মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় কামিরুল মোল্যা (৩০) নামের এক যুবককে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার পর মৃত ভেবে মাটি চাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। এ ঘটনায় মহম্মদপুর থানায় ছয়জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) আবদুর রহমান। কমিরুল মোল্যা মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাক মোল্যার ছেলে। বর্তমানে তিনি মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মামলার প্রধান আসামির নাম আবদুল্লাহ (৩২)। তিনি একই উপজেলার রাড়ীখালী উত্তরপাড়ার বাসিন্দা। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মহম্মদপুর উপজেলার রাড়ীখালী উত্তরপাড়া এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে আবদুল্লাহসহ আরও পাঁচজনকে সঙ্গে নিয়ে কমিরুলের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন। এরপর তাকে মৃত ভেবে শরীরে অধিকাংশ মাটিচাপা দিয়ে পালিয়ে যান। কেবল তার পায়ের অংশ মাটির ওপরে ছিল। প্রতিবেশী এক শিশু বিষয়টি দেখে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। শিশুটির পরিবারের লোকজন সেখানে গিয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় কমিরুল মোল্যা বলেন, গত ১৯ জুন দুপুরে বাড়ি থেকে রাড়ীখালী বাজারের দিকে যাচ্ছিলাম। রাড়ীখালী উত্তরপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ওই গ্রামের আবদুল্লাহ নামের এক যুবক ঝাড় থেকে কাটা বাঁশ বের করে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পেছন থেকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে। এরপর অচেতন হয়ে পড়ি। তিনি আরও বলেন, গত ৫ আগস্টের পর ওই যুবকের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে তর্ক হয়। ধারণা করছি এ কারণেই আমাকে খুন করতে চেয়েছিল। মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহমান মঙ্গলবার সকালে বলেন, ওই যুবকের ভাই জমিরুল মোল্যা ছয়জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। তবে এ মামলায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

