১৮ প্রার্থী যত ভোটে জিতেছেন, বাতিল ভোট তার চেয়ে বেশি

0
12

প্রতিদিনের ডেস্ক
পাকিস্তানে এবারের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে অন্তত ২৪টি আসনে বিজয়ী প্রার্থীদের জয় ব্যবধানের চেয়ে বেশি ভোট বাতিল করা হয়েছে। এসব আসনের মধ্যে ১৩টিতেই জিতেছে নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন, পাঁচটিতে বিলওয়াল ভুট্টো জারদারির দল পিপিপি, চারটিতে পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এবং দুটিতে অন্যান্য স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের খবর অনুসারে, জয় ব্যবধানের চেয়ে বাতিল ভোট বেশি থাকা ২৪ আসনের মধ্যে ২২টিই পাঞ্জাব প্রদেশে। বাকি দুটি খাইবার পাখতুনখোয়া এবং সিন্ধে।
নির্বাচনের ফলাফল বলছে, এনএ-১১ (শাংলা) আসনে পিএমএল-এনের প্রাদেশিক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আমীর মুকাম ৫৯ হাজার ৮৬৩ ভোট পেয়ে পিটিআই-সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়েছেন ৫ হাজার ৫৫২ ভোটের ব্যবধানে। সেখানে বাতিল ব্যালটের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৭৪৩টি।
এনএ-৫০ (অটক) আসনে পিএমএল-এনের মালিক সোহেল খান ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৫ ভোট পেয়ে পিটিআই সমর্থিত ইমান ওয়াসিমকে হারিয়েছেন ৯ হাজার ৮৮৬ ভোটের ব্যবধানে। এ আসনে বাতিল ভোটের সংখ্যা ৯ হাজার ৯৩৮টি।
এনএ-৫৯ (তালাগাং-কাম-চকওয়াল) আসনে পিএমএল-এনের সরদার গোলাম আব্বাস ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পিটিআই সমর্থিত মুহাম্মদ রুমান আহমেদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৭১৬ ভোট। আসনটিতে বিজয়ের ব্যবধান ছিল ১১ হাজার ৯৬৪ ভোট এবং বাতিল হয়েছে ২৪ হাজার ৫৪৭ ভোট। পাকিস্তানের এবারের নির্বাচনে কোনো নির্বাচনী এলাকায় ভোট বাতিলের সর্বোচ্চ সংখ্যা এটি।
জয় ব্যবধানের চেয়ে বেশি ভোট বাতিল হওয়া বাকি আসনগুলো হলো এনএ-৬১ (ঝিলম), এনএ-৬৫ (গুজরাট), এনএ-৬৯ (মান্ডি বাহাউদ্দিন), এনএ-৭৯ (গুজরানওয়ালা), এনএ-৮০ (গুজরানওয়ালা), এনএ-৮৬ (সারগোধা), এনএ-৯২ (ভাক্কর), এনএ-৯৪ (চিনিওট), এনএ-৯৭ (ফয়সালাবাদ), এনএ-১০৬ (টোবা টেক সিং), এনএ-118 (লাহোর), এনএ-১৪৮ (মুলতান), এনএ-১৫১ (মুলতান), এনএ-১৫৪ (লোধরান), এনএ-১৬৪ (বাহাওয়ালপুর), এনএ-১৬৯ (রহিম ইয়ার খান), এনএ-১৭৩ (রহিম ইয়ার খান), এনএ-১৮৪ এবং এনএ-১৮৬ (ডি.জি. খান), এনএ-১৮৯ (রাজনপুর) এবং এনএ-২৩১ (মালির)।
গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়া ২৬৫ আসনে সব মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখ ব্যালট পেপার গণনা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। চারটি আসনে ১৫ হাজারের বেশি, ২১টি আসনে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার এবং ১৩৭টি আসনে পাঁচ হাজার থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত ভোট বাতিলের খবর পাওয়া গেছে।
এছাড়া, ৬৭ আসনে পাঁচ হাজারের কম, কিন্তু এক হাজারের বেশি ভোট বাতিল হয়েছে। মাত্র ছয়টি আসনে এক হাজারের কম ভোট বাতিল হয়েছে বলে জানা গেছে।