১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ  । ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ 

কালীগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল সড়কটি এখন মৃত্যুর কুপ

সোহেল আহমেদ, কালিগঞ্জ
ঝিনাইদহ কালিগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল সড়কটি চিত্রা নদীর সংযোগ খালে ভেঙ্গে যাচ্ছে। এ যেন মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে অনেকেই ধারণা করছে। মাত্র এক বছর আগে এক কোটি টাকা ব্যয়ে দায়সারা ভাবে এই সড়কটি নির্মাণ কাজ করা হয়। রাস্তার দুই পাশে টিকসহি ভাবে মাটির কাজ না করা এবং যেন তেন ভাবে নিম্নমানের ব্লাকের কাজ করায় এক বছর যেতে না যেতেই রাস্তার দুই পাস ভেঙে যাচ্ছে এবং গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রতিদিনের কথা পত্রিকা সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা টেলিভিশন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক লেখালেখি ও প্রচার করলেও পৌর কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। তারা সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছে। প্রতি দিন রোগীসহ হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে দিন রাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ৫ আগস্টের পর থেকে পৌর মেয়র না থাকায় এই সুযোগে পৌর প্রশাসককে ম্যানেজ করে বিভিন্ন পৌর মেয়রদের সময় কালের বকেয়া বেশ কয়েক মাসের বেতন অন্যান্য বিভিন্ন ভাতা এবং অবসরপ্রাপ্তদের পাওনা আদায় নিয়ে কর্মচারী ও কর্মকর্তারা ব্যস্ত সময় পার করছে। কালীগঞ্জের প্রথম শ্রেণীর পৌরসভায় পৌর কর,ট্যাক্স, সাব রেজিস্টার অফিস থেকে উৎস কর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্স বাবদ, বাস টার্মিনাল, হাট-বাজার ইজারা, রিকশা, ভ্যান, ইজিবাইক, আলম সাধু ও বিভিন্ন যানবাহন থেকে ইনকাম সহ অন্যান্য বিভিন্ন খাত থেকে প্রতিবছর ১০/১২ কোটি টাকা স্থানীয়ভাবে ইনকাম হয়। তাছাড়া ৩০ থেকে ৫০ কোটি টাকা সরকারিভাবে প্রতিবছর প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা গুলিতে বরাদ্দ দিয়ে থাকেন। অথচ কালিগঞ্জ প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার নাগরিকরা পৌর সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পৌরসভার ভিতরের রাস্তাগুলি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। অপরিকল্পিত ও নিম্নমানের সামান্য কিছু ড্রেন থাকলেও সংস্কারের অভাবে তা প্রায় পানি নিষ্কাশন সঠিকভাবে হয় না। ফলে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই এক হাঁটু পানি জমে যায়। বিদ্যুৎ লাইটিং এর অভাবে বিভিন্ন এলাকা অন্ধকার থাকে। এই সুযোগে চুরি ডাকাতি ছিনতাই রাহাজানি ও ধর্ষণের মত ঘটনা প্রায় ঘটে। যার কারনে পৌরসভার উপর মানুষের আস্তা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়