Wednesday, February 8, 2023
হোম চিত্র বিচিত্র১১৫ বছর বয়সী মারিয়ার গিনেস রেকর্ড

১১৫ বছর বয়সী মারিয়ার গিনেস রেকর্ড

Published on

সাম্প্রতিক সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী পাসের হারে মেয়েরা এগিয়ে, ছেলেদের আরও মনোযোগী হতে হবে

বার্তাকক্ষ ,,২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ...

ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৮০

বার্তাকক্ষ ,,উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা শিক্ষা...

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে জিপিএ-৫ উৎসব শুরু

বার্তাকক্ষ ,,গাজীপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা শুরু হয়েছে। আজ...

পাকিস্তানে বাস-কার সংঘর্ষে নিহত ৩০

বার্তাকক্ষ ,,পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে বাস ও কারের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।...

বয়স একটি সংখ্যা মাত্র। বয়স বাধা হতে পারে না কোনো কিছুতেই। ১১৫ বছর বয়সী মারিয়া ব্রানিয়াস মোরেরা সরব সোশ্যাল মিডিয়ায়। আনন্দ করছেন পরিবারের সঙ্গে। খোঁজ খবর নিচ্ছেন বন্ধুদের এবং মোটিভেশন করছেন তার অনুসারীদের। সম্প্রতি গিনেস বুক অব রেকর্ডসেও নাম উঠেছে তার।
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী তিনি। কিছুদিন আগেই ফ্রান্সের ১১৮ বছর বয়সী লুসিল র্যান্ডনের মৃত্যুর পর গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের তালিকায় মোরেরার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি এখন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত নারী এবং সবচেয়ে বেশি বয়সের মানুষ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তার সম্পর্কে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করেছে। এমনকি নিজের রেকর্ডের কথা নিজেই টুইট করে জানিয়েছেন মারিয়া তার অনুসারীদের।
এই খবরে মারিয়ার পরিবার, বন্ধু এবং অনুসারীরাও খুশি। মেয়ের সাহায্যে টুইটারে সরব থাকেন মারিয়া। মাঝে মধ্যেই মারিয়া তার অনুসারীদের কীভাবে আনন্দ নিয়ে বাঁচা যায় সে ব্যাপারে পয়ামর্শ দিয়ে থাকেন। তার মতে, দীর্ঘায়ু প্রথমত সৌভাগ্যের এবং জেনেটিক্সের ব্যাপার। তবে শৃঙ্খলা, শান্তি, পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে ভালো সংযোগ, প্রকৃতির সঙ্গে যোগাযোগ, মানসিক স্থিতিশীলতা, উদ্বেগ এবং অনুশোচনা না করা, প্রচুর পজিটিভিটি এবং বিষাক্ত মানুষ থেকে নিজেকে দূরে রাখা এইসব তার দীর্ঘায়ুর রহস্য।
১৯০৭ সালে ৪ মার্চ ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোতে মারিয়া মোরেরার জন্ম। ১৯৩১ সালে তিনি বিয়ে করেছিলেন এবং তার তিনটি সন্তান, ১১ জন নাতি-নাতনি এবং ১৩ জন পরনাতি-পরনাতনি রয়েছে। তবে স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি চলে আসেন স্পেনে এবং কাতালোনিয়াতে বসতি স্থাপন করেন। এটি একটি নার্সিং হোম। সেখানে তিনি গত ২২ বছর ধরে আছেন।
মারিয়া প্রথম এবং দ্বিতীয় উভয় বিশ্বযুদ্ধ, স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ এবং স্প্যানিশ ফ্লু মহামারির সাক্ষী। সেখান থেকে বেঁচে গিয়েছেন ভাগ্যের জোরে। এমনকি তার ১১৩ তম জন্মদিন উদযাপনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরে ২০২০ সালে তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। তবে এবারও তিনি খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

spot_img
spot_img

এধরণের সংবাদ আরো পড়ুন

একটি গোলাপের দাম ১৪৪ কোটি টাকা

ইংরেজি মাস ফেব্রুয়ারি শুরু হলেই শুরু হয়ে যায় নানান দিবস পালন। রোজ ডে থেকে...

১৬ হাজার নারীর চুলে সাজানো জাদুঘর

গল্পের শুরু ৩৫ বছর আগে, ১৯৭৯ সাল। তুরস্কের কাপ্পাডোসিয়ার অ্যাভনোস শহরের এক তরুণ গালিপ...

বিয়ে করতে চাবুকের কয়েকশ আঘাত পেতে হয় যাদের

বিশ্বের আনাচে কানাচে এখনো এমন অনেক জাতির বসবাস যারা আধুনিক বিশ্ব থেকে যোজন যোজন...