Wednesday, February 8, 2023
হোম আইন আদালতনামের মিলে বুয়েট প্রকৌশলীকে খুঁজছে পুলিশ, তদন্তের নির্দেশ

নামের মিলে বুয়েট প্রকৌশলীকে খুঁজছে পুলিশ, তদন্তের নির্দেশ

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী পাসের হারে মেয়েরা এগিয়ে, ছেলেদের আরও মনোযোগী হতে হবে

বার্তাকক্ষ ,,২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ...

ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৮০

বার্তাকক্ষ ,,উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা শিক্ষা...

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে জিপিএ-৫ উৎসব শুরু

বার্তাকক্ষ ,,গাজীপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা শুরু হয়েছে। আজ...

পাকিস্তানে বাস-কার সংঘর্ষে নিহত ৩০

বার্তাকক্ষ ,,পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে বাস ও কারের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।...

বার্তাকক্ষ ,, এলাকা ও নামের মিল থাকায় বুয়েট থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পাস করা প্রকৌশলী মো. রাকিবুজ্জামান খানকে পুলিশ কর্তৃক খুঁজে বেড়ানোর ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।তিন মাসের মধ্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও নরসিংদীর পুলিশ সুপারকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রকৌশলী মো. রাকিবুজ্জামান খানকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এ ঘটনার তদন্ত চেয়ে ওই প্রকৌশলীর আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (২৩ জানুয়ারি) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এসব আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ফয়সাল হাসান আরিফ।
এর আগে একটি রিভলবার ও ৫ রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিনসহ তিন আসামিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৯৯৯ সালের ১৬ আগস্ট মোহাম্মদপুর থানায় তিন জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করে পুলিশ। ওই মামলার এক নম্বর আসামি করা হয় এস এম রাকিবুজ্জামান ওরফে রাকিব নামের নরসিংদীর এক ব্যক্তিকে। অপর দুই আসামি হলো মো. সালাউদ্দিন ও কামরুল রহমান ওরফে মনির।
এজাহারভুক্ত আসামি এস এম রাকিবুজ্জামান ওরফে রাকিবের নামের সঙ্গে চার্জশিটে মিঠু শব্দ যুক্ত করা হয়। তার বাবার নাম ডা. মো. কামরুজ্জামান খান ওরফে হিরু। বিচার শুরুর পর ২০০৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি জামিনে মুক্তি পান আসামি রাকিব ওরফে মিঠু। জামিন নিয়ে পালিয়ে যায় মিঠু।
এরপর ২০১৪ সালের ১৩ জুলাই ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ১ম আদালত এবং মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলায় রাকিবসহ তিন আসামিকেই অস্ত্র আইনের দুটি ধারায় ‘ডাবল’ যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। সব আসামি পলাতক থাকায় সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এখন এই মামলায় প্রকৃত আসামি রাকিবের পরিবর্তে প্রকৌশলী মো. রাকিবুজ্জামান খানকে খুঁজছে পুলিশ। এমন অভিযোগ এনে প্রকৌশলী মো. রাকিবুজ্জামান খান চিঠি দিয়েছিলেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে। চেয়েছিলেন তদন্ত। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় রিট করেন হাইকোর্টে।
প্রকৌশলী রাকিবুজ্জামানের দাবি, তার বাবার নাম মো. কামরুজ্জামান খান। বাবার নামের সঙ্গে আসামি ও আসামির বাবার নাম হুবহু এক নয়। আসামির গ্রামের ঠিকানায় সৈয়দ বাড়ি উল্লেখ আছে। আর তার বাড়ি হচ্ছে খানবাড়ি। দুজনের গ্রামের নাম এক হলেও বাড়ি ও বংশ ভিন্ন।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

ঢাকার দুই মেয়র-রাজউক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

বার্তাকক্ষ ,,রাজধানী ঢাকার রাস্তা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও গাড়ি পার্কিং বন্ধে রায় দিয়েছিলেন...

শ্রম আদালতে ২৪ হাজার মামলা, দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ মন্ত্রণালয়ের

বার্তাকক্ষ ,,শ্রম আদালতে বছরের পর বছর চলমান মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে...

ফারদিন হত্যা: বুশরাকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন

বার্তাকক্ষ ,,বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ (২৪) হত্যা মামলায় বান্ধবী আমাতুল্লাহ...