নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে অভিযান চালিয়ে কোতয়ালি থানা এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, আন্তজেলা, চোর এবং ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য আমজাদ হোসেন আকাশসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া অভিযান পরিচালনাকালে আল-আমিন ওরফে চোর আলামিনসহ আরও ৫/৬ জন আসামি পালিয়ে যায়।
রোববার (১৭ মার্চ) সকালে এক প্রেস বিফ্রিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানান কোতয়ালি পুলিশ। এরআগে, রোববার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে শহরের আনছার ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হচ্ছে, চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, আন্তজেলা, চোর এবং ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য আমজাদ হোসেন আকাশ, আলী রাজ বিশ্বাস, হিটার রাজ, অপূর্ব, মন্টু এবং হৃদয় হোসেন আকাশ। গ্রেফতারকৃতদের সবার বাড়ি শহরের শংকরপুর ও টিবি ক্লিনিক মোড় এলাকায়। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছে, টিবি ক্লিনিক পাড়া এলাকার রইস উদ্দিনের ছেলে আল-আমিন ওরফে চোর আলামিন, একই এলাকার ফরিদ হোসেনের ছেলে রায়হান, শংকরপুর আশ্রম রোড এলাকার বাবু মীরের ছেলে ইছামীর এবং শংকরপুর চোরদার পাড়া এলাকার মৃত রবিউলের ছেলে হানিফ। প্রেস বিফ্রিং সূত্রে জানা যায়, যশোর কোতয়ালি থানার এসআই তাপস কুমারের নেতৃত্বে একদল ফোর্স রোববার দিবাগত রাত সাড়ে তিন টার দিকে শহরের আনছার ক্যাম্প সংলগ্ন বিলপাড়া বড় পুকুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আমজাদ হোসেন আকাশসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং আল-আমিন ওরফে চোর আলামিনসহ আরও ৫/৬ আসামি পালিয়ে যায়। এসময় গ্রেফতারকৃত ও পালিয়ে যাওয়া আসামিদের ফেলে যাওয়া ৬টি অবিস্ফোরিত বোম সাদৃশ্য ককটেল, ৫টি জর্দ্দার খালি কৌটা, ৮টি মার্বেল, ২টি লাল রংয়ের কসটেপ, ১৭টি জালের কাটি, ৩টি প্লাস্টিকের স্যান্ডেল, ৩টি গাছি দা, ৩টি লোহার চাইনিজ কুড়াল এবং ২টি বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান বলেন- রমজান ও আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। রোববার দিবাগত রাতে শহরের শংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত আসামিদের গ্রেফতার করা হয় এবং চুরি ও ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এসময় প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা চুরি ও ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেছে।

