প্রতিদিনের ডেস্ক॥
সিরিয়ার সংকটকালে আধিপত্য বিস্তারের নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সিরিয়ার অংশে থাকা হারমন পর্বতের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত রবিবার (৮ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সিরিয়া-ইসরায়েল সীমান্তের গোলান মালভূমির ‘বাফার জোন’ দখলের পর সিরিয়ার অংশে থাকা হারমন পর্বতের নিয়ন্ত্রণ নেয়। হারমন পর্বত কৌশলগত কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি এই অঞ্চলের সবচেয়ে উঁচু জায়গা। এখান থেকে শত্রুদের আক্রমণ সম্পর্কে পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব। সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর দামেস্কের এই সরকারের অন্তর্গত একটি রাসায়নিক অস্ত্র কারখানায়ও হামলা চালায় আইডিএফ, যাতে বিদ্রোহীরা এই অস্ত্র কারখানা দখলে নিতে না পারে। এ বিষয়ে আরব মিডিয়া রবিবার প্রথম প্রতিবেদন করেছিল এবং জেরুজালেম পোস্ট পরে স্বাধীনভাবে তা যাচাই করে নিশ্চিত করেছে। আইডিএফ জানিয়েছে, ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ তারা নিয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) আরো বলেছে, সিরিয়ার কোনো বাহিনী যদি ইসরায়েলের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত না করে, তবে তারা সিরিয়ার কোনো অভ্যন্তরীণ ঘটনায় জড়িত হবে না। ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে ইসরায়েল। ১৯৭৪ সালে দুই দেশের মধ্যে একটি নিয়ন্ত্রণরেখা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরপর ইসরায়েল এ অঞ্চলে সামরিক কার্যক্রম সীমিত করেছিল। এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, সিরিয়ার সঙ্গে ১৯৭৪ সালের চুক্তি আর কার্যকর নয়। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদের সমর্থন নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে মিলে আমি আইডিএফকে বাফার জোন এবং এর কাছাকাছি কৌশলগত স্থানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।’
সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট

