৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ  । ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ 

ফের নতুন কর্মসূচি দেবে বিএনপি

প্রতিদিনের ডেস্ক॥
খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে অনুষ্ঠিত ঢাকাসহ সারা দেশের মহানগর ও জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ‘সফল করায়’ সন্তোষ প্রকাশ করেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি। পাশাপাশি আবারও বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির উর্ধ্বগতি, নজিরবিহীন দুর্নীতিসহ নানা ইস্যুতে কর্মসূচি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বৈঠকে।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গতকাল সোমবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভাচুর্য়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
মির্জা ফখরুল জানান, দেশনেত্রীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণের জন্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। স্থায়ী কমিটির সদস্যরা মনে করেন— নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির উর্ধ্বগতি, নজিরবিহীন দুর্নীতি দেশের ও দেশের বাইরের ব্যাংকগুলো থেকে ঢালাও ঋণ গ্রহণের ফলে ঋণফাঁদ সৃষ্টি হচ্ছে এবং জনগণের উপরে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।
‘এ বিষয়গুলোকে নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সমৃদ্ধ প্রতিবেদন তৈরি করে জনগণের সামনে নিয়ে আসার জন্য লিফলেট বিতরণ, সমাবেশ, মিছিল ইত্যাদির মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আগামীতে এ বিষয়ে কর্মসূচির গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে’, বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব জানান, সম্প্রতি লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় সভায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়। সেই সঙ্গে সীমান্ত হত্যা বন্ধের জন্য সরকারি কোনো উদ্যোগ না থাকায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
সরকার সীমান্তহত্যা বন্ধ করতে ভারতের উপরে প্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটছে বলে মনে করেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। অবিলম্বে এই সীমান্ত হত্যা বন্ধ করার জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়