টাকা মাফ করে দেওয়ার কোনও বিধান নেই।জ্বালানি বিভাগ সূত্র বলছে, বিমানের কাছে কত টাকা পাওয়া যাবে এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগের পরবর্তী সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছেন জ্বালানি সচিব মাহবুব হোসেন।
জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, বিমানের তরফ থেকে সম্প্রতি আমাদের কাছে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে বিমানের সব বকেয়া মওকুফ করে দিতে হবে। বিমান এবং বিপিসির যে কোম্পানি বিমানকে জেট ফুয়েল সরবরাহ করে তারা দুটি ভিন্ন কোম্পানি। ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন। তেল বিক্রিতে এই কোম্পানি লোকসান করে দেউলিয়া হলে বিমান কি এই কোম্পানির দায়িত্ব নেবে? নেবে না নিশ্চয়ই। তাহলে বিমানের দায়িত্ব কেন আমরা নিতে যাবো
তিনি বলেন, সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে লোকসান না করে এজন্য কোম্পানি করে দেওয়া হয়েছে। এখন এক কোম্পানির লোকসানের দায় তো অন্য কোম্পানি নিতে পারে না।
ফেব্রুয়ারি ২০১১ থেকে অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত বিমানের কাছে তেল বিক্রি বাবদ বকেয়া পাওনা ছিল দুই হাজার ১০৮ কোটি ২০ লাখ টাকা। এরমধ্যে নানা দেনদরবারের পর একবার ২০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা পরিশোধ করে তারা। কিন্তু এরপর আবার টালবাহানা শুরু করে বিমান।
জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিমানে প্রতিদিন প্রায় ১৩০০ থেকে ১৪০০ টন জ্বালানি সরবরাহ করা হয়ে থাকে। সেই হিসাবে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি টাকার ওপরে তেল নিয়ে থাকে বাংলাদেশ বিমান।
প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় কোম্পানি পদ্মা অয়েল বিমানের জেট ফুয়েল সরবরাহ করে। তাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ৩০০ কোটি টাকার বেশি জেট ফুয়েল কেনে বিমান। তবে বিভিন্ন সময়ে লোকসানের কথা বলে জেট ফুয়েলের দাম বকেয়া রেখেছে তারা। বিপুল পরিমাণ বকেয়ার জোগান এসেছে দেশীয় ব্যাংক থেকে। ঋণের টাকায় কেনা এই তেলের দাম পরিশোধ না করায় পদ্মা অয়েলকে ব্যাংক ঋণের সুদও গুনতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গত ফেব্রুয়ারিতে একবার জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল জ্বালানি বিভাগ। এরপর নানা প্রতিশ্রুতির পর এই নির্দেশনা কার্যকর করা হয়।
এর আগে বিমানের কাছে পাওনা আদায়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন এবং পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক করে জ্বালানি বিভাগ। সরকারি জ্বালানি বিভাগ থেকে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও জানানো হয়। কিন্তু তাতেও পাওনা পরিশোধ করেনি বিমান। গত মার্চে একবার বিমানের তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিল জ্বালানি বিভাগ। কিন্তু রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী উড়োজাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বিমান নানা দেনদরবার করে ওই আদেশ স্থগিত করে।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

এক কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার

বার্তাকক্ষ ,,স্পট মার্কেট থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।...

১৭ কারখানাকে তিন মাসের আলটিমেটাম

বার্তাকক্ষ ,,নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে পাঁচ হাজার ২০৬টি কারখানা পরিদর্শন করে ১৭টিকে তিন মাসের আলটিমেটাম...

টিসিবির জন্য কেনা হচ্ছে ১৯৪ কোটি টাকার সয়াবিন তেল

বার্তাকক্ষ ,,ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য এক কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল...