নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের একটি বাড়ির গোয়ালঘর থেকে ৯ লাখ টাকা মূল্যের ৪ টি গরু চুরি হয়েছে। গরু চুরি হওয়ার পর জাহাঙ্গীরের পরিবারের চোখে মুখে এখন হতাশা বিরাজ করছে। ঈদ সামনে রেখে এড়ে গরুর সাথে ৩টি গাভী গরু চুরি হওয়ার ঘটনায় কোতয়ালি থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ গত দুই দিনে চুরি হওয়া গরুর সন্ধান করতে পারেনি। ফলে জাহাঙ্গীরের তার পরিবার নিয়ে পথে বসার উপাক্রম হয়েছে। সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের ওই গ্রামের মৃত তোফায়েল আহম্মেদের ছেলে জাহাঙ্গীর শুক্রবার ১৫ মে কোতয়ালি থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগটি থানার সংশ্লিষ্ট অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক এসআই আক্তারের উপর তদন্তের দায়িত্ব দেয়। আক্তার তদন্ত শুরু করলেও গত ৩ দিনে গরু চুরির ঘটনা মামলা হিসেবে নথিভূক্ত করেনি। অভিযোগে জাহাঙ্গীর উল্লেখ করেন, ১৪ মে রাত আনুমানিক ৯ টার সময় তার ৩টি বকনা ও ১টি এড়ে গরুকে খাবার দিয়ে গোয়াল ঘরে তালা মেরে শুয়ে পড়ে। ১৫ মে রাত ৩ টার সময় তার স্ত্রী সুফিয়া ধান সিদ্ধ করার জন্য ঘুম থেকে উঠে দেখেন গোয়াল ঘরে গরু নেই। গোয়াল ঘরের দরজার তালা ভাঙ্গা। ভিতরে থাকা ৪টি গরু নেই। ঘটনাটি তৎক্ষনিক জাহাঙ্গীরকে তার স্ত্রী জানালে বিভিন্ন স্থানে ওই রাতে খোঁজাখুজি শুরু করে। কোথাও না পেয়ে জাহাঙ্গীর ১৫ মে সকালে কোতয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা চোর উল্লেখ করে অভিযোগ করেন। জাহাঙ্গীর জানান, চুরি হওয়ার গরুর মধ্যে ৩টি গাভী ও ১টি এড়ে বাছুর। যার আনুমানিক মূল্য ৯ লাখ টাকা। চুরি হওয়া ৩টি বকনা গরুর মধ্যে ২টি কালো মাথায় সাদা রংয়ের চিতে এবং তলপেটে সাদা দাগ রয়েছে, ১টি গাভী গরু সাদা চকরা বকরা, ২ টি গাভী গরুর মধ্যে ১টি ৯ মাস ও আরেকটি ৭ মাসের গাবিন। ১টি এড়ে বাছুর সাদা কালো। গরু চুরি হওয়ার পর জাহাঙ্গীর দিশেহারা হয়ে পথে পথে ঘুরছে। গরু চুরির ব্যাপারে কোতয়ালি থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাকের জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন চোর সনাক্ত ও গরু উদ্ধারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

