৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ  । ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

যবিপ্রবিকে বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়তে জমি অধিগ্রহণ জরুরি : উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (যবিপ্রবি) বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণার উৎকর্ষ কেন্দ্রে পরিণত করতে জমি অধিগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ।
তিনি বলেন, যবিপ্রবিতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জিমনেসিয়াম রয়েছে। শিক্ষা, গবেষণা ও ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির প্রয়োজন রয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বরাবর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (ডিপি) জমা দেওয়া হয়েছে। সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির যৌক্তিক চাহিদা পূরণ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে আলপনা আঁকা, পিঠা স্টল ও পিঠা তৈরি সহ নানা আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে সফলভাবে উদযাপন করেছে। এ জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা গবেষণার পাশাপাশি বিভিন্ন কারুকার্য ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছে, যা এই বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আয়োজনেই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ড. এইচ. এম. জাকির হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মোছা. আফরোজা খাতুন, ডিনস কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. কোরবান আলী, ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এস. এম. নূর আলমসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, দপ্তর প্রধানগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক মো.শাহনূর রহমান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অতিথি শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে আধুনিক জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৭ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাজিয়ালী মৌজায় ৩৫ একর জমির ওপর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আটটি অনুষদের অধীনে ২৭টি বিভাগ রয়েছে। এখানে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ে প্রায় ৪ হাজার ২৩১ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছেন। এছাড়া অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকসহ ৩৪৫ জন শিক্ষক, ১৬২ জন কর্মকর্তা এবং ৩৪৪ জন কর্মচারী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন।

আরো দেখুন

Advertisment

জনপ্রিয়