১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ  । ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

উপকূল দিবসের স্বীকৃতি চেয়ে মানববন্ধন

উৎপল মণ্ডল,শ্যামনগর
সাতক্ষীরা শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদীর তীরে ‘৭০ ভোলা সাইক্লোনে প্রয়াত উপকূলবাসীর স্মরণে ১২ নভেম্বর উপকূল দিবসের স্বীকৃতি সহ সাত দফা দাবিতে প্রস্তাবিত উপকূল দিবস পালিত হয়েছে।বুধবার সকালে উপকূল দিবসের ঘোষণার দাবির মধ্যদিয়ে কাশিমাড়ীর খোলপেটুয়া নদীর তীরে যুব ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী অংশগ্রহণে যুববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় উপকূলীয় যুব সেচ্ছাসেবী সংগঠন কোস্টাল ইয়ূথ নেটওয়ার্ক এই যুববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত ও উপকূলবাসীর স্বার্থ সুরক্ষায় ১২ নভেম্বরকে উপকূল দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয় ভাবে ঘোষণার দাবি জানানো হয়।সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের উপকূলে অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলের বিপুল জনগোষ্ঠী জাতীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছে। তা সত্ত্বেও উপকূলের প্রায় ৫ কোটি মানুষ চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। উপকূলের বহু এলাকা অরক্ষিত থেকে যাচ্ছে যুগের পর যুগ। উপকূলবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি দিবস ঘোষণা এখন সময়ের দাবি। উপকূল দিবস ঘোষণা করা হলে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, সংবাদ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে উপকূলের গুরুত্ব বাড়বে। এর মাধ্যমে উপকূলের সুরক্ষা ও সেখানকার জনগোষ্ঠীর অধিকার ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মনে করেন বক্তার। এসময় জলবায়ু বিপন্ন উপকূল সুরক্ষায় ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন যুব,স্থানীয়রা। কোস্টাল ইয়ূথ নেটওয়ার্কের সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন দাসের সঞ্চালনায় যুববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ফারজানা , মাসুদ হাসান, মাহফুজ ও সাহেব আলী প্রমুখ।প্রসঙ্গত, ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ‘ভোলা সাইক্লোন’ উপকূলে আঘাত হানে। জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) মতে ভোলা সাইক্লোন পৃথিবীর ইতিহাসে ভয়ঙ্করতম প্রাণঘাতী একটি ঝড়। এজন্য ১২ নভেম্বর উপকূলবাসীকে স্মরণ করে পালন করা হয় উপকূল দিবস।

 

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়