প্রতিদিনের ডেস্ক:
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অত্যাধুনিক নাভি মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেছেন। প্রায় ১৯ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বিমানবন্দর মুম্বাই, পুনে ও কোকণ অঞ্চলের ব্যবসা ও পর্যটনে নতুন গতি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।উদ্বোধনের আগে মোদী বিমানবন্দরটির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী কিনজারাপু রামমোহন নাইডু, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এবং আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি।মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া পোস্টে বলেন, প্রতীক্ষার অবসান ঘটলো। এই বিমানবন্দর আকাশপথে যাত্রার সংজ্ঞা বদলে দেবে, মহারাষ্ট্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে এবং ভারতকে বিশ্বের সঙ্গে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করবে।এই বিমানবন্দরটি প্রথম পর্যায়ে প্রতি বছর ২ কোটি যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা নিয়ে চালু হচ্ছে। এর মাধ্যমে শুধু দ্রুত যাতায়াতই সম্ভব হবে না, পুনে অঞ্চলের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোও বিশ্ববাজারে সরাসরি প্রবেশের সুযোগ পাবে।বেসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মুরলিধর মোহল এক্স-এ লিখেন, এই বিমানবন্দর মহারাষ্ট্রকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে। এটি পুনে, মুম্বাই এবং কোকণ অঞ্চলের জন্য বিপুল সুফল বয়ে আনবে।এটি ভারতের সবচেয়ে বড় ‘গ্রিনফিল্ড’ বিমানবন্দর প্রকল্প, যার রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ৭০০ মিটার। এটি মুম্বাইয়ের বিদ্যমান ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে।নাভি মুম্বাই বিমানবন্দরটি হবে মুম্বই মেট্রোপলিটন অঞ্চলের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা বর্তমান বিমানবন্দরের ওপর চাপ কমাবে। এর ফলে মুম্বাই শহর লন্ডন, টোকিও এবং নিউ ইয়র্কের মতো বহু-বিমানবন্দর বিশিষ্ট শহরের কাতারে পৌঁছে গেলো।ইতিমধ্যেই ইন্ডিগো, আকাসা এয়ার এবং এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস তাদের কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। প্রথম ধাপে দেশীয় শহরগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্য রয়েছে।পুরোপুরি চালু হলে এই বিমানবন্দর বছরে ৯ কোটি যাত্রী পরিবহন করতে পারবে এবং ৩.২ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্গো সামলাতে সক্ষম হবে।

