২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ  । ৮ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ 

ওটস খেতে পারেন এই ৪ উপায়ে

প্রতিদিনের ডেস্ক:
কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, জিঙ্ক, ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ম্যাংগানিজ, কপার, ফসফরাস, আয়রন, ফলেট, ভিটামিন বি১ এবং ভিটামিন বি৬ মেলে ওটমিল থেকে। ওজন কমাতে চাইলে বা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাইলে সকালের নাস্তায় রাখতে পারেন ওটসের পদ। ওট খেতে পারেন দুধ, ফল ও বাদাম মিশিয়ে। আবার খিচুড়ি বা কাটলেট বানিয়েও খাওয়া যায় উপকারী ওট। জেনে নিন ওটস কোন কোন উপায়ে খেতে পারেন। ১। সকালের নাস্তায় ওটস খেতে চাইলে আগের রাতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন দুধ দিয়ে। দুধের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন ১ চামচ চিয়া সিড। পরদিন সকালে পছন্দের ফল, বাদাম ও মধু মিশিয়ে খান স্বাস্থ্যকর ওটস। ২। ওটস দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন মজাদার কাটলেট। এজন্য লাগবে এক কাপ সেদ্ধ আলু এবং ১ কাপ ভেজে নেওয়া ওট। একটি বড় বাটিতে ওট, আলু, ১ চা চামচ আদা বাটা, মরিচ বাটা, গাজর কুচি, লবণ এবং গরম মসলার গুঁড়া নিন। আধা কাপ পনির কুচি করে দিয়ে সব উপকরণ মেশান। ডো থেকে ছোট ছোট করে লেচি কেটে হাতের তালুর সাহায্যে বল তৈরি করে চাপ দিয়ে চ্যাপ্টা করে নিন কাটলেটের আকারে। প্যানে তেল গরম করে কাটলেটগুলোর দুইদিক ভেজে নিন। বাদামি রঙ ধারণ করলে নামিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম।৩। বানিয়ে ফেলতে পারেন ওটস ব্রেড টোস্ট। ৪ টেবিল চামচ ময়দার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার, লবণ, চিনি ও পানি মিশিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। পাউরুটির চারপাশের অংশ বাদ দিয়ে গোল অথবা তিন কোনা আকারে কাটুন। এবার টুকরাগুলো ময়দার মিশ্রণে ডুবিয়ে ওটসে গড়িয়ে নিন। যাতে প্রতিটি টুকরার চারপাশে ওটস জড়িয়ে যায়। এবার গরম তেলে দুই পাশ বাদামি করে ভেজে নিন।৪। ওটস দিয়ে স্বাস্থ্যকর খিচুড়ি বানিয়ে ফেলতে পারেন। তেল বা বাটার গরম করে মিহি করে কুচানো ১/৪ চা চামচ আদা কুচি ও কাঁচা মরিচ ভেজে নিন। ১ চা চামচ আস্ত জিরা দিয়ে নেড়ে নিন। পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভেজে নিন। ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়া ও স্বাদ মতো মরিচের গুঁড়া দিয়ে ভেজে নিন। কয়েক সেকেন্ড ভেজে নেওয়ার পর টমেটো কুচি ও লবণ দিন। এরপর ক্যাপসিকাম ও মটরশুঁটি দিন। চাইলে অন্যান্য সবজিও যোগ করতে পারেন। ১/৩ কাপ ওটস দিয়ে নেড়ে নিন মসলার সঙ্গে। ১ কাপ পানি দিন। সঙ্গে দিয়ে দিন ১ প্যাকেট ম্যাগি মসলা। এতে বাড়বে খিচুড়ির স্বাদ। সামান্য গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিন ঢাকনা দিয়ে। সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন। নামানোর আগে ধনেপাতা কুচি দিয়ে নেড়ে নেবেন।

