১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ  । ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ 

হাল্যান্ডের জোড়া গোল, কিছুক্ষণের জন্য শীর্ষে ম্যানসিটি

প্রতিদিনের ডেস্ক
ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আরলিং হালান্ড আবারও দেখালেন, কেন তাকে গোলমেশিন বলা হচ্ছে। এভার্টনের বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে তার জোড়া গোলেই এভারটনকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে সিটি। সে সঙ্গে ঘণ্টাখানেকের জন্য শীর্ষে উঠে এসেছিল তারা।৮ ম্যাচ শেষে ম্যানসিটির পয়েন্ট ১৬। এভার্টনের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে কিছুক্ষণের জন্য শীর্ষে উঠেছিল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। কারণ, ততক্ষণে আর্সেনাল মাঠে নামেনি। ফুলহ্যামের বিপক্ষে আর্সেনালের ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ছিল সিটিজেনরা। কিছুক্ষণ পর আর্সেনালের ম্যাচ শেষ হওয়া মাত্রই দ্বিতীয় স্থানে নেমে যায় তারা, ১৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে যায় গানাররা।ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে এভারটনের ডিফেন্স বেশ সংগঠিত ছিল। ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড একের পর এক সেভ করে সিটিকে হতাশ করছিলেন। কিন্তু বিরতির পর খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেন হাল্যান্ড।
৫৮তম মিনিটে ফিল ফোডেনের দুর্দান্ত থ্রু পাসে ডানদিক থেকে ক্রস পাঠান নিকো ও’রেইলি, আর সেখানে হাল্যান্ডের হেডে ভাঙে এভারটনের রক্ষণ দেয়াল। পাঁচ মিনিট পরই আবারো গোল করেন তিনি— এবার সাভিনহোর পাস থেকে বাম পায়ে শট নিয়ে গোল করেন, যদিও বলটি জেমস টারকভস্কির গায়ে লেগে পিকফোর্ডকে ফাঁকি দেয়।এই দুই গোলে হাল্যান্ডের মৌসুমে গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ২৩, মাত্র ১৩ ম্যাচে! ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে টানা ১১ ম্যাচে গোল করেছেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগে এখন তার গোলসংখ্যা ৯৬, মাত্র ১০৫ ম্যাচে— অর্থাৎ দ্রুতই শত গোলের ক্লাবে নাম লেখানোর পথে তিনি।এভারটন ম্যাচে কিছুটা লড়াই করলেও আক্রমণে ধার ছিল না। বদলি খেলোয়াড় মার্লিন রোল একবার হেডে সুযোগ তৈরি করলেও গোল পাননি। অন্যদিকে, যোগ করা সময়ে হাল্যান্ড হ্যাটট্রিকের কাছাকাছি গিয়েছিলেন; কিন্তু পিকফোর্ডের দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় তা আটকে যায়।সিটিতে হাল্যান্ড নাম লেখানোর পর থেকে তার গোলসংখ্যা এখন ১৫৫ ম্যাচে ১৩৮, যা প্রমাণ করে—তার সামনে থামা প্রায় অসম্ভব।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়