Thursday, February 2, 2023
হোম অর্থনীতিঝিনাইদহ কৃষি ব্যাংক: ঋন নিয়েছে ৪৫ হাজার নোটিশে ৭৫ হাজার টাকা!

ঝিনাইদহ কৃষি ব্যাংক: ঋন নিয়েছে ৪৫ হাজার নোটিশে ৭৫ হাজার টাকা!

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

লন্ডভন্ড করপোরেট সাম্রাজ্য আদানি গ্রুপের ভবিষ্যৎ কী?

বার্তাকক্ষ ,,আক্রমণের মুখে পড়া গৌতম আদানির জন্য নতুন কিছু নয়। ১৯৯৮ সালে ভারতীয় এ...

সোনার বাটি-চামচে রাজ্যের মুখেভাত, যা জানালেন পরীমণি

বার্তাকক্ষ ,,ঢাকাই সিনেমার তারকা দম্পতি রাজ-পরীমণি। গত ১০ আগস্ট তাদের কোলজুড়ে এসেছে পুত্রসন্তান। সন্তানের...

ফেব্রুয়ারির পূর্বাভাস শীত কেটে তাপমাত্রা বাড়বে, শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রঝড়ের শঙ্কা

বার্তাকক্ষ ,,চলতি মাসে দুটি মৃদু বা মাঝারি ধরনের শৈত‌্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। মাসের দ্বিতীয়ার্ধে...

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তেই নতুন শিক্ষাক্রম : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক যশোরে শুরু হয়েছে ৬দিন ব্যাপী ৫১তম শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। আজ সকাল ১১টায়...

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
২০১৭ সালে কৃষক মহিউদ্দীন ঋন নিয়েছিলেন ৪৫ হাজার টাকা। গত বছরের ৭ নভেম্বর ঝিনাইদহ কৃষি ব্যাংক থেকে নোটিশ আসে ৭৫ হাজারের। অনেকের ঋন না জানিয়ে আবার রিকোভারি দেখিয়ে নতুন ঋন তোলা হয়েছে। এ ভাবেই কৃষি ব্যাংক ঝিনাইদহ শাখা থেকে ঋণ নিয়ে গ্যাড়াকলে পড়েছেন সদর উপজেলার গান্না এলাকার প্রায় শতাধিক কৃষক। ২০১৭ সালের আগে যারা এই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলেন, ২০১৮ সালে তাদের না জানিয়ে রিকোভারি দেখানো হয়েছে। তখন কৃষকরা যে পরিমাণ ঋণ নিয়েছিলেন, বর্তমানে তাদের বাড়িতে পাঠানো ঋণ খেলাপির নোটিশের সাথে কোন মিল নেই। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, পোস্ট অফিসের মাধ্যমে ঋণ গ্রহীতাদের বাড়িতে চুড়ান্ত নোটিশ পাঠায় ঝিনাইদহ কৃষি ব্যাংক। বিশেষ করে গান্না-মহারাজপুর এলাকার ঋণ গ্রহীতাদের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চান্দেরপোল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মহিউদ্দিন ২০১৭ সালে কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ছিলেন ৪৫ হাজার টাকা। গত ৭ ডিসেম্বর ব্যাংক থেকে ইস্যু করা নোটিশে ঋণের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৭৫ জাহার টাকা। যা পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯। এই তারিখের মধ্যে পরিশোধ না করায় বর্তমানে সুদ-আসলে তার পরিশোধিত টাকার পরিমাণ দেখানো হয়েছে এক লাখ ৪১ হাজার ৭৪৩ টাকা। চান্দেরপোল গ্রামের নবীছদ্দিনের ছেলে ইদবার আলী ২০১০ সালে ৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। বর্তমানে তার সুদ-আসলে টাকার পরিমাণ দাড়িয়েছে ৫৫ হাজারে। চান্দেরপোল গ্রামের মৃত ওসমান আলীর ছেলে তাজ উদ্দীন, ছানারদ্দিন বিশ^াসের ছেলে হেলাল উদ্দিন, জলিল মন্ডলের ছেলে আলম হোসেন, আব্দুল কাদেরের ছেলে তবিবার ও তাইজেলসহ গান্না ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ঋণ গ্রহীতাদের ঋনের সঙ্গে নোটিশের কোন মিল নেই। কৃষক তাজ উদ্দীন ও মহি উদ্দীনের ব্যাংকে ঋণের কাগজ পত্রে দেখা যায়, তাদের ঋণ ২০১৮ সালে রিকোভারি করা হয়েছে। কিন্তু এই রিকভারির খবর তাদের জানা নেই। তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার ও মতিয়ার রহমান এই টাকা রিকোভারি দেখান। অভিযোগ উঠেছে রিকোভারির সময় ঋণের পরিমাণ বাড়িয়ে সেই টাকা তারা আত্মসাৎ করেছেন। এর মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার অবসরে চলে গেছেন। মতিয়ার রহমান করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বর্তমানে এই এলাকায় তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন এহিয়া নামের আরেক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, আগের তদন্ত কর্মকর্তা কি করেছেন আমি বলতে পারবো না। কাগজপত্রে যে টাকা রয়েছে সেটায় গ্রহীতাকে দিতে হবে। বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থাপক শাহাবুদ্দীন বলেন, নোটিশে মামলার খরচ, আসল ঋণ, সুদের পরিমাণ, প্রচারণার খরচ যোগ করে পাঠানো হয়েছে। মামলার আগেই পরিশোধ করলে মামলার খরচ ও প্রচারণার খরচ বাদে শুধু সুদসহ ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

 

 

 

 

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

ফেব্রুয়ারির পূর্বাভাস শীত কেটে তাপমাত্রা বাড়বে, শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রঝড়ের শঙ্কা

বার্তাকক্ষ ,,চলতি মাসে দুটি মৃদু বা মাঝারি ধরনের শৈত‌্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। মাসের দ্বিতীয়ার্ধে...

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তেই নতুন শিক্ষাক্রম : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক যশোরে শুরু হয়েছে ৬দিন ব্যাপী ৫১তম শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। আজ সকাল ১১টায়...

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৈন্যদশা, শিক্ষার্থী ৮ শিক্ষক ২

মোরেলগঞ্জ সংবাদদাতা বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দিন দিন কমে যাচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের...