Wednesday, February 8, 2023
হোম জাতীয়শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর বাদ দেওয়া ছবি নতুন পাঠ্যবইয়ে

শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর বাদ দেওয়া ছবি নতুন পাঠ্যবইয়ে

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

৩ বিভাগে হালকা বৃষ্টি হতে পারে

বার্তাকক্ষ ,,তিন বিভাগে (রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট) হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে...

৩৩ ঘণ্টা পর ৪ বছরের শিশু জীবিত উদ্ধার

বার্তাকক্ষ: তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে স্মরণকালের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ পর্যন্ত ৮ হাজার ২০০...

চীনা বেলুনটি সামরিক ছিল

বার্তাকক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, গত শনিবার চীনা যে বেলুন ভূপাতিত করা হয়েছে, সেটি একটি সামরিক বেলুন।...

বেসরকারি কলেজ উন্নয়ন প্রকল্প বারবার মেয়াদ বাড়ায় অসন্তোষ, কঠোর হচ্ছে আইএমইডি

বার্তাকক্ষ ,,শিক্ষার মানোন্নয়নে নির্বাচিত দেড় হাজারের বেশি বেসরকারি কলেজকে প্রযুক্তিগত সুবিধার আওতায় আনতে চায়...

বার্তাকক্ষ ,, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরীর বাদ দেওয়া ছবি পাঠ্যবইয়ে ছাপা হয়েছে। বিষয়টি ইচ্ছাকৃত নাকি গাফিলতি— তা খুঁজে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের শর্ষের ভেতরে ভূত আছে কিনা, তা খুঁজে দেখবে আরেকটি বিশেষজ্ঞ কমিটি।’মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ‘নতুন শিক্ষাক্রম বিষয়ক’ সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দুটো কমিটি করেছি। কমিটিকে সব অভিযোগ, পরামর্শ, ভুলভ্রান্তি দেখিয়ে দেওয়া, সব কিছু লিংকের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন। এই বিশেষজ্ঞ কমিটিতে সব ধরনের বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। ভাষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। তারা দেখবেন, দেখে যা গ্রহণীয় তার সবকিছু গ্রহণ, পরিমার্জন ও সংশোধন করে নেবেন। আরেকটি কমিটি গঠন করছি, আমাদের মধ্যে শর্ষের ভেতর ভূত আছে কিনা, সেটি দেখার জন্য তারা কাজ করবে। যদি প্রমাণিত হয় কোথাও কারও গাফিলতি ছিল, কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে হয়েছে কিনা। আমরা দুজন মিলে (শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী) যেসব ছবি বাদ দিয়েছিলাম, সেই ছবিও কোথাও কোথাও থেকে গেছে। সে কারণে দেখবো— গাফিলতির কারণে হয়েছে, নাকি ইচ্চাকৃত হয়েছে, সেগুলোও বের করা দরকার। যদি প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে নিশ্চয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এনসিটিবির দোষীদের চিহ্নিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে যার দরকার পড়বে এবং এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েরও হয়তো প্রতিনিধি থাকবেন বলে জানান দীপু মনি। তিনি বলেন, ‘আগামী রবিবারের মধ্যে দুই কমিটির বিস্তারিত (প্রতিবেদন) জানানো হবে।’পাঠ্যবইয়ে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে অপ্রচার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ইসলাস ধর্ম হোক বা অন্য কোনও ধর্ম বিশ্বাস হোক, কোনও ধর্ম বিশ্বাসে আঘাত করা আমাদের কাজ নয়। ’
পাঠ্যবই নিয়ে অপপ্রচার সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কিছু দিন আগে একটি ভিডিও চালু করেছিল, সেখানে বলা হয়েছিল যে, আমাদের কোনও কোনও শ্রেণির বই থেকে আমাদের নবীজী হযরত মুহম্মদ (সা.) এর জীবনী সরিয়ে ফেলা হয়েছে। খলিফাদের জীবনী সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং সেখানে ভিন্ন ধর্মের নানা কাহিনি নিয়ে আসা হয়েছে। সেটি যখন আমাদের নজরে এসেছে, আমরা সঙ্গে সঙ্গে ভিডিও করে সেই বইগুলোর বিষয়ে জবাব দিয়েছি। এক্ষেত্রে আমরা নিষ্ক্রিয় এটি আমরা বলবো না, আমাদের হয়তো আরও তৎপর হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে পরিমাণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিরোধী, তারা বিজ্ঞান প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে এই অপ্রচারগুলো করে থাকে। কিন্তু আমরা সেই আলোচনায় যেতে চাই না, এটি নিশ্চয় গর্হিত কাজ, আর সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার লোকজন আছে।’
‘পাঠ্যবই নিয়ে যারা অপপ্রচার এবং বিবর্তনবাদ বই থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কমিটি গঠন করছি, সঠিকভাবে বিজ্ঞান প্রতিফলিত হয়েছে কিনা, কোনও ছবি যদি থাকে, সেটা আদৌও সঠিক ছবি কিনা, অনেক সময় অনেক বিষয় আছে— যেটার প্রয়োজন নেই। কাল্পনিক ছবি হয়তো তার প্রয়োজন নেই। এরকম নানা বিষয় থাকতে পারে, বিশেষজ্ঞ কমিটি সংশোধন করবে। কারা কী বললো, করলো তাদের পাল্টা আক্রমণের চেয়ে আমি মনে করি, আমরা কোথায় ভুল করেছি, আমরা আমাদের সংশোধনের বিষয়ে বেশি আগ্রহী। কেউ কেউ আছেন অন্ধকারে ঢিল মারছেন, হয়তো বই পড়ে দেখেননি কী আছে? কিংবা যারা ইচ্ছাকৃতভাবে এগুলো করছেন, সেসব বিষয় দেখার জন্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থা থেকে শুরু করে দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা রয়েছেন, আপনারা (সাংবাদিক) রয়েছেন, সেগুলো সবাই দেখবেন। আমাদের কাজ আপাতত যেখানে যেখানে ভুল রয়েছে, সেগুলো সংশোধন করা। শিক্ষার্থীদের হাতে সঠিক তথ্যটি তুলে দেওয়া। আপত্তিকর, অস্বস্তিকর কিছু না থাকে, সেরকম করে বইগুলো শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিতে পারি। কোথাও কোনও গাফিলতি বা ইচ্ছাকৃত ভুল রয়েছে কিনা, নেতিবাচক কোনও কর্মকাণ্ড ছিল কিনা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেবো।’
পাঠ্যবই প্রকাশের আগে ওয়েবসাইটে দেওয়া যায় কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পাঠ্যবইয়ের যত সংশোধনী আসবে কমিটির মাধ্যমে সেগুলো সংশোধন করা হবে। যত প্রস্তাবনা আসবে সেগুলো বিশেষজ্ঞরা বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেবেন। আর পরবর্তী বছর যে বইগুলো আসছে, সেগুলো প্রণয়নের কাজ শুরু হয়ে গেছে। সেগুলো আপনাদের পরামর্শ মতো সেই বইগুলো দিতে পারি কিনা? দেখি ছাপানোর আগে দিতে পারি কিনা, আমরা দেখবো।’ পাট্যবইয়ে ভুলভ্রান্তি ধরিয়ে দিতে সবাইকে আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. কামাল হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

৩ বিভাগে হালকা বৃষ্টি হতে পারে

বার্তাকক্ষ ,,তিন বিভাগে (রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট) হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে...

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮৫.৯৫

বার্তাকক্ষ: এবারের উচ্চ-মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ।...

প্রধানমন্ত্রী পাসের হারে মেয়েরা এগিয়ে, ছেলেদের আরও মনোযোগী হতে হবে

বার্তাকক্ষ ,,২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ...