বৃষ্টি না হলে হয়তো দ্বিতীয় ম্যাচটি আমরাই জিততাম: শরিফুল

0
40

প্রতিদিনের ডেস্ক
শরিফুল ইসলাম দারুণ একটি বছর কাটালেন। ব্যক্তিগত নৈপুণ্য আর অর্জন-কৃতিত্বকে মানদণ্ড ধরলে শরিফুল ইসলামের জন্য ২০২৩ ছিল সোনালী সাফল্যে মোড়ানো একটি বছর। কেউ কেউ ফেলে আসা বছরকে শরিফুলের ক্যারিয়ারের স্বপ্নর এক বছর বলেই অভিহিত করছেন।
মাত্র শেষ হওয়া নিউজিল্যান্ড সফরেও শরিফুল বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন। কিউইদের সাথে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ম্যান অব দ্য সিরিজও হয়েছেন। বাংলাদেশের এক পেসার নিউজিল্যান্ডের মাটিতে কিউইদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ সেরা; এটা শুধু শরিফুল নন, বাংলাদেশের যে কোন ক্রিকেটারের ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় প্রাপ্তি বলে ধরা হচ্ছে।
পরিসংখ্যান জানাচ্ছে টেস্ট (৪ টেস্টে ১২), ওয়ানডে (১৯ খেলায় ৩২ উইকেট) আর টি-টোয়েন্টি (৫ ম্যাচে ৮ উইকেট) মিলে ২০২৩ সালে ২৮ ম্যাচে ৫২ উইকেট দখল করেছেন। সব মিলিয়ে দারুন একটি বছর পার করেছেন তিনি।
শরিফুল ইসলাম নিজেও মনে করছেন, বেশ ভাল একটি বছর কাটিয়েছেন। রোববার রাতে দেশে ফিরে বিমান বন্দরেই উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন শরিফুল ইসলাম।
প্রশ্ন করা হলো, ব্যক্তিগতভাবে আপনার জন্য দারুণ একটি স্বপ্নের বছর কাটলো। আপনার কি মনে হয়? শরিফুলের জবাব, ‘আলহামদুল্লিল্লাহ। বছরটা খুব ভাল গেছে।’ পাশাপাশি আক্ষেপও আছে, ‘আমরা যদি দলগতভাবে ভাল করতে পারতাম তাহলে আরও ভাল লাগতো।’বাংলাদেশের একজন পেসার নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ম্যান অব দ্য সিরিজ, এটা কতটা আনন্দের? কেমন ভাল লাগার? আগামীতে এর কোন ইতিবাচক প্রভাব পড়বে কি?
এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে শরিফুল আশা করেন, তিনি একা নন, আগামীতে আরও অনেকেই তার মত এমন কৃতিত্বের অধিকারী হবেন। তাই মুখে এমন কথা, ‘কেবল তো শুরু যে, একজন মাত্র হইছে। আগামীতে দেখবেন আরও অনেকেই হবে আশা করি। আশা করছি আমরা এখান থেকেই ঘুরে দাঁড়াবো। যে যার মত এখন থেকে যে কোন কন্ডিশনে গেলেই সেরাটা দেয়ার জন্য চেষ্টা করবো।’
নাজমুল হোসেন শান্তর অধিনায়কত্ব নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। মাঠে অধিনায়ক শান্ত কেমন ছিলেন? জানতে চাইলে শরিফুলের জবাব, ‘সবাই খুব ভাল ছিলাম। মাঠে সবাই সবাইকে খুব সাপোর্ট দিছে। শান্ত ভাই খুব ভাল ছিলেন। সবাই ফ্রেন্ডের মত মাঠে ইজি ছিলাম । সবাই মিলে আলহামদুল্লিল্লাহ খুব ভাল ছিলাম।’
সামগ্রিকভাবে নিউজিল্যান্ড সফর নিয়ে সন্তুষ্ট শরিফুল। তার মূল্যায়ন, ‘একটা ভাল সফর গেছে। আলহামদুল্লিাল্লাহ। যদিও টি-টোয়েন্টি সিরিজটা আমাদের পক্ষে ছিল।
শরিফুল মনে করেন, বৃষ্টি না আসলে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটা জিততো বাংলাদেশ। তিনি বলেন, ‘সেকেন্ড ম্যাচে বৃষ্টি না হলে হয়ত আমরা জিততাম। জানি না খেলা হলে কি হতো! তবে যতটুকু খেলা হয়েছে, সেটা আমাদের পক্ষেই ছিল।’
শেষ কয়েকটা ম্যাচ ভাল কেটেছে। সেটা বিপিএলে ভাল খেলার জন্য অনুপ্রাণিত করবে; বিশ্বাস শরিফুলের, ‘লাস্ট কয়েকটা সিরিজ আমার ভাল কেটেছে। ভাল করার চেষ্টা থাকবে।’এ মুহূর্তে তাকেই ভাবা হচ্ছে বাংলাদেশের সেরা বোলার। এ অনুভুতিটা কেমন? শরিফুলের জবাব, ‘দেখুন সবাই চায় সেরা হতে। গায়ে সেরার তকমা মাখতে কে না চায়? খুব ভাল লাগছে আমার।’
তাসকিনকে মিস করছেন শরিফুল। তার বিশ্বাস ও আশা, ভাল সময়ে তাসকিনকে পেলে পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টটা আরও ভালো এবং ধারালো হতো। ‘তাসকিন ভাই আসলে বোলিং লাইনআপটা আরও ভাল হবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here