Wednesday, February 8, 2023
হোম অর্থনীতিবন্দরের অর্ধেক জেটি ফাঁকা

বন্দরের অর্ধেক জেটি ফাঁকা

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে জিপিএ-৫ উৎসব শুরু

বার্তাকক্ষ ,,গাজীপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা শুরু হয়েছে। আজ...

পাকিস্তানে বাস-কার সংঘর্ষে নিহত ৩০

বার্তাকক্ষ ,,পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে বাস ও কারের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।...

করোনাভাইরাস ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুতে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র, সংক্রমণে জাপান

বার্তাকক্ষ ,,মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৭২৬ জন এবং...

প্রধানমন্ত্রীর কাছে এইচএসসির ফল হস্তান্তর

বার্তাকক্ষ ,,২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে...

বার্তাকক্ষ ,, ♦ চট্টগ্রাম বন্দরে ১৮ জেটির ৭টি ফাঁকা ♦ ফাঁকা থাকার কারণ বলা হচ্ছে পণ্য ওঠানামায় বন্দরের দক্ষতা বৃদ্ধি ♦ প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ একক কনটেইনার ওঠানামা
বছরের শুরুতেই দেশের প্রধান চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে অন্তত সাতটি জেটি ফাঁকা পড়ে আছে। এরই মধ্যে খোলা পণ্য নামানোর জেটি যেমন আছে, তেমনি আছে কনটেইনার জেটিও। বহির্নোঙরে পণ্যবাহী জাহাজ অপেক্ষমাণ না থাকায় বন্দরের ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ জেটির মধ্যে সাতটিই এখন জাহাজের অপেক্ষায় বসে আছে।
প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ একক কনটেইনার ওঠানামা দিয়ে ২০২২ সাল শেষ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর।
আগের বছরের তুলনায় ২ শতাংশ কনটেইনার ওঠানামা কমেছে এই বন্দরে। আর খোলা পণ্য ওঠানামা বেড়েছে আড়াই শতাংশ। এর মধ্য দিয়ে জাহাজজট ছাড়াই নতুন বছর শুরু করল এই সমুদ্রবন্দর।তাহলে কি বন্দরে পণ্য ওঠানামা কমেছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পণ্য ওঠানামা কমেছে কি না সেটি জানতে মাসের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আর জেটি ফাঁকা থাকার মূল কারণ হচ্ছে, পণ্য ওঠানামায় বন্দরের দক্ষতা বৃদ্ধি। দ্রুততম সময়ে জাহাজে পণ্য ওঠানামা শেষ করায় বেশি জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হচ্ছে। আর এতে কনটেইনার জাহাজকে অপেক্ষমাণ থাকতে হচ্ছে না। ’
তিনি বলেন, কনটেইনার জাহাজ চট্টগ্রামে আসার একটা প্রবাহ থাকে; কখনো একসঙ্গে বেশ কয়েকটি জাহাজ আসে, আবার কখনো বহির্নোঙর ফাঁকা থাকে। একই সঙ্গে খোলা পণ্যবাহী জেটি ফাঁকা থাকার মূল কারণ হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় আমদানি কমে যাওয়া।চট্টগ্রাম বন্দরে সাধারণ পণ্যবাহী এবং কনটেইনার জেটি মিলিয়ে মোট ১৮টি জেটি আছে। অথচ এই টার্মিনালটি চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকে।
টার্মিনাল অপারেটর সাইফ পাওয়ারটেকের চিফ অপারেটিং অফিসার ক্যাপ্টেন তানভীর হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গত ছয় মাসে প্রতিটি কনটেইনার জাহাজ পণ্য নামিয়ে, রপ্তানি পণ্য উঠিয়ে ৪০ ঘণ্টার মধ্যে বন্দর ছেড়েছে। যেটি ছয় মাস আগে ছিল ৪৮ ঘণ্টা, এক বছর আগে ছিল ৬০ ঘণ্টারও বেশি।
তিনি বলেন, আধুনিক যন্ত্রপাতি যোগ করে, বন্দরের নিজস্ব কৌশল প্রয়োগ করে পণ্য ওঠানামায় সময় অনেক কমিয়ে আনায় এই সুফল মিলছে। এ কারণে অনেকগুলো জাহাজ তাদের আগের শিডিউল ঠিক রাখতে পারছে না। ফলে জেটি ফাঁকা থাকছে। এর সুফল কিন্তু বন্দর ব্যবহারকারীরাই ভোগ করছেন।
জানা গেছে, এক বছর আগেও একটি কনটেইনার জাহাজকে তিন দিন অর্থাৎ ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকেই বন্দর জেটিতে ঢুকতে হতো। বিদেশি শিপিং লাইনগুলো চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখে জাহাজ ভাড়া নিতে এই তিন দিন সময় বিবেচনায় নিয়েই হিসাব-নিকাশ করত। এখন তাদের অনেক সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর টার্মিনাল অপারেটর, বার্থ অপারেটর ও শিপ হ্যান্ডলিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মশিউল আলম স্বপন বলেন, ‘এখন চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজজট নিয়ে ব্যবহারকারীদের অভিযোগ নেই। পণ্য ওঠানামায় ব্যবহারকারীদের যে সাশ্রয় হচ্ছে সেই অর্থ অবশ্যই পণ্য উৎপাদন খরচে সাশ্রয় হচ্ছে। ’

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

বিমানের হিসাব নিয়ন্ত্রক দেখালেন আয়, উল্টো ক্ষতি হাজার কোটি

বার্তাকক্ষ ,,কোনও উড়োজাহাজ লিজ নিতে হলে দরপত্র আহ্বান করে প্রফিট্যাবিলিটি স্টেটমেন্ট, ফিজিক্যাল ইন্সপেকশন, এয়ারওর্দিনেস...

বিজিএমইএ সভাপতি পরিবহনকালে চুরি হয়েছে শত কোটি টাকার পোশাক পণ্য

বার্তাকক্ষ ,,পোশাক শিল্পের শত শত কোটি টাকার রপ্তানিযোগ্য পণ্য কাভার্ডভ্যান থেকে চুরি হয়েছে বলে...

সংসদে অর্থমন্ত্রী এক অর্থবছরে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৪০ হাজার কোটি

বার্তাকক্ষ ,,২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় (ভ্যাট) প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা...