৩০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ  । ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

সম্পত্তির ফায়সালা করতে সাত বছর পর তোলা হলো লাশ

মেহেরপুর প্রতিনিধি
মৃত যুবকের নামে থাকা সম্পত্তির মালিকানা নির্ধারণ করতে করব থেকে তোলা হলো লাশ। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হতে এ আদেশ দেন আদালত। মৃত্যুর সাত বছর পর বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার পূর্বমালসাদহ গ্রামের কবরস্থান থেকে মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আদালতের আদেশ পালনে গাংনী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাদির হোসেন শামীম, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও আব্দুল আল মারুফ ও গাংনী থানার এসআই জহির রায়হান মামলার বাদী ও বিবাদীদের উপস্থিতিতে মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করেন। জানা গেছে, পূর্বমালসাদহ গ্রামের মিজানুর রহমান খোকনের ছেলে আল কবিরকে নিঃসন্তান দম্পতি জুগিরগোফা গ্রামের আব্দুল লতিফ-হাজেরা খাতুন নিজের সন্তানের মতই লালন-পালন করেছেন। তাদের নামীয় ১৩ বিঘা জমি আল কবিরের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আল কবিরের মৃত্যু হয়। পরের বছর তার পালিত পিতা আব্দুল লতিফ মারা যান। তখন আল কবিরের নামীয় সম্পত্তি দখল করে নেয় আব্দুল লতিফের ভাইসহ অন্যান্য শরিকরা। এ নিয়ে আল কবিরের পিতা মিজানুর রহমান খোকন আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় মিজানুর রহমান খোকন দাবি করে আল কবির তার ঔরষজাত সন্তান। অন্যদিকে আব্দুল লতিফ পক্ষ দাবি করে আল কবির আব্দুল লতিফের ঔরষজাত সন্তান। ফলে আল কবিরের সম্পত্তির মালিক কে হবেন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এর প্রেক্ষিতে মেহেরপুর যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আল কবিরের মরদেহের নমুনা সংগ্রহ করে ডিএনএ পরীক্ষার আদেশ দেন। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর রাতে পূর্বমালসাদহ গ্রামে নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আল কবিরের (২৫) মৃত্যু হয়। সে মেহেরপুর সরকারি কলেজ থেকে অনার্স পাস করে মাস্টার্সে ভর্তির অপেক্ষায় ছিল।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়