বিশেষ প্রতিবেদক
যশোর-৩ ও যশোর-৬ আসনের সীমানা পরিবর্তনের শুনানিতে আবেদনকারীরা হাজির না হওয়ায় তাদের আবেদন খারিজ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শুনানিতে অংশ নেওয়া আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা আবেদনকারীদের অনুপস্থিতিকে ‘অযৌক্তিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করেছেন। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম নাসির উদ্দিন নিজে শুনানি নেন। এ সময় কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল যশোর-৩ ও যশোর-৬ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের আবেদন করলেও তিনি শুনানিতে অনুপস্থিত ছিলেন। একইভাবে বসুন্দিয়া ইউনিয়নকে সম্পূর্ণ যশোর সদরে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদনকারী অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামানও হাজির হননি। তাদের প্রস্তাবের বিপক্ষে জেলা বিএনপির পক্ষে যুক্তি দেন ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। এ ছাড়া সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, বসুন্দিয়া ইউনিয়ন দুটি আসনের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে, তাই বর্তমান কাঠামোই সবার জন্য যুক্তিসঙ্গত। তিনি ভবদহ অঞ্চলের উন্নয়ন স্বার্থে এটিকে যেকোনো একটি আসনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও দেন। শুনানিতে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, চেম্বার অব কমার্স সভাপতি মিজানুর রহমান খান, গোলাম রেজা দুলুসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট সুকৃতি কুমার মণ্ডল প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর যশোর-৩ ও যশোর-৬ আসনের সীমানা পরিবর্তনের লিখিত আবেদন জমা দেন। এ শুনানিকে ঘিরে সোমবার নির্বাচন ভবনের সামনে মানববন্ধন ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়।