Previous article
Next article
রুই মাছের মাহি বিরিয়ানি প্রতিদিনের ডেস্ক: দুর্গা পূজায় মাছের পদ না থাকলেই যেন নয়! তবে মাছের চেনা কোনো পদ নয় পূজা উপলক্ষে তৈরি করুন স্পেশাল মাহি বিরিয়ানি। রুই মাছ দিয়ে তৈরি এই বিরিয়ানি একবার খেলেই মুখে এর স্বাদ সব সময় লেগে থাকবে।এই পদ মুর্শিদাবাদের নবাবি ঘরানার রাঁধুনিরা রেঁধেছিলেন প্রথম। পার্সিয়ান ‘মাহি’ শব্দের অর্থ মাছ। দমে রান্না করা এই মাছের বিরিয়ানি কিন্তু স্বাদে মাংসের বিরিয়ানির থেকে এতটুকুও কম নয়। পূজায় আমিষ খেতে চাইলে পাতে রাখতে পারেন মাহি বিরিয়ানি। রইলো রেসিপি-উপকরণ ১. বড় রুই মাছ ১ কেজি ২. বাসমতি চাল ১ কেজি ৩. টকদই ৩-৪ কাপ ৪. পেয়াঁজ ৩টি মিহি করে কুচানো ৫. আদা দেড় টেবিল চামচ ৬. রসুন দুই টেবিল চামচ ৭. কাঁচা মরিচ বাটা ১ টেবিল চামচ ৮. গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ ৯. ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ ১০. হলুদ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ ১১. লেবুর রস ১টি ১২. শাহি জিরা আধা চা চামচ ১৩. জায়ফল-জয়িত্রী সামান্য ১৪. এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি সামান্য ১৫. তেজপাতা ৪-৫ টি ১৬. বিরিয়ানি মসলা পরিমাণমতো ১৭. লবণ স্বাদ অনুযায়ী ১৮. জাফরান সামান্য ১৯. দুধ আধা কাপ ও ২০. ঘি পরিমাণমতো। পদ্ধতি মাছ ধুয়ে লবণ, হলুদ, সামান্য অদা রসুন বাটা আর লেবুর রস দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। দুধ একটু গরম করে তাতে জাফরান ভিজিয়ে রাখুন। অন্যদিকে চাল ধুয়ে ফুটন্ত পানিতে দিয়ে ৮০ শতাংশ রান্না করুন। তারপর পানি ঝরিয়ে বিছিয়ে রাখুন প্লেটে বা শুকনো পরিষ্কার কাপড়ের উপরে।এবার ঘি গরম করে ১টি বড় পেয়াঁজ কেটে কুচি করে লাল করে ভেজে নিন। মাছ মাঝারি করে ভেজে তুলে রাখুন। এবার ঘি গরম করে প্রথমে সব আস্ত গরম মসলা ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বের হলে পেয়াঁজ কুচি ছেড়ে কম আঁচে হালকা সোনালিরঙা করে রান্না করুন।এতে আদা-রসুন ও কাঁচা মরিচ বাটা দিয়ে আবারও কষিয়ে নিন। এরপর একে একে ধনে, হলুদ, গোলমরিচ গুঁড়া সামান্য পানিতে গুলে নিয়ে ঢেলে দিন। মিনিট দুয়েক নাড়াচাড়া করুন। এরপরে আঁচ কমিয়ে দই দিয়ে ভালো করে কষান তেল মসলার উপরে না ওঠা পর্যন্ত।অন্যদিকে লবণ, গরম মসলা আর মাছ দিয়ে ভালো করে নেড়ে ৩/৪ কাপ গরম পানি দিয়ে দিন। সামান্য গ্রেভি থাকতে আধা চা চামচ বিরিয়ানি মসলা দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। তারপর একটু ভারি পাত্রে মাছ, ভাত, ঘি, বিরিয়ানি মসলা, ভাজা পেয়াঁজ দিয়ে পরতে পরতে সাজান।উপরে দুধে ভেজানো জাফরান দিন। এবার পাত্রের মুখ শক্ত করে ঢেকে দমে বসান। ২৫-৩০ মিনিট মতো রাখুন। খুলে চামচ দিয়ে নেড়ে পরিবেশন করুন নতুন স্বাদের মাহি বিরিয়ানি।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়