উৎপল মণ্ডল, শ্যামনগর
সাতক্ষীরা-৪ শ্যামনগর সংসদীয় আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ধানের শীষের প্রার্থী ড মোঃ মনিরুজ্জামানের নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির আয়োজনে বিশাল নির্বাচনী জনসভা ও গনমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪জানুয়ারি (শনিবার) বিকাল ৫টা থেকে শ্যামনগর উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় ইদগাহ ময়দানে এ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভা শেষে উপস্তিত হাজার হাজার নেতা কর্মী ও সামার্থকদের নিয়ে ড. মোঃ মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে বিশাল একটা মিছিল শ্যামনগর উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এর আগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পৌর বিএনপি ও অংগ সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতা কর্মী মিছিল সহকারে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এসে সমাবেত হয়। এসময় ১২তারিখ সারাদিন ধানের শীষে ভোট দেওয়ার পত্যায় ব্যক্ত করা সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আাসা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।অনুষ্ঠানে শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জেলা বিএনপির সদস্য মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদের সভাপতিত্বে,জনসভায় উপস্তিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ধানের শীষের প্রার্থী ড মোঃ মনিরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সদস্য সোলাইমান কবির, জেলা বিএনপির সদস্য আশেক এলাহি মুন্না, জেলা বিএনপির সদস্য সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন খান শ্যামল, কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম খান, জেলা যুবদলের সাবেক স্বমন্বয়ক নাসিম ফারুক খান মিঠু, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক সালাউদ্দিন লিটন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গোলাম আলমগীর, সাবেক চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান সাদেক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি মাসুদুল আলম, উপজেলা বিএনপির অন্যতম নেতা জহরুল হক আপ্পু, পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক লিয়াকত আলী বাবু, সাবেক সদস্য সচিব শামছুদ্দোহা টুটুল, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম দুলু, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক মোঃ নুরুজ্জামান, উপজেলা সেচ্চাসেবক দলের আহবায়ক জুলফিকার সিদ্দিক সহ উপজেলা বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনসভায় ড. মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ভোটাধিকার বঞ্চিত জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বিএনপি নির্বাচনী মাঠে রয়েছে। আমরা বিজয়ী হতে পারলে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। প্রত্যেক ঘরে ঘরে নারীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। শিক্ষিতরা চাকরী আর শিক্ষিত বেকারদের ট্রেনিং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। এছাড়াও তিনি বলেন,আমরা আপনাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে আপনানের প্রত্যাশা ও মতামত জানার মাধ্যমে অবহেলিত এই উপকূলীয় অঞ্চলের জীবন মান উন্নয়নের চেষ্টা করব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
