Tuesday, February 7, 2023
হোম আন্তর্জাতিকআমেরিকার দুর্গমতম শহরটি রাশিয়ার সবচেয়ে কাছে...

আমেরিকার দুর্গমতম শহরটি রাশিয়ার সবচেয়ে কাছে…

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

উন্মুক্ত হোক মালয়েশিয়া শ্রমবাজার

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে দীর্ঘসময় জটিলতা চলছে। বারবার উদ্যোগ নিলেও ফলপ্রসূ হচ্ছে না। দুদিনের সফরে...

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ফল প্রকাশ

বার্তাকক্ষ ,,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২০ সালের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষ চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ...

আশংকাজনক হারে বাড়ছে মুখের ক্যান্সার

বার্তাকক্ষ ,,বিশ্বে ক্যান্সারে মোট মৃত্যুর কারণের মধ্যে মুখের ক্যান্সার নবম। বিশ্বে সকল ক্যান্সারের মধ্যে...

১২ দিনেই শাহরুখের পাঠানের আয় ৮৩২ কোটি রুপি

বার্তাকক্ষ ,,চার বছর পর ফিরেই একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছেন শাহরুখ খান। তার...

বার্তাকক্ষ ,, আয়তনে তিন বর্গ মাইলেরও কম। যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার বেরিং স্ট্রেইটের মাঝখানে অবস্থিত, চারপাশে সমুদ্র এবং যার মাত্র ২.৪ কিলোমিটার দূরেই রাশিয়ার বিগ ডায়োমেড। বলছি আমেরিকার সবচেয়ে দুর্গম দ্বীপ লিটল ডায়োমেড এর কথা।
আলাস্কা এবং সাইবেরিয়ার মধ্যবর্তী বেরিং প্রণালীতে বিগ ডায়োমেড এবং লিটল ডায়োমেড দুটি দ্বীপ।বিগ ডায়োমেড রাশিয়ার এবং লিটল ডায়োমেড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্গত। দ্বীপগুলো আন্তর্জাতিক সীমানা হিসাবে কাজ করে।
আজ বলছি যুক্তরাষ্ট্রের লিটল ডায়োমেড দ্বীপের কথা। বর্তমানে সেখানে যেসব আমেরিকানরা বসবাস করেন তারা বাড়ির জানালা দিয়ে রাশিয়াকে দেখতে পান। দ্বীপ দুটির মধ্যে দূরত্ব মাত্র ২.৪ মাইল। সেখানে সময়ের পার্থক্য ২৩ ঘণ্টা।
৩০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে বসবাসরত ইনুপিয়াত সম্প্রদায় লিটল ডায়োমেডে বেঁচে থাকতে তিমি, ওয়ালরাস, মেরু ভালুক এবং সীল শিকার করে আসছে। সেখানের আবহাওয়ার সঙ্গে নিজেদের টিকিয়ে রেখেছে। গ্রীষ্মের সময় সেখানে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়েসে ঠেকে।
আর শীতকালে বরফ শীতল পরিবেশঅ তাপমাত্রা নেমে আসে -১৪ ডিগ্রি সেলসিয়েসে। যার অর্থ বেরিং স্ট্রেইট সাধারণত ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে হিমায়িত অবস্থায় থাকে।
শীতের মাসগুলোতে বসবাসরত সম্প্রদায় ভাল্লুকের আক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে বার্ষিক ‘পোলার বিয়ার ওয়াচ’-এ অংশ নেয়। দ্বীপটিতে মাত্র একটি স্কুল, একটি লাইব্রেরি এবং একটি হেলিপোর্টসহ প্রায় ৩০টি বিল্ডিং রয়েছে। বেশিরভাগই ১৯৭০ এবং ৮০ এর দশকে নির্মিত। সেখানে বিস্তীর্ণ পাথুরে ল্যান্ডস্কেপ মানে কোনো কবরস্থান নেই, নেই কোনো রাস্তা নেই এবং নতুন বিল্ডিং এর জন্য কোনো জায়গাও নেই।
ওই দ্বীপে কোন ব্যাঙ্ক বা রেস্তোরাঁ নেই এবং দোকানে শুধুমাত্র অল্প খাদ্য, পোশাক, আগ্নেয়াস্ত্র এবং জ্বালানী রয়েছে। সাপ্তাহিক চিঠি দেওয়া হয় হেলিকপ্টার দিয়ে এবং দোকানে জিনিস সংগ্রহ করা হয় বছরে একবার। বেশিরভাগ সরবরাহ বছরে মাত্র একবার বার্জ ডেলিভারি থেকে আসে।
কিন্তু জীবনযাত্রার খরচ সেখানে আকাশছোঁয়া। সবাই খালি পায়েই সেখানে হাঁটে।
লিটল ডাইওমেড দ্বীপটির একটি বিদ্যালয় প্রতিদিন বিকেলে কয়েক ঘন্টার জন্য ওয়াইফাই চালু করে এবং শিশুরা তখন সেখানে জড়ো হয়। কিন্তু সেখানে গিয়ে থাকার উপায় নেই কারণ কোনো হোটেল নেই। কোনো পর্যটক সেখানে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে থাকতে হয়।
সূত্র : দ্য সান।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

ইসরায়েলের কাছে ত্রাণ চেয়েছে সিরিয়া, দাবি নেতানিয়াহুর

বার্তাকক্ষ ,,ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ত্রাণ সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছে...

তুুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬০০

বার্তাকক্ষ ,,তুরস্ক ও সিরিয়ায় আঘাত হানা ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ছয়শ মানুষের...

তুরস্কে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১০ হাজার

বার্তাকক্ষ: তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে...